,

রোজা অবস্থায় শরীর থেকে রক্ত বের হলে, চোখে ড্রপ দিলে ও ইঞ্জেকশন নিলে রোজা ভঙ্গ হবে কি?

news-image

ইসলামী ডেস্ক : রোজা অবস্থায় শরীর থেকে রক্ত বের হলে রোজা ভাঙ্গে না। তদ্রুপ সিরিঞ্জ দ্বারা বের করা হলেও রোজা ভাঙ্গে না। তবে বিশেষ ওযর ছাড়া শরীর থেকে ইচ্ছাকৃত এ পরিমাণ রক্ত বের করা মাকরূহ, যার কারণে ওই দিন রোজা পূর্ণ…

প্রশ্ন : রোজা অবস্থায় যদি শরীরের কোনো অঙ্গ থেকে রক্ত বের হয় কিংবা সিরিঞ্জ দিয়ে শরীর থেকে রক্ত বের করা হয় তাহলে কি রোজা ভেঙ্গে যাবে?

উত্তর : রোজা অবস্থায় শরীর থেকে রক্ত বের হলে রোজা ভাঙ্গে না। তদ্রুপ সিরিঞ্জ দ্বারা বের করা হলেও রোজা ভাঙ্গে না। তবে বিশেষ ওযর ছাড়া শরীর থেকে ইচ্ছাকৃত এ পরিমাণ রক্ত বের করা মাকরূহ, যার কারণে ওই দিন রোজা পূর্ণ করার শক্তি হারিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা হয়। -সূত্র : সহিহ বোখারি, হাদিস ১৯৩৮, ১৯৪০; ফিকহুন নাওয়াযিল- ২/৩০০

প্রশ্ন : রোজা অবস্থায় চোখে ড্রপ ব্যবহারের ফলে মুখে তিক্ততা অনুভব হলে কী রোজা ভেঙ্গে যাবে?

উত্তর : না, রোজা অবস্থায় চোখে ড্রপ ব্যবহার করলে রোজা ভাঙ্গবে না। এমনকি এর তিক্ততা মুখে বা গলায় অনুভব হলেও রোজা ভাঙ্গবে না। এ মাসয়ালাটি সাধারণ কিয়াসের বহির্ভুত সরাসরি আসার দ্বারা প্রমাণিত। -ফাতাওয়া তাতারখানিয়া: ৩/৩৭৯; বাদায়েউস সানায়ে ২/২৪৪

প্রশ্ন : রোজা অবস্থায় কি দাঁত ব্রাশ করা যাবে? এতে কি রোজা নষ্ট হয়ে যাবে?

উত্তর : রোজা অবস্থায় টুথপেস্ট বা মাজন দিয়ে দাঁত ব্রাশ করা মাকরূহ। আর পেস্ট বা মাজন গলার ভেতর চলে গেলে রোজাই নষ্ট হয়ে যাবে। তাই রোজা অবস্থায় টুথপেস্ট বা মাজন ব্যবহার করা যাবে না। টুথপেস্ট বা মাজন দিয়ে ব্রাশ করতে হলে সাহরির সময় শেষ হওয়ার আগেই করে নিতে হবে। সূত্র : ইমদাদুল ফাতাওয়া: ২/১৪১; জাওয়াহিরুল ফিকহ: ৩/৫১৮

প্রশ্ন : রোজা অবস্থায় যদি কেউ স্যালাইন বা ইঞ্জেকশন নেয় তাহলে কি রোজা ভেঙ্গে যাবে? তেমনি অসুস্থ অবস্থায় কেউ যদি গ্লুকোজ স্যালাইন নেয় তাহলে কি তার রোজা সহিহ হবে?

উত্তর : স্যালাইন বা ইঞ্জেকশন নিলে রোজা ভাঙ্গে না। তেমনিভাবে অসুস্থতার কারণে গ্লুকোজ স্যালাইন নিলেও রোজার ক্ষতি হবে না। তবে অসুস্থতা ছাড়া গ্লুকোজ স্যালাইন নেওয়া নাজায়েয। -সূত্র : আলাতে জাদিদা কে শরয়ি আহকাম: ১৫৩

প্রশ্ন : রমজান মাসে রোজা অবস্থায় অসুস্থতার কারণে এক ব্যক্তির বমি হয়। এর দ্বারা কি তার রোজা ভেঙ্গে গেছে? এখন তার করণীয় কী?

উত্তর : না, এ কারণে তার রোজা ভাঙ্গেনি। কেননা রোজা অবস্থায় অনিচ্ছাকৃত বমি হলে (যদি তা বেশিও হয়) রোজা ভাঙ্গে না। অবশ্য কেউ ইচ্ছাকৃত মুখ ভরে বমি করলে রোজা ভেঙ্গে যাবে। হাদিসে আছে, হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, রোজা অবস্থায় (অনিচ্ছাকৃত) বমি হলে তা কাজা করতে হবে না। কিন্তু ইচ্ছাকৃত বমি করলে সে যেন তা কাজা করে নেয়। -সূত্র : তিরমিজি, হাদিস ৭২০; আল মুহিতুল বুরহানি: ৩/৩২৬

এ জাতীয় আরও খবর

জিন্নাহর ভূমিকা অস্বীকারের সুযোগ নেই: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

শাহজালালের ৩য় টার্মিনালে ১২ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবে মেনজিস

রাজশাহীতে পদ্মায় হঠাৎ উঁচু ঢেউ, দেবে গেছে ৭৫ মিটার বাঁধ

জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রেস সচিব

৯৯ বিচারককে একযোগে বদলি

ডাকসু থেকে কোনো টাকা নেননি ভিপি-জিএস-এজিএস

প্রবাসীদের ভোটাধিকার হরণের চেষ্টার অভিযোগ জামায়াত আমিরের

৬ জুনের আগেই ইউপি নির্বাচন শেষ করার তাগিদ ইসির

বাদশাকে নিয়ে ইশার বিস্ফোরক দাবি

প্রোপাগান্ডাকে অভিযোগ হিসেবে নেওয়ায় দুদকের দক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন নাহিদের

অডিও ফাস: ক্যান্টনমেন্ট থানার ওসি প্রত্যাহার

এসআই আলতাফ হত্যায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর