শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১০ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গ্রামবাসী পুলিশের সামনেই মা ও ছেলেকে পিটিয়ে খুন করল!

news-image

ডেস্ক রিপোর্ট।। নির্মম এই ঘটনা হার মানাবে মধ্যযুগীয় বর্বরতাকে। এক মা ও তার ছেলেকে লাঠি দিয়ে নির্মমভাবে পিটিয়ে খুন করেছে গ্রামের লোকেরা। এ সংক্রান্ত একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, মাটিতে পড়ে রয়েছেন এক নারী ও আরেক তরুণ। তাঁদের গায়ে এসে পড়ছে লাঠির আঘাত। প্রথমে কিছুক্ষণ আঘাত থেকে বাঁচার আপ্রাণ চেষ্টা করছিলেন তাঁরা। তারপর একসময় সব থেমে গেল। আর কোনও সাড়া নেই তাঁদের শরীরে। কিন্তু তবু লাঠির আঘাত থামছে না। নড়াচড়াহীন শরীরগুলোর ওপরই এসে পড়ছে লাঠির আঘাত। এদিকে, চোখের সামনে এই নৃশংস দৃশ্য দেখেও চুপ রইল পুলিশ। এমনটাই ঘটেছে ভারতের আসাম রাজ্যের একটি চা বাগানে। স্থানীয় বাসিন্দাদের বিরুদ্ধে পুলিশের চোখের সামনেই মা ও ছেলেকে পিটিয়ে খুনের অভিযোগ উঠেছে।

জানা গেছে, গত ৫ জুন শিপুর চা বাগানের বাসিন্দা অজয় তাঁতির স্ত্রী রাধা তাঁতি এবং তার ২ মাস বয়সী শিশুসন্তান নিখোঁজ হয়ে যান। দুদিন পর এলাকার একটি সেপটিক ট্যাঙ্ক থেকে উদ্ধার হয় শিশুসন্তানসহ রাধা তাঁতির পচাগলা মরদেহ। আর তারপরই ক্রোধে উন্মত্ত হয়ে ওঠে স্থানীয় বাসিন্দারা, বিশেষ করে নারীরা।

জনতার আক্রোশের শিকার হন অজয় তাঁতি ও তার মা যমুনা তাঁতি। পুলিশের সামনেই মা-ছেলেকে বেধড়ক পেটায় উত্তেজিত জনতা। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় যমুনা তাঁতির। গুরুতর আহত অবস্থায় ছেলে অজয় তাঁতিকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শনিবার রাতে মৃত্যু হয় অজয় তাঁতির।

এদিকে, স্ত্রী-ছেলেকে মারের হাত থেকে বাঁচাতে এসে আহত হয়েছেন অজয়ের বাবা। ভয়ঙ্কর এই ভিডিওটি সামনে আসতেই শিউরে উঠছে মানুষ। পুলিশের চোখের সামনে কী করে এই ঘটনা ঘটল? পুলিশ কেন চুপ ছিল? পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করছে। সূত্র : জি- নিউজ