শুক্রবার, ২৪শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ৯ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চামড়া শিল্প করোনার হানায় নিস্তেজ

news-image

সাভার প্রতিনিধি : প্রতি বছর ঈদুল আজহায় দেশের মোট চামড়ার ৬০ ভাগ সংগ্রহ করা হয়। কোরবানির ঈদের সময় দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে মৌসুমি ব্যবসায়ী ও আড়তদাররা কাঁচা চামড়া সংগ্রহ করে তা ট্যানারিতে সরবরাহ করে থাকে। তবে এবার ঢাকার সাভারে অবস্থিত চামড়া শিল্প নগরীতে চামড়া সংগ্রহের ব্যস্ততা চোখে পড়েনি। কারণ হিসেবে করোনা মহামারির কারণে বিদেশি ক্রেতা না আসা এবং বৈদেশিক বাজারে চাহিদা না থাকাকে দায়ী করছেন ট্যানারি মালিকরা।

বুধবার সরেজমিনে সাভার চামড়া শিল্প নগরী ঘুরে দেখা যায়, এখনো ট্যানারিগুলোতে ক্রেতা-বিক্রেতাদের কোনো ভিড় নাই। কিছু ট্যানারি মালিক স্বল্পপরিসরে চামড়া কিনলেও অধিকাংশ ট্যানারিতেই নেই কর্মব্যস্ততা। এ ছাড়া চামড়ার দাম না থাকায় শঙ্কায় রয়েছেন আড়তদার ও মৌসুমি ব্যবসায়ীরা।

ট্যানারিতে চামড়া বিক্রি করতে আসা আড়তদার হোসেন আলী জানান, এবার ঈদে তিনি বিভিন্ন এলাকা থেকে ছোট-বড় মিলিয়ে চার শ থেকে ছয় শ টাকা দরে এক হাজার গুরুর চামড়া কিনেছেন। এরপর সেগুলোতে লবণ মাখিয়ে গাড়ি ভাড়া দিয়ে ট্যানারিতে এনে যে খরচ পড়েছে এখন লাভ তো দূরের কথা কেনা দামেই চামড়া বিক্রি করতে পারছেন না।

মৌসুমি ব্যবসায়ী শফিকুল আলম জানায়, দুই হাজার পিস গরুর চামড়া ও ৮ পিস ছাগলের চামড়া সংগ্রহ করেছি। কয়েক দিন ধরে বিভিন্ন ট্যানারি মালিকের কাছে ধরনা দিয়েও সেগুলো বিক্রি করতে না পারায় বড় বিপদে আছি। কিছু লাভের আশায় ধার-দেনা করে কেনা চামড়া যদি ন্যায্য দামে বিক্রি করতে না পারি, তাহলে আমার মরে যাওয়া ছাড়া আর পথ থাকবে না।

মনির নামে অপর ব্যবসায়ী জানান, চামড়ার দাম কম নির্ধারণ করায় লোকসান হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। গত বছরের লোকসানের ধকল এখনো কাটিয়ে উঠতে পারিনি। এবার লোকসান হলে আর উঠে দাঁড়াতে পারব না।

মো. কালাম নামে এক ট্যানারি মালিক বলেন, করোনার কারণে এবার বিদেশি ক্রেতারা বাংলাদেশে আসতে না পারায় ক্রেতা শূন্যতা দেখা দিয়েছে। এখনো বিক্রি করতে না পারায় গত বছরের চামড়া মজুত রয়েছে। তবুও এবার স্বল্প আকারে চামড়া কিনছেন তিনি।

বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সাখাওয়াত উল্লাহ জানান, সাভার ট্যানারিতে সীমিত পরিসরে চামড়া আসতে শুরু করেছে। এক সপ্তাহ পর থেকে পুরোদমে লবণযুক্ত চামড়া কেনা শুরু হবে।

সাভার চামড়া শিল্প নগরীর প্রকল্প পরিচালক জিতেন্দ্র নাথ পাল বলেন, আমাদের বর্জ্য পরিশোধনাগার (সিইটিপি) শত ভাগ কার্যকর রয়েছে । এছাড়া কঠিন বর্জ্য এবং ড্রেনেজ ব্যবস্থাসহ অন্যান্য সমস্যা সমাধানের জন্য কাজ করে যাচ্ছি।

এ জাতীয় আরও খবর

গ্যাস সংকটে সিএনজি ফিলিং স্টেশনে দীর্ঘ লাইন, বিপাকে চালকরা

দুই দফা বাড়ার পর স্বর্ণের দামে বড় পতন

রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন আজ পদত্যাগ করছেন

আলুর নাগেট তৈরির রেসিপি জেনে নিন

ভালোবাসা পেলাম, এবার তার যোগ্য হওয়ার পালা : ফারিয়া

অবশেষে অনশন ভাঙলেন সোনাম ওয়াংচুক

ফ্ল্যাট থেকে গৃহকর্মীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

মাংস, ডিম ও ব্রয়লারের দাম স্থিতিশীল থাকলেও বেড়েছে মাছের দাম

নয়াদিল্লিতে বিক্ষোভ : শিক্ষা সচিবকে অপসারণ করল ভারত

বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক আরোপ

বাগেরহাটে খানজাহান আলী মিশনের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন

নারীদের আত্মনির্ভরশীল করতে সমবায় সমিতির উদ্যোগ