,

কে এই বিশ্ব রেকর্ড গড়া আলিস

news-image

স্পোর্টস ডেস্ক : আজ আলিস আল ইসলামের খোঁজ নেবে আন্তর্জাতিক মিডিয়াও। অচেনা-অখ্যাত এই বোলার যে একটি বিশ্ব রেকর্ড গড়েছেন। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে অভিষেকে হ্যাটট্রিকের কীর্তি আর কারও ছিল না। না ঘরোয়া টি-টোয়েন্টিতে, না আন্তর্জাতিক ম্যাচেও। সেই রেকর্ডটা আজ হয়ে গেল। নেট থেকে তুলে আনা এই বোলারকে তাঁর জীবনের স্মরণীয় একটা দিন উপহার দেওয়ার কৃতিত্ব ঢাকা ডায়নামাইটস কোচ খালেদ মাহমুদের।

আজ রংপুর রাইডার্সের বিপক্ষে নিজের তৃতীয় ও ইনিংসে ১৮তম ওভারের শেষ তিন বলে মোহাম্মদ মিঠুন, মাশরাফি বিন মুর্তজা ও ফরহাদ রেজাকে তুলে নিয়ে হ্যাটট্রিক করেছেন ২৩ বছর বয়সী এই অফ স্পিনার। ঢাকার প্রিমিয়ার লিগেই খেলেননি আজ অভিষিক্ত আলিস। ঢাকার প্রথম বিভাগের ক্রিকেটে অবশ্য খেলেছেন।

ম্যাচ সেরা হয়ে সংবাদ সম্মেলনে আসা আলিসকে তাই প্রথমেই নিজের পরিচয় বৃত্তান্ত দিতে হলো। নামটাও পরিষ্কার করে বলতে হলো, একটু অন্য রকম নাম বলে, ‘আমি আলিস আল ইসলাম। ঢাকা ডায়নামাইটসের নেট বোলার ছিলাম। আগে আমি ঢাকা প্রথম বিভাগে খেলেছি। নেট বোলিং করার সময় সুজন (ঢাকার কোচ খালেদ মাহমুদ) স্যার আমাকে দেখেন। দেখে ওনার বিশ্বাস হয় যে আমি ভালো করতে পারব, তারপর আমাকে টিমে নেন। তার পর টিম ম্যানেজমেন্ট, প্লেয়াররা আমাকে দারুণ সহযোগিতা করেছেন। সেখান থেকেই আজকের একাদশে।’

একাদশে থাকবেন সেটি গতকালই জেনেছেন। মানসিক প্রস্তুতিটা যেন নিতে পারেন। বলছিলেন, ‘গতকাল সন্ধ্যায় জানতে পারি খেলব। স্যার (খালেদ মাহমুদ) আমাকে ডেকে বলেন শারীরিক ও মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকতে। আমি প্রস্তুতই ছিলাম। এত বড় স্টেডিয়ামে, এত বড় টুর্নামেন্টে প্রথম খেলা নার্ভাস হওয়ার মতোই বিষয়। আমি প্রথমে নার্ভাস ছিলাম, তার পরও ভালো হয়েছে।’

ষষ্ঠ বোলার হিসেবে সাকিব বোলিংয়ে এনেছিলেন তাঁকে। এর মধ্যে ফিল্ডিংয়ে দুবার এমন ক্যাচ ফেলেছেন, মনে হচ্ছিল, এত দর্শক, ফ্লাড লাইডের আলোয় যেন ভড়কে গেছেন। সেখান থেকে ঘুরে দাঁড়িয়ে হ্যাটট্রিক!

নিজেই খোলাসা করলেন, ‘বিপিএলে এটা আমার প্রথম ম্যাচ। খোলাসা করে বলতে গেলে স্টেডিয়ামেই এটা আমার প্রথম ম্যাচ। আমি আসলে অনেক নার্ভাস ছিলাম। তবে ক্যাচ দুটি ড্রপ করার পর সতীর্থরা অনেক সাহস দিয়েছে। কোচ সাহস দিয়েছেন। সবাই অনেক সাহস দিয়েছেন। তাতে আমার মনে হয়েছে যে, ভালো জায়গায় বল করতে পারলে ভালো কিছু হতে পারে। আমি শুধু ভালো জায়গায় বল করতে চেয়েছি।’

নিজের উঠে আসার গল্পটাও খুব বড় কিছু নয়। সংক্ষেপেই দিলেন উত্তর, ‘আমি ক্রিকেট খেলা শুরু করি কাঁঠাল বাগান গ্রিন ক্রিসেন্ট ক্লাব থেকে। তারপর কয়েক বছর সেকেন্ড ডিভিশন খেলার পর ফাস্ট ডিভিশন খেলি। তারপর এই বিপিএল।’

বেড়ে ওঠা ঢাকার খুব কাছে, সাভারের বলিয়ারপুরে। আজ সেখানে নিশ্চয়ই আনন্দের বন্যা। নিজের তৃতীয় ওভারে অমন কীর্তির পরও কিন্তু ইনিংসের শেষ ওভারে বড় পরীক্ষা দিতে হয়েছে। প্রথম দুই বলে চার হজম করে মুহূর্তেই খলনায়কও হতে বসেছিলেন। তবে শেষ চার বলে রংপুরকে সুবিধা করতে দেননি। আলিসের কাছে হেরে গেছে মাশরাফির দল!

শেষের ওভারের সেই স্নায়ু পরীক্ষা সম্পর্কে বললেন, ‘আসলে প্রথম দুটি বল স্ট্যাম্পের বাইরে করেছি। যেটা শফিউল ভাই ভালো জায়গায় পেয়েছে। তারপর ভাবলাম স্ট্যাম্পের মধ্যে করি। আমি আত্মবিশ্বাসী ছিলাম, মনে হচ্ছিল পারব।’ প্রথম আলো

এ জাতীয় আরও খবর

জিন্নাহর ভূমিকা অস্বীকারের সুযোগ নেই: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

শাহজালালের ৩য় টার্মিনালে ১২ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবে মেনজিস

রাজশাহীতে পদ্মায় হঠাৎ উঁচু ঢেউ, দেবে গেছে ৭৫ মিটার বাঁধ

জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রেস সচিব

৯৯ বিচারককে একযোগে বদলি

ডাকসু থেকে কোনো টাকা নেননি ভিপি-জিএস-এজিএস

প্রবাসীদের ভোটাধিকার হরণের চেষ্টার অভিযোগ জামায়াত আমিরের

৬ জুনের আগেই ইউপি নির্বাচন শেষ করার তাগিদ ইসির

বাদশাকে নিয়ে ইশার বিস্ফোরক দাবি

প্রোপাগান্ডাকে অভিযোগ হিসেবে নেওয়ায় দুদকের দক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন নাহিদের

অডিও ফাস: ক্যান্টনমেন্ট থানার ওসি প্রত্যাহার

এসআই আলতাফ হত্যায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর