বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ৮ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পতনের মুখে আফগানিস্তানের প্রথম কোনো প্রাদেশিক রাজধানী

আফগানিস্তানের দক্ষিণাঞ্চলীয় একটি প্রাদেশিক রাজধানীর নিয়ন্ত্রণ নিতে মরিয়া হামলা চালাচ্ছে তালেবান যোদ্ধারা। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি বলছে, তালেবানের কাছে আফগানিস্তানের প্রথম কোনো প্রাদেশিক রাজধানীর পতন হতে পারে এটি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও আফগান বাহিনীর বিমান হামলা সত্ত্বেও হেলমান্দ প্রদেশের রাজধানী লস্কর গাহের নিয়ন্ত্রণ নিতে রাজপথে তীব্র লড়াই চালাচ্ছে তালেবান যোদ্ধারা। টিভি স্টেশন দখলের কথা জানিয়েছে সশস্ত্র গোষ্ঠীটি। আশ্রয়ের খোঁজে গ্রামের দিকে ছুটছে হাজার হাজার বেসামরিক মানুষ।

আফগানিস্তানে ২০ বছরের সামরিক অভিযানের পর সম্প্রতি সেনা প্রত্যাহার করে নেয় যুক্তরাষ্ট্র। এরপর থেকে দেশটিতে দ্রুত তালেবানের উত্থান ঘটছে। তালেবান যোদ্ধাদের ঠেকাতে মোতায়েন করা হচ্ছে হাজার হাজার আফগান সেনা।

যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের সামরিক অভিযানের অন্যতম কেন্দ্র ছিল হেলমান্দ প্রদেশ। এটি তালেবানের দখলে গেলে তা হবে আফগান সরকারের জন্য বড় বিপর্যয়। লস্কর গাহের পতন ঘটলে ২০১৬ সালের পর এটি হবে তালেবানদের প্রথম কোনো প্রাদেশিক রাজধানী দখল। বর্তমানে তিনটি প্রাদেশিক রাজধানীর দখল নিতে লড়াই চালাচ্ছে তালেবান।

এর আগে গত রোববার কান্দাহারের বিমানবন্দরে রকেট হামলা চালিয়েছে তালেবান। ওই হামলার পর থেকে আফগানিস্তানের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর কান্দাহারের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টায় রয়েছে তারা। বিবিসি বলছে, কান্দাহার জয় করলে তালেবানদের যুদ্ধে জয়ী হিসেবে ধরে নেওয়া যেতে পারে। এ জয়ের মধ্য দিয়ে দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের বড় অংশের নিয়ন্ত্রণ নিতে পারবে তারা।

পাকিস্তান সীমান্ত সংলগ্ন শহর স্পিন বোলডাতেও গত রোববার রাতে নতুন করে লড়াই হয়েছে। কান্দাহার শহরে তালেবানের প্রবেশ আফগান সরকারের জন্য সবচেয়ে বড় মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এখানে তালেবান যোদ্ধাদের লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালিয়েছে আফগান বাহিনী। হামলায় ৩৫ তালেবান যোদ্ধা নিহত হয়েছে বলে দাবি করেছে দেশটির সরকার।

তালেবানের অগ্রযাত্রা ঠেকাতে হিমশিম খাচ্ছে সরকারি বাহিনী। এর জন্য হঠাৎ করে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারকে দায়ী করেছেন আফগান প্রেসিডেন্ট আশরাফ গনি। পার্লামেন্টে তিনি বলেন, ‘আমাদের বর্তমান পরিস্থিতির কারণ হলো সেনা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত আচমকা নেওয়া হয়েছে।’

আফগান প্রেসিডেন্ট বলেন, এ বিষয়ে তিনি ওয়াশিংটনকে সতর্ক করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, সেনা প্রত্যাহারের পরিণতি ভালো হবে না।

উল্লেখ্য, আফগানিস্তান থেকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় সকল সেনা প্রত্যাহার করা হলেও দেশটির সরকারি বাহিনীর বিমান হামলায় সহায়তা দেওয়া চালিয়ে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। সোমবার প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসনের তরফ থেকে বলা হয়েছে, সহিংসতা বৃদ্ধি পাওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এ জাতীয় আরও খবর

রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ হলে সাংবিধানিক প্রক্রিয়া অনুসরণ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মালদ্বীপের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে বাংলাদেশ হাইকমিশনারের বৈঠক

বোয়ালখালীতে ৫ শ্রমিকের মৃত্যু, মামলা ছাড়াই চলছে সমঝোতার চেষ্টা

১৭ বছর পর ইংল্যান্ড সফরে বাংলাদেশ, টেস্ট হবে লর্ডসে

২৭ জুলাই থেকে চট্টগ্রাম বোর্ডের HSCপরীক্ষা শুরু

ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে তারেক রহমানকে মোদির আমন্ত্রণ

গাজী নজরুলের বহিষ্কার জানিয়ে ইসিকে চিঠি জামায়াতের

ইরান ইস্যুতে কঠিন কূটনৈতিক চাপে ট্রাম্প

মানবিক সহায়তায় আলোচনায় ‘আমরা বিএনপি পরিবার’

২০৩৪ সালে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির লক্ষ্য বাংলাদেশের

শ্রীলঙ্কার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ড. খলিলুরের বৈঠক

তথ্যমন্ত্রীর নামে ভুয়া ফেসবুক অ্যাকাউন্ট, সতর্কবার্তা