বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ৮ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

২ ডোজ টিকা নিলে সুরক্ষা ছয় মাসেরও বেশি

news-image

নিজস্ব প্রতিবেদক : করোনাভাইরাসের দুই ডোজ টিকা গ্রহণকারীদের মধ্যে ছয় মাস পরও অ্যান্টিবডির থাকে বলে এক গবেষণায় জানা গেছে। চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি অ্যান্ড অ্যানিমেল সাইয়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়- সিভাসু এ গবেষণা পরিচালনা করে।

মঙ্গলবার তারা এ তথ্য প্রকাশ করে।

গবেষণায় দেখা গেছে, টিকার দুই ডোজ যারা নিয়েছেন তাদের ৯৯ শতাংশের মধ্যে ছয় মাসেরও বেশি সময় ধরে অ্যান্টিবডি মিলেছে। প্রথম ডোজ গ্রহণকারীদের মধ্যে ৬২ দশমিক ৩৩ শতাংশের শরীরে অ্যান্টিবডি পাওয়া গেছে।

এ ছাড়া যারা কোভিড-১৯ এর টিকা নেয়নি তাদের ৫০ শতাংশের শরীরে প্রাকৃতিকভাবে সার্স কোভ-২ ভাইরাসের বিরুদ্ধে অ্যান্টিবডি পাওয়া গেছে।

‘কোভিড-১৯ অ্যান্টিবডির ব্যাপকতা ও পরিমাণ শনাক্তকরণ’ শীর্ষক গবেষণায় চট্টগ্রামের করোনাভাইরাসের ঝুঁকিতে থাকা সম্মুখ সারির কর্মী ও পোশাক কর্মীদের মধ্যে এ গবেষণা চালানো হয়।

সিভাসু এর উপাচার্য অধ্যাপক গৌতম বুদ্ধ দাশ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে করোনাভাইরাসের বিভিন্ন দিক নিয়ে শুরু থেকেই গবেষণা করা হচ্ছে। আমরা সম্মুখসারির যোদ্ধাদের মধ্যে টিকা গ্রহীতা ও যারা নেননি তাদের মধ্যে কেমন অ্যান্টিবডি তৈরি হচ্ছে তা নিয়ে গবেষণা করেছি। গবেষণায় দেখা গেছে প্রথম ডোজগ্রহণকারীদের চেয়ে দ্বিতীয় ডোজ নেওয়া ব্যক্তিদের সুরক্ষা লেভেল অনেক ভালো এবং বিভিন্ন মাসের হিসেবে তা অনেক বেশি।

মঙ্গলবার সিভাসুর পাঠানো প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অ্যান্টিবডির (আইজিজি) উপস্থিতি ও পরিমাণ এনজাইম লিঙ্কড ইমিউনসর বেন্ট অ্যাসাই (ইএলআইএসএ) পদ্ধতিতে এ গবেষণা করা হয়। গবেষণায় সেরোপজিটিভিটি (রক্তে সার্স-কোভ-২ এর অ্যন্টিবডির উপস্থিতি) সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয় বিশ্লেষণ করা হয়েছে।

এতে দেখা গেছে, কোভিড-১৯ এর প্রথম ডোজ টিকা গ্রহণের পর প্রথম মাসে যে পরিমাণ অ্যান্টিবডি মিলেছে (১৭৫ দশমিক ১ ডিইউ/মিলি) সেটির প্রায় ২৫ শতাংশ কমে যায় দ্বিতীয় মাসে। তবে দ্বিতীয় ডোজ নেওয়াদের মধ্যে অ্যান্টিবডির পরিমাণ সময়ের সঙ্গে কমে যাবার প্রবণতায় ভিন্নতা পাওয়া গেছে।

গবেষণার তথ্য তুলে ধরে প্রতিবেদনে বলা হয়, টিকার দ্বিতীয় ডোজ নেওয়ার দুই মাসের মধ্যে গড়ে যে পরিমাণ অ্যান্টিবডি টাইটার থাকে (৩২৪ দশমিক ৪২ ডিইউ/মিলি) চতুর্থ মাসে এসে এর ২১ শতাংশ টাইটার কমে যায়। কিন্তু ষষ্ঠ মাসে এসে তা চতুর্থ মাসের মাত্র ৩ দশমিক ৪ শতাংশ কমে।

উপাচার্য গৌতম বুদ্ধ দাশের নেতৃত্বে গবেষণায় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক শারমিন চৌধুরী, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অধ্যাপক ডা. এম এ হাসান চৌধুরী, ডা. জাহান আরা, ডা. সিরাজুল ইসলাম, ডা. তারেক উল কাদের, ডা. আনান দাশ, ডা. মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, ডা. ইয়াসির হাসিব, ডা. তাজরিনা রহমান ও ডা. সীমান্ত দাশ অংশ নেন।

গবেষণায় অংশ নেওয়া ৭৪৬ জনের মধ্যে প্রায় ২২৩ জন (৩০ শতাংশ) টিকার প্রথম ডোজ এবং উভয় ডোজ নিয়েছিলেন ২৩১ জন (৩১ শতাংশ)। টিকা নেননি এমন ব্যক্তি ছিলেন ২৯২ জন (৩৯ শতাংশ)।

অনেকে করোনাভাইরাসে উপসর্গহীনভাবে আক্রান্ত হয়েছেন উল্লেখ করে অধ্যাপক গৌতম বুদ্ধ বলেন, তারা আক্রান্ত হয়েছেন টেরই পাননি। কিন্তু অনেকের মধ্যে প্রাকৃতিকভাবে অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে। তবে টিকা গ্রহণকারীদের মধ্যে এ পরিমাণ অনেক বেশিই।

এ জাতীয় আরও খবর

বোয়ালখালীতে ৫ শ্রমিকের মৃত্যু, মামলা ছাড়াই চলছে সমঝোতার চেষ্টা

১৭ বছর পর ইংল্যান্ড সফরে বাংলাদেশ, টেস্ট হবে লর্ডসে

২৭ জুলাই থেকে চট্টগ্রাম বোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষা ফের শুরু

ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে তারেক রহমানকে মোদির আমন্ত্রণ

রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নিয়ে সরকারের করণীয় নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

গাজী নজরুলের বহিষ্কার জানিয়ে ইসিকে চিঠি জামায়াতের

ইরান ইস্যুতে কঠিন কূটনৈতিক চাপে ট্রাম্প

মানবিক সহায়তায় আলোচনায় ‘আমরা বিএনপি পরিবার’

২০৩৪ সালে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির লক্ষ্য বাংলাদেশের

শ্রীলঙ্কার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ড. খলিলুরের বৈঠক

তথ্যমন্ত্রীর নামে ভুয়া ফেসবুক অ্যাকাউন্ট, সতর্কবার্তা

গ্রামে চিকিৎসাসেবা নিশ্চিতের আহ্বান ডা. জুবাইদার