রবিবার, ২৬শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১১ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৩ জনকে মেরেছে এই বাঘ, তারপর…

news-image

গত দুই বছরে ১৩ জন মানুষকে হত্যা করার পর অবশেষে বন দপ্তরের হাতে নিহত হেো বাঘিনী অবনী। গত রাতে মহারাষ্ট্রের যভাতমলে মারা গেছে অবনী। এই তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদ সংস্থা এএনআই।চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে সুপ্রিম কোর্ট অনলাইন আবেদনগুলোতে সাড়া না দিয়েই জানায়, যে অবনী বা টি ওয়ান (সরকারি পরিচয়) কে দেখা গেলেই গুলি চালানো যেতে পারে।

প্রায় তিন মাস ধরে সর্বাধুনিক প্রযুক্তি সঙ্গে নিয়ে দেড়শ স্থল কর্মী, হাতি এবং ট্র্যাকার বিশেষজ্ঞ এবং শ্যুটার অবনীকে খুঁজে বের করার চেষ্টা করে।টিপেশ্বর ব্যাঘ্র অভয়ারণ্যের আশেপাশে বন কর্মকর্তাদের একটি দলসহ ট্র্যাপ ক্যামেরা, ড্রোন, প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত স্নিফার কুকুরের দল এবং হ্যাং-গ্লাইডারের সহায়তায় ওই বাঘিনীর খোঁজ চলছিল। বন বিভাগ বিতর্কিত প্রাইভেট মার্কসম্যান শাফাত আলি খানকেও এই কাজে নিয়োগ করে।

অবনীকে প্রথম ২০১২ সালে যভাতমলের জঙ্গলে দেখা গিয়েছিল। ডিএনএর প্রমাণ অনুযায়ী তার আশেপাশের এলাকায় পাওয়া ১৩ টি লাশের মধ্যে পাঁচটি হত্যাকাণ্ডের সাথে সেই যুক্ত।জীববিজ্ঞানী ও বন বিভাগের কর্মকর্তাদের যারা গত কয়েক বছরে এলাকাটি জরিপ করেছেন, তারা জানিয়েছেন যে, সেখানে কেবল একটিই বাঘ রয়েছে। সেই বাঘটি পুরুষ। ওই বাঘের ডিএনএ লাশের সঙ্গে পাওয়া গেছে।

গত মাসে, মুম্বাই হাইকোর্টের নাগপুর বেঞ্চ একটি পিটিশনে সাড়া দেয়। যেখানে বাঘিনীকে হত্যা করার পরিবর্তে জীবিত ধরার পরিকল্পনার কথাই বলা হয়েছিল।ওয়াইল্ড লাইফ অ্যাক্টিভিস্ট জেরিল এ বানাইত ১১ সেপ্টেম্বরের সুপ্রিম কোর্টের আদেশ মাথায় রেখে জানান, বাঘিনীকে হত্যা করলে তার বাচ্চারা অনাথ হয়ে পড়বে। সে কারণে বন বিভাগ যদি তাকে জীবিত ধরতে পারে তাহলেই ভালো।