শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১০ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশ ১৩৬, পাকিস্তান ৭/১

news-image

স্পোর্টস ডেস্ক : গাদ্দাফি স্টেডিয়ামের উইকেট নিয়ে প্রথমদিন থেকেই সমালোচনা হচ্ছে বিস্তর। মন্থর ও নিচু বাউন্সের এই উইকেট টি-টোয়েন্টি সহায়ক না, ব্যাটিং সহায়ক না ইত্যাদি ইত্যাদি। তবে বাংলাদেশি ব্যাটসম্যানদের শরীরী ভাষাতেও যে টি-টোয়েন্টি ছিল না! ধীর গতির ঘুমপাড়ানি ব্যাটিংয়ে প্রথম ম্যাচের রানও টপকে যেতে পারল না মাহমুদউল্লাহর দল। নির্ধারিত ২০ ওভারে টাইগারদের সংগ্রহ ৬ উইকেটে ১৩৬ রান। একমাত্র হাফ সেঞ্চুরি উপহার দিয়েছেন তামিম ইকবাল।

১৩৭ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে পাকিস্তান ১.৪ ওভারে ৭/১ রান সংগ্রহ করেছে।

লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় বাংলাদেশ। দলীয় ৫ রানে শাহিন শাহ আফ্রিদরি শিকার হয়ে ‘ডাক’ মেরে ফিরেন মোহাম্মদ নাঈম। এরপর উইকেটে তামিমের সঙ্গী হন দুই বছর পর দলে ফেরা মেহেদী। কিন্তু তার প্রত্যাবর্তন সুখের হয়নি। ১১ বলে ৯ রান করে মোহম্মদ হাসনাইনের শিকার হন। মেহেদি হাসানের পর উইকেটে আসেন লিটন দাস। টানা দ্বিতীয় ম্যাচেও ব্যর্থ বিপিএলে দুর্দান্ত খেলা এই তরুণ। ১৪ বলে ৮ রান করে শাদাব খানের বলে এলবিডাব্লিউ হয়ে যান। দলীয় ৪১ রানে ৩ উইকেট হারায় বাংলাদেশ।

ম্যাচের এই পর্যায়ে তামিমের সঙ্গে দলের হাল ধরেন আফিফ হোসেন ধ্রুব। দুজনের ধীরগতির ব্যাটিংয়ে এগুতে থাকে বাংলাদেশ। ৪৪ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূরণ করেন তামিম। ২০ বলে ২১ রান করে আউট হন আফিফ। তামিমের ৫৩ বলে ৭ চার ১ ছক্কায় ৬৫ রানের ইনিংসটি থামে রান-আউটের শিকার হয়ে। শেষ ওভারের প্রথম বলে হারিস রউফ বোল্ড করে দেন অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহকে (১২)। শেষে সৌম্য সরকার (৫*) আর আমিনুল ইসলাম (৮*) দলকে টেনেটুনে ১৩৬ রানে নিয়ে যান।

বাংলাদেশ একাদশ: মাহমুদউল্লাহ, তামিম ইকবাল, সৌম্য সরকার, মোহাম্মদ নাঈম শেখ, লিটন দাস, মেহেদি হাসান, আফিফ হোসেন, আমিনুল ইসলাম বিপ্লব, মুস্তাফিজুর রহমান, শফিউল ইসলাম, আল আমিন হোসেন।

পাকিস্তান একাদশ: বাবর আজম, এহসান আলি, হারিস রউফ, ইফতিখার আহমেদ, ইমাদ ওয়াসিম, মোহাম্মদ হাফিজ, মোহাম্মদ হাসনাইন, মোহাম্মদ রিজওয়ান, শাদাব খান, শাহিন শাহ আফ্রিদি, শোয়েব মালিক।