‘নোবেল শান্তি পুরস্কার আমারই প্রাপ্য’: ট্রাম্প
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য তিনি যোগ্য। তবে ২০২৬ সালের পুরস্কার তাঁকে দেওয়া হবে কি না, তা নিয়ে সংশয়ও প্রকাশ করেছেন তিনি।
বুধবার হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ বছরের নোবেল শান্তি পুরস্কার প্রসঙ্গে ট্রাম্প বলেন, নোবেল কমিটি কী সিদ্ধান্ত নেবে তা তিনি জানেন না। তাঁর দাবি, তাঁর মতো ব্যক্তিদের পুরস্কার না দেওয়ার একটি প্রবণতা রয়েছে কমিটির।
নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটি শুক্রবার ২০২৬ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কারের বিজয়ীর নাম ঘোষণা করার কথা রয়েছে।
দ্বিতীয় মেয়াদে হোয়াইট হাউসে ফেরার পর থেকেই নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়ার যোগ্যতা নিয়ে একাধিকবার কথা বলেছেন ট্রাম্প। বুধবার ওভাল অফিসেও তিনি বলেন, পুরস্কার দেওয়ার ক্ষেত্রে এখনই উপযুক্ত সময় বলে তিনি মনে করেন।
এর আগে ২০২৫ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কারের পদক ট্রাম্পের হাতে তুলে দিয়েছিলেন ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেত্রী মারিয়া কোরিনা মাচাদো। ভেনেজুয়েলার রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন পাওয়ার প্রত্যাশার প্রেক্ষাপটে তিনি এই পদক ট্রাম্পকে দেন।
ট্রাম্পের দাবি, দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনি অন্তত আটটি সংঘাত বা বিরোধে হস্তক্ষেপ করেছেন। এসব ভূমিকার কারণেই নিজেকে নোবেল শান্তি পুরস্কারের উপযুক্ত মনে করেন তিনি।
কম্বোডিয়া, ইসরায়েল ও পাকিস্তানের নেতারা ট্রাম্পকে নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য মনোনয়নের কথা জানিয়েছেন। তবে এসব মনোনয়ন স্বাধীনভাবে যাচাই করার সুযোগ নেই।
ট্রাম্প যেসব সংঘাত নিরসনে নিজের ভূমিকার কথা উল্লেখ করেন, সেগুলোর কয়েকটির ক্ষেত্রে পরিস্থিতি পুরোপুরি স্থিতিশীল হয়নি। কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র এবং কম্বোডিয়া-থাইল্যান্ড সীমান্তে আবারও সংঘাতের খবর পাওয়া গেছে।
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ দ্রুত শেষ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েই দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব শুরু করেছিলেন ট্রাম্প। তবে এখনো ওই যুদ্ধের স্থায়ী সমাধান হয়নি।
এদিকে ইরানকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক হামলার পর দীর্ঘস্থায়ী সংঘাত বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে প্রভাব ফেলেছে। এর প্রভাব যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি বাজারেও পড়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
২০২৬ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কারের সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকায় পোপ লিও, আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) এবং ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডবিষয়ক বিশেষ র্যাপোর্টিয়ারের নামও আলোচনায় রয়েছে।
সূত্র: রয়টার্স











