বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ৮ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ওই সব দিনের কথা ভাবতেও ভয় লাগে

news-image

আবদুল্লাহ মোহাম্মদ সাদ বলেছেন, শুটিংয়ের প্রতিটি দিনই তাঁর কাছে মনে হতো, যেন গণিতের পরীক্ষা দিচ্ছেন। আপনার কী মনে হতো?

আমার তো পুরো জীবনটাই পরীক্ষা দিতে দিতে যাচ্ছে। শুটিংয়ের ওই সময়টায় আরও বেশি দিতে হয়েছে। শুটিংয়ের দেড় বছর কোনো কাজ করিনি। মেয়েকে রেখে দুই মাস শুটিং করেছি। মেয়ে প্রতিদিন ফোন করে কান্নাকাটি করত। আমার একটা আইনি ঝামেলা চলছিল, আইনজীবী নানা ইস্যুতে ফোন করত। আম্মু ফোন করে বলত, সায়রার স্কুল থেকে জানিয়েছে, এটা-ওটা হয়েছে। ওদিকে আবদুল্লাহ মোহাম্মদ সাদ বলছে, কিচ্ছু হচ্ছে না কাজ। তখন মনে হতো, আমি আসলে এই জীবনে কী করলাম। এই যুদ্ধটা প্রতিনিয়ত, প্রতি মুহূর্তে করতে হয়েছে। শুটিং শেষের দুই দিন আগে মনে মনে চেয়েছিলাম, এই শুটিং শেষ না হোক। তার আগমুহূর্ত পর্যন্ত আমি রীতিমতো মারাই যাচ্ছিলাম। স্ক্রিনে যে অস্থিরতা, তা আমার জীবনেও আছে। সেটা আরও জটিল হয়ে গেল যখন, এত কিছুর মধ্য দিয়ে যেতে হচ্ছিল। এটাকে আমি বলব জীবনের পরীক্ষা। ওই সব দিনের কথা ভাবতেও ভয় লাগে।

‘রেহানা মরিয়ম নূর’ ছবির পরিচালক আবদুল্লাহ মোহাম্মদ সাদ ও অভিনয়শিল্পী আজমেরী হক বাঁধন

‘রেহানা মরিয়ম নূর’ ছবির পরিচালক আবদুল্লাহ মোহাম্মদ সাদ ও অভিনয়শিল্পী আজমেরী হক বাঁধন
ছবি : সংগৃহীত

শুটিং কোথায় হয়েছে?

খুবই ইন্টারেস্টিং একটা লোকেশন। কুমিল্লার একটি বেসরকারি মেডিকেল কলেজে। আমরা সবাই আবার একসঙ্গে যেন থাকতে পারি, তাই হোস্টেল পছন্দ ছিল। যে আমি কোনো দিন হোস্টেলে থাকিনি, এই সময়টা দুই মাস মেয়েদের হোস্টেলে ছিলাম

প্রিমিয়ারে কী পরবেন?

এটা ঠিক, বাংলাদেশি ডিজাইনারের পোশাক পরব। শাড়ি না গাউন, সেটা আগের রাতে বুঝতে পারব।

সাল দুবুসিতে ৭ জুলাই সন্ধ্যা সোয়া সাতটায় হবে এই ছবির প্রথম প্রদর্শনী

সাল দুবুসিতে ৭ জুলাই সন্ধ্যা সোয়া সাতটায় হবে এই ছবির প্রথম প্রদর্শনী

জীবনের সবচেয়ে সম্মানজনক মুহূর্তের সামনে আপনি। এই সময়ে আপনার মেয়ে সায়রা সঙ্গে থাকলে কেমন হতো?

খুব ভালো হতো। মেয়ে বলে দিয়েছে, আমার বক্তব্যে তার নাম বলতে যেন ভুলে না যাই। আমি বলেছি, আমি আমাকে ভুলে গেলেও তোমাকে ভুলতে পারব না, মা। মেয়ের যেদিন জন্ম, সেদিনের পর এটাই আমার জীবনের সুন্দর মুহূর্ত।

আবদুল্লাহ মোহাম্মদ সাদ

আবদুল্লাহ মোহাম্মদ সাদ

উদ্বোধনী দিনে লালগালিচায় আপনারা নাকি থাকছেন না!

এই না যাওয়ার সিদ্ধান্ত সাদের টিম স্পিরিটের অন্যতম অংশ। কানের রীতি অনুযায়ী উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশ নিলে আমি, পরিচালক আবদুল্লাহ মোহাম্মদ সাদ আর প্রযোজক জেরেমি চুয়া নিতে পারি। কিন্তু আমাদের সঙ্গে যাঁরা এতটা পথ এলেন—শব্দ প্রকৌশলী শৈব তালুকদার, কালারিস্ট চিন্ময় রয়, প্রোডাকশন ডিজাইনার আলী আফজাল উজ্জ্বল, চিত্রগ্রাহক তুহিন নাজমুল ও নির্বাহী প্রযোজক এহসানুল হক, তাঁদের কী হবে! তাঁরা হোটেলে আর আমরা লালগালিচায়, সেটিকে সাদ মোটেও সমর্থন করে না। তাই আমাদের এই সিদ্ধান্ত। এতে আমাদের মধ্যে কোনো দুঃখ নেই, বরং স্বস্তি আছে।

এ জাতীয় আরও খবর

রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ হলে সাংবিধানিক প্রক্রিয়া অনুসরণ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মালদ্বীপের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে বাংলাদেশ হাইকমিশনারের বৈঠক

বোয়ালখালীতে ৫ শ্রমিকের মৃত্যু, মামলা ছাড়াই চলছে সমঝোতার চেষ্টা

১৭ বছর পর ইংল্যান্ড সফরে বাংলাদেশ, টেস্ট হবে লর্ডসে

২৭ জুলাই থেকে চট্টগ্রাম বোর্ডের HSCপরীক্ষা শুরু

ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে তারেক রহমানকে মোদির আমন্ত্রণ

গাজী নজরুলের বহিষ্কার জানিয়ে ইসিকে চিঠি জামায়াতের

ইরান ইস্যুতে কঠিন কূটনৈতিক চাপে ট্রাম্প

মানবিক সহায়তায় আলোচনায় ‘আমরা বিএনপি পরিবার’

২০৩৪ সালে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির লক্ষ্য বাংলাদেশের

শ্রীলঙ্কার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ড. খলিলুরের বৈঠক

তথ্যমন্ত্রীর নামে ভুয়া ফেসবুক অ্যাকাউন্ট, সতর্কবার্তা