শুক্রবার, ২৪শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ৯ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রোহিঙ্গা জেনোসাইড মামলা: মিয়ানমারকে পর্যবেক্ষণ করবে আইসিজে কমিটি

news-image

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : দৃশ্যত পরিস্থিতির কোনো উন্নতি না ঘটিয়েই আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালতকে (ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিস-আইসিজে) তার আদেশ মানার তথ্য দিচ্ছে মিয়ানমার। এমন পরিস্থিতিতে মিয়ানমার বাস্তবে আদেশ কতটা মানছে তা পর্যবেক্ষণ করতে তিনজন বিচারকের সমন্বয়ে কমিটি গঠন করেছেন আইসিজে।

গত সোমবার রাতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন নেদারল্যান্ডসের দ্য হেগে আইসিজে।

জেনোসাইডবিরোধী আন্তর্জাতিক সনদ লঙ্ঘন ও রোহিঙ্গা জেনোসাইড সংঘটনের অভিযোগে ইসলামী সহযোগিতা সংস্থার (ওআইসি) পক্ষে গাম্বিয়া মিয়ানমারের বিরুদ্ধে গত বছর আইসিজেতে মামলা করে। গত বছরের ডিসেম্বর মাসে অন্তর্বর্তী আদেশের বিষয়ে শুনানির পর ২৩ জানুয়ারি আইসিজে গাম্বিয়ার আবেদন গ্রহণ করেন এবং মিয়ানমারকে রোহিঙ্গা জেনোসাইড ঠেকাতে উদ্যোগ নেওয়াসহ সুনির্দিষ্ট বেশ কিছু বিষয়ে অন্তর্বর্তী আদেশ দেন।

কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানায়, বিশ্বের সর্বোচ্চ আদালত হিসেবে আইসিজের আদেশ বাস্তবায়নে উদ্যোগ নেওয়ার দায়িত্ব ছিল জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের। আইসিজের সেই আদেশের অনুলিপি দুই দিনের মধ্যে হাতে পেয়েই জাতিসংঘ মহাসচিব তা নিরাপত্তা পরিষদে পাঠিয়েছিলেন। কিন্তু সেখানে আইসিজের আদেশ বাস্তবায়নের বিষয়ে কোনো প্রস্তাব গৃহীত হয়নি। নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য চীনের এ বিষয়ে আগ্রহের ঘাটতি রয়েছে।

কয়েক মাস আগে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যসহ নিরাপত্তা পরিষদের সমমনা কয়েকটি সদস্য রাষ্ট্র এক বিবৃতিতে মিয়ানমারকে আইসিজের আদেশ মেনে চলার আহ্বান জানায়। এমন পটভূমিতে আইসিজে নিজেই আদেশ মেনে চলা পর্যবেক্ষণ করতে অ্যাডহক কমিটি গঠন করেছেন।

আইসিজের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, জাতিসংঘের প্রধান বিচারিক কাঠামো আইসিজে তার কাজের ধরন ও প্রক্রিয়া পর্যালোচনার অংশ হিসেবে আদেশ বাস্তবায়ন সম্পর্কিত নতুন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এর আওতায় তিনজন বিচারকের সমন্বয়ে একটি অ্যাডহক কমিটি গঠিত হবে। ওই কমিটি আইসিজের অন্তর্বর্তী আদেশ বাস্তবায়নের বিষয়টি পর্যবেক্ষণে আদালতকে সহযোগিতা করবে।

আইসিজে আরো বলেছেন, অ্যাডহক কমিটি মামলায় বিবদমান দুই পক্ষের সরবরাহ করা তথ্য-উপাত্ত পর্যবেক্ষণ করবে এবং আদালতকে নির্দিষ্ট সময় অন্তর তাদের মতামত জানাবে। এ ছাড়া সম্ভাব্য করণীয় বিষয়েও কমিটি আদালতকে সুপারিশ করবে।

উল্লেখ্য, আইসিজের কোনো আদেশ বা সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিলের সুযোগ নেই। তাই আইসিজের আদেশই চূড়ান্ত। আইসিজে ছাড়াও দ্য হেগে আন্তর্জাতিক ফৌজদারি আদালতের (ইন্টারন্যাশনাল ক্রিমিনাল কোর্ট-আইসিসি) কৌঁসুলির দপ্তর মিয়ানমার থেকে রোহিঙ্গাদের গণবাস্তুচ্যুত হয়ে বাংলাদেশে আসার পটভূমিতে সম্ভাব্য গুরুতর আন্তর্জাতিক অপরাধ অনুসন্ধান করছে। আইসিজে রাষ্ট্রের জবাবদিহি নিশ্চিত করতে পারেন। অন্যদিকে ব্যক্তিবিশেষের অপরাধের বিচারে কাজ করে আইসিসি।

এ জাতীয় আরও খবর

গ্যাস সংকটে সিএনজি ফিলিং স্টেশনে দীর্ঘ লাইন, বিপাকে চালকরা

দুই দফা বাড়ার পর স্বর্ণের দামে বড় পতন

রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন আজ পদত্যাগ করছেন

আলুর নাগেট তৈরির রেসিপি জেনে নিন

ভালোবাসা পেলাম, এবার তার যোগ্য হওয়ার পালা : ফারিয়া

অবশেষে অনশন ভাঙলেন সোনাম ওয়াংচুক

ফ্ল্যাট থেকে গৃহকর্মীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

মাংস, ডিম ও ব্রয়লারের দাম স্থিতিশীল থাকলেও বেড়েছে মাছের দাম

নয়াদিল্লিতে বিক্ষোভ : শিক্ষা সচিবকে অপসারণ করল ভারত

বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক আরোপ

বাগেরহাটে খানজাহান আলী মিশনের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন

নারীদের আত্মনির্ভরশীল করতে সমবায় সমিতির উদ্যোগ