,

কিছু লোক সারাক্ষণ আমাকে ফলো করে: মিন্নির বাবা

news-image

অজ্ঞাত পরিচয়ের লোকজন ঘিরে থাকায় মেয়ের সঙ্গে দেখা করার সময় কথা বলা সম্ভব হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন রিফাত হ’ত্যা মা’মলায় গ্রে’প্তার তার স্ত্রী মিন্নির বাবা মোজাম্মেল হোসেন কিশোর। তিনি বলেন, ‘আমার মেয়ে ভালো নেই, জেলখানায় বিনা চিকিৎসায় আমার মেয়ে মা’রা যাবে। মেয়ের সঙ্গে একটু কথা বলব তাও পারছি না, কারা যেন আমাদের ফলো করে, সারাক্ষণ ঘিরে থাকে। আমাদের বাক্‌স্বাধীনতা হরণ করা হয়েছে’।

শনিবার বেলা ১১টায় বরগুনা জেলা কারাগারে মেয়ের সঙ্গে দেখা করতে যান মিন্নির বাবা মোজাম্মেল হোসেন কিশোর ও তার পরিবারের সদস্যরা। বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে তারা মিন্নির সঙ্গে দেখা করে বের হলে গণমাধ্যম কর্মীরা কথা বলতে চাইলে কারও সঙ্গেই কথা বলেননি তারা।

পরে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘কিছু লোক সারাক্ষণ আমাকে ফলো করে। আমি যেখানে যাই তারাও সেখানে যায়। জেলখানায় গিয়ে মেয়ের সাথে একটু কথা বলব তাও তাদের ভয়তে বলতে পারি না। মেয়ের সঙ্গে একটু কথা বলব তাও বলতে পারি নাই। আমার মেয়েকে দুরে দাঁড় করিয়ে রাখা হয়, ঠিকমতো মেয়ের কথা শুনতেও পারি নাই। আমার মেয়েটা মনে হয় জেলখানায় বিনা চিকিৎসায় মা’রা যাবে’।

আয়শা সিদ্দিকা মিন্নিকে তার স্বামী রিফাত শরীফ হ’ত্যা মা’মলায় ১৬ জুলাই রাত ৯টার দিকে গ্রে’প্তার করে পুলিশ। ১৭ জুলাই ৫ দিনের রি’মান্ডে নেওয়া হলেও ৪৮ ঘণ্টা পরেই ১৯ জুলাই মিন্নিকে আদালতে হাজির করে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি নেয়া হয়। ওই দিন রাত সাড়ে ৭ টার দিকে মিন্নিকে বরগুনা কারাগারে পাঠানো হয়।

পরদিন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মিন্নির সঙ্গে তার বাবা-মাসহ পরিবারের সদস্যরা দেখা করে জানান, মিন্নিকে পুলিশ শারীরিক ও মানসিক নি’র্যাতন করেছে। ২২ জুলাই বরগুনা জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও মিন্নির আইনজীবী মাহবুবুল বারী আসলাম হাসপাতালে নিয়ে মিন্নির চিকিৎসা ও তার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রত্যাহারের জন্য বরগুনার জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম গাজীর আদালতে আবেদন করেন। বিচারক তার আবেদন নামঞ্জুর করে কারা কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে মিন্নিকে আবেদন করার পরামর্শ দিয়ে আইনজীবীর হাতে হাতে ওই দিনের আবেদনপত্র ফেরত দিয়েছেন।

গত ২৪ জুলাই আইনজীবী অ্যাড মাহবুবুল বারী আসলাম কারাগারে গিয়ে আয়শা সিদ্দিকা মিন্নির সঙ্গে কথা বলে সাংবাদিকদের জানান, মিন্নিকে শা’রীরিক ও মা’নসিক নি’র্যাতন করা হয়েছে। মিন্নি ভালোভাবে হাঁটতে পারেন না। তার চিকিৎসা দরকার। আজও একই কথা বলেছেন, মিন্নির বাবা মোজাম্মেল হোসেন কিশোর।

যদিও ২৬ জুলাই বেলা সাড়ে ১১ টায় বরগুনা সিভিল সার্জন অফিসের ডা. হাবিবুর রহমান কারাগারে আয়শা সিদ্দিকা মিন্নির খোঁজ-খবর নিয়ে জানিয়েছেন, তিনি সুস্থ আছেন। রিফাত হ’ত্যা মামলায় এ পর্যন্ত ১৫ আ’সামিকে গ্রে’প্তার করেছে পুলিশ। তারা সবাই ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। প্রধান আ’সামি নয়ন ব’ন্ড ২ জুলাই পুলিশের সঙ্গে ব’ন্দুকযু’দ্ধে নি’হত হয়েছে। মা’মলার এজাহারভুক্ত ১২ আসামির মধ্যে এখনো চারজন গ্রে’প্তার হয়নি।

২৬ জুন সকালে প্র’কাশ্যে বরগুনা সরকারি কলেজ গেটের সামনে রিফাতকে কু’পিয়ে আ’হত করা হয়। গুরুতর আ’হত অবস্থায় বরিশাল নেওয়ার পর তিনি মা’রা যান। এ ঘটনায় রিফাতের বাবা আবদুল হালিম দুলাল শরীফ বাদী হয়ে ১২ জনকে আসামি করে বরগুনা থানায় হ’ত্যা মা’মলা করেন।

এ জাতীয় আরও খবর

জিন্নাহর ভূমিকা অস্বীকারের সুযোগ নেই: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

শাহজালালের ৩য় টার্মিনালে ১২ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবে মেনজিস

রাজশাহীতে পদ্মায় হঠাৎ উঁচু ঢেউ, দেবে গেছে ৭৫ মিটার বাঁধ

জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রেস সচিব

৯৯ বিচারককে একযোগে বদলি

ডাকসু থেকে কোনো টাকা নেননি ভিপি-জিএস-এজিএস

প্রবাসীদের ভোটাধিকার হরণের চেষ্টার অভিযোগ জামায়াত আমিরের

৬ জুনের আগেই ইউপি নির্বাচন শেষ করার তাগিদ ইসির

বাদশাকে নিয়ে ইশার বিস্ফোরক দাবি

প্রোপাগান্ডাকে অভিযোগ হিসেবে নেওয়ায় দুদকের দক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন নাহিদের

অডিও ফাস: ক্যান্টনমেন্ট থানার ওসি প্রত্যাহার

এসআই আলতাফ হত্যায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর