,

রোগীরা কীভাবে রাখবেন রোজা

news-image

একজন মুসলমানের জন্য রোজা ফরয। তবে অনেক সময় শারীরিক অক্ষমতার জন্য রোজা রাখা সম্ভব হয় না। তবে কিছু রোগের ক্ষেত্রে খেয়াল করলেই সুস্থভাবে রোজা রাখা যায়। তাই এই রকম কিছু সমস্যায় রোগীরা কীভাবে রোজা রাখতে পারবেন তার কিছু উপায় জেনে নিন।

অ্যাসিডিটি সমস্যা-রোজা রাখলে অ্যাসিডিটি বাড়বে কথাটা ভুল। নিয়মিত খাবার গ্রহণ, নিয়মিত ঘুমানো ও ওষুধ গ্রহণ করলে অ্যাসিডিটি-এর সমস্যা হয় না। যারা এমন সমস্যায় ভুগছেন তারা অ্যাসিডিটি নিয়ন্ত্রণ করতে সেহরি ও ইফতারের সময় একটা করে ওষুধ খেতে পারেন। সাথে অবশ্যই ইফতারে ভাজা পোড়া খাবার খাবেন না। অনেক্ষণ না খেয়ে থাকতে হয় তাই সেহরিতে খাবারের পর দুইটি খেঁজুর খেতে পারেন।

ডায়াবেটিস-রোজা আসলেই ডায়াবেটিস রোগীরা দুশ্চিন্তায় পড়েন। মোট ১৫ ঘণ্টা না খেয়ে থাকার কারণে রোগীদের রক্তে সুগার-এর মাত্রা কমে বা বেড়ে যেতে পারে। আবার পানিশূন্যতাও দেখা দিতে পারে। ডায়াবেটিস রোগীদের রোজা রাখার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে পারেন। সেহরির সময় ডায়াবেটিস রোগীদের রুটি খাওয়া ভাল। কারণ, তা দীর্ঘ সময় পেটে থাকায় রক্তে গ্লুকোজ কমে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। রোজা থাকা অবস্থায় রোগী যদি হঠাৎ অজ্ঞান হয়ে যান তাহলে দ্রুত ৭/৮ চামচ চিনি মিশিয়ে এক গ্লাস শরবত খাইয়ে দিন। ইফতারের পর থেকে সেহরি পর্যন্ত কিছুক্ষণ পরপর পানি পান করুন।

হার্টের রোগ-হার্টের রোগীর ক্ষেত্রে রোজায় তেমন কোনো নিয়ম নেই। তবে এসময় ভাজা পোড়া খাবার, চর্বিজাতীয় খাবার এগুলো খাওয়া যাবে না। এসময় ব্যায়াম ঠিকমত না করতে পারায় ওজন বেড়ে যেতে পারে। তাই ইফতারের ২ ঘণ্টা পর হালকা ব্যায়াম করতে পারেন। যারা ওষুধ খান তারা ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে সময় নির্ধারণ করবেন। যারা নিয়মিত তারাবির নামাজ আদায় করেন তাদের ব্যায়াম না করলেও চলবে।

কিডনি রোগ-কিডনি রোগীদের ক্ষেত্রে রোজা রাখতে হলে বিশেষ সাবধানতা অবলম্বন করতে হয়। সুনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন, নিয়মিত ওষুধ খাওয়া, এমনকি পানি খাওয়ার ক্ষেত্রেও বিধি নিষেধ থাকে। কিডনির রোগীদের পক্ষে রোজা রাখা সম্ভব নয়। যারা ডায়ালাইসিস-এর রোগী, ঘড়ির কাঁটা দেখে তাদের ওষুধ খেতে হয় তাই তাদের পক্ষে রোজা রাখা প্রায় অসম্ভব।

গর্ভবতী ও প্রসূতি মা-গর্ভকালীন জটিলতা না থাকলে গর্ভবতী মায়েদের রোজা রাখতে কোনো অসুবিধা নেই। তবে চিকিৎসকের সাথে পরামর্শ করেই তবে রোজা রাখতে পারেন। প্রসূতি মায়েদের সেহরি ও ইফতারে প্রচুর তরল খাবার ও পানি খেতে হবে।

চোখের সমস্যা-চোখে ড্রপ দিলে তা মুখে যেতে পারে। চোখের সাথে নাকের যোগাযোগকারী একটি নালী আছে। তাই চোখে ড্রপ দেয়ার সময় চোখের ভিতরের কোনায় চেপে ধরলে নালীটি বন্ধ হয়ে যায়। ফলে ওষুধ নাকে বা গলায় যাওয়ার কোনো সম্ভাবনা থাকে না।

এ জাতীয় আরও খবর

জিন্নাহর ভূমিকা অস্বীকারের সুযোগ নেই: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

শাহজালালের ৩য় টার্মিনালে ১২ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবে মেনজিস

রাজশাহীতে পদ্মায় হঠাৎ উঁচু ঢেউ, দেবে গেছে ৭৫ মিটার বাঁধ

জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রেস সচিব

৯৯ বিচারককে একযোগে বদলি

ডাকসু থেকে কোনো টাকা নেননি ভিপি-জিএস-এজিএস

প্রবাসীদের ভোটাধিকার হরণের চেষ্টার অভিযোগ জামায়াত আমিরের

৬ জুনের আগেই ইউপি নির্বাচন শেষ করার তাগিদ ইসির

বাদশাকে নিয়ে ইশার বিস্ফোরক দাবি

প্রোপাগান্ডাকে অভিযোগ হিসেবে নেওয়ায় দুদকের দক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন নাহিদের

অডিও ফাস: ক্যান্টনমেন্ট থানার ওসি প্রত্যাহার

এসআই আলতাফ হত্যায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর