,

মাত্র ২৪ রানে অলআউট!

news-image

স্পোর্টস ডেস্ক : ম্যাচটা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত নয় বলে রক্ষা! না হয়, ওয়ানডেতে সবচেয়ে কম রানে অলআউট হওয়ার নজীরটা ওমান গড়েই ফেলতো। স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে লিস্ট ‘এ’ ম্যাচে গতকাল নিজেদের মাটিতে আল আমারাত ক্রিকেট গ্রাউন্ডে এশিয়ান এই দলটি টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে অলআউট হয়েছে মাত্র ২৪ রানে!

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে না হলেও লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটের ইতিহাসে এটা চতুর্থ সর্বনিম্ন স্কোর। সবার ওপরে এখানে আছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ অনূর্ধ্ব ১৯ দল। দলটি ২০০৭ সালের ১৭ অক্টোবর বার্বাডোসের বিপক্ষে মাত্র ১৮ রানে অলআউট হয়েছিল।

সর্বনিম্ন ১০টি স্কোরের কথা মাথায় রাখলে সেখানে দু’বার আছে বাংলাদেশের নাম। এর প্রথমটি ১৬-১৭ বছর আগের কথা। ঢাকায় সিলেট বিভাগের বিপক্ষে চট্টগ্রাম বিভাগ অলআউট হয়েছিল মাত্র ৩০ রানে। আর গেল ২০১৩ সালে ফতুল্লায় আবাহনীর বিপক্ষে ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগের ম্যাচে মাত্র ৩৫ রানে অলআউট হয়েছিল ক্রিকেট কোচিং স্কুল।

আন্তর্জাতিক ওয়ানডেতে সবচেয়ে কম রানে অলআউট হওয়ার নজীরটি জিম্বাবুয়ের দখলে। ২০০৪ সালে হারারেতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে তারা অলআউট হয় মাত্র ৩৫ রানে! জাতীয় দল বিবেচনা করলে এখন লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে জিম্বাবুয়েরও আগে থাকছে ওমানের নাম।

এদিন মাত্র আট রানের মধ্যে চারজন ব্যাটসম্যানকে খোয়ায় ওমান। সেখানে তারা লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে ২০ রানের নিচে অলআউট হওয়া তৃতীয় দল হওয়ার দুয়ারেই দাঁড়িয়ে ছিল। তবে তিন নম্বরে ব্যাট করতে নামা খাওয়ার আহমেদ সেটা হতে দেননি। ৩৩ বল খেলে তিনি একটি চারের সৌজন্যে করেন ১৫ রান। ওমানের ইনিংসে এই একটাই মাত্র চার।

এর বাইরে আর কেউই দুই অংকের ঘরে পৌঁছাতে পারেননি। দুই ওপেনারসহ ডাকের সংখ্যা ছয়টি। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ তিন রান এসেছে অতিরিক্ত খাত থেকে। ইনিংসটি স্থায়ী হয় ১৭.১ ওভার। এখানে আলাদা করে সন্দীপ গৌডের কথা না বললেই নয়। ভারতীয় বংশোদ্ভূত এই ক্রিকেটের ১৮ বল খেললেও কোনো রান না করেই ফিরে যান সাজঘরে।

ওমানের ব্যাটিংয়ে ধস নামান তিন ডানহাতি পেসার। এর মধ্যে রুয়াঢ্রি স্মিথ ও আদ্রিয়ান নেইল নিয়েছেন চারটি করে উইকেট। দু’জনই সাতটি করে রান হজম করেছেন। আর ১০ রান দিয়ে দুই উইকেট পেয়েছেন অ্যালাসডায়ার ইভান্স। আসলে, অধিনায়ক কাইল কোয়েত্জারের এই তিনজনের বাইরে অন্য কোনো বোলারকে আক্রমণে আনার প্রয়োজনই হয়নি।

জবাব দিতে নেমে স্কটল্যান্ড কোনো উইকেট না হারিয়েই পৌঁছে যায় জয়ের বন্দরে। দুই ওপেনার ম্যাথু ক্রস ও কাইল কোয়েত্জার যথাক্রমে ১০ ও ১৬ রান করে অপরাজিত থাকেন। লক্ষ্যে পৌঁছাতে স্কটিশদের সময় লাগে মাত্র ৩.২ ওভার!

এই নিয়ে দ্বিতীয়বারের মত ওমান লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেট ৪৫-এর নিচে অলআউট হলো। এর আগের নজীরটির দেখা মেলে ২০০৫ সালের জুলাইয়ে। সেবার আইসিসি ট্রফির ম্যাচে বৃষ্টির কারণে ২৪ ওভারে নেমে আসা ম্যাচে পাপুয়া নিউ গিনির দেওয়া ১৩৫ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে মাত্র ৪১ রানে সবগুলো উইকেট হারায় ওমান।

এ জাতীয় আরও খবর

জিন্নাহর ভূমিকা অস্বীকারের সুযোগ নেই: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

শাহজালালের ৩য় টার্মিনালে ১২ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবে মেনজিস

রাজশাহীতে পদ্মায় হঠাৎ উঁচু ঢেউ, দেবে গেছে ৭৫ মিটার বাঁধ

জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রেস সচিব

৯৯ বিচারককে একযোগে বদলি

ডাকসু থেকে কোনো টাকা নেননি ভিপি-জিএস-এজিএস

প্রবাসীদের ভোটাধিকার হরণের চেষ্টার অভিযোগ জামায়াত আমিরের

৬ জুনের আগেই ইউপি নির্বাচন শেষ করার তাগিদ ইসির

বাদশাকে নিয়ে ইশার বিস্ফোরক দাবি

প্রোপাগান্ডাকে অভিযোগ হিসেবে নেওয়ায় দুদকের দক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন নাহিদের

অডিও ফাস: ক্যান্টনমেন্ট থানার ওসি প্রত্যাহার

এসআই আলতাফ হত্যায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর