গাজী নজরুলের সঙ্গে সম্পর্কের পেছনে মামাকে দায়ী করলেন মরিয়মের বাবা
অনলাইনডেস্ক : সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের সঙ্গে তাঁর মেয়ে মরিয়ম খাতুনের সম্পর্কের পেছনে মরিয়মের মামা ওবায়দুর রহমানকে দায়ী করেছেন তাঁর বাবা এস এম মাসুম বিল্লাহ। তাঁর অভিযোগ, ওবায়দুরের কারণেই মরিয়ম এই সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন এবং পরে অর্থের লোভ দেখিয়ে তাঁকে এমন পরিস্থিতিতে ঠেলে দেওয়া হয়।
সোমবার বেলা ১১টার দিকে রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় এসব কথা বলেন মাসুম বিল্লাহ। মেয়ের মরদেহের জন্য সেখানে অপেক্ষা করছিলেন তিনি ও তাঁর স্ত্রী।
মাসুম বিল্লাহ বলেন, তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত চান। একই সঙ্গে প্রকৃত ঘটনা বের করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি।
মেয়ের সঙ্গে শেষ কথোপকথন সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, তাঁর সঙ্গে মরিয়মের খুব বেশি কথা হতো না। তবে সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের সঙ্গে মরিয়মের নিয়মিত যোগাযোগ ছিল বলে জানান তিনি।
ওবায়দুর রহমানের বিষয়ে অভিযোগ তুলে মাসুম বিল্লাহ বলেন, মরিয়ম তাঁকে খুব বিশ্বাস করতেন। পরে নিজের অবস্থার জন্য অনুতপ্ত হয়ে পরিবারের কাছে দুঃখ প্রকাশ করতেন বলেও জানান তিনি।
মরিয়মের বাবা আরও দাবি করেন, ওবায়দুরের সঙ্গে ওই ঘটনা না ঘটলে মরিয়মকে ন্যাম ভবনের বাসায় গিয়ে থাকতে হতো না। তাঁর মতে, পরবর্তী ঘটনাপ্রবাহের সঙ্গেও বিষয়টির যোগসূত্র রয়েছে।
রোববার সন্ধ্যায় ন্যাম ভবনের ৫ নম্বর ভবনের ২০৩ নম্বর ফ্ল্যাট থেকে মরিয়ম খাতুনের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনার সময় ওই ফ্ল্যাটে গাজী নজরুল ইসলাম ও তাঁর প্রথম স্ত্রী মাকসুদা বেগম ছিলেন বলে জানা গেছে। পরে তাঁদের পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়।
ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করেছে পুলিশ ও সিআইডির ক্রাইম সিন ইউনিট। মরিয়মের হাতে লেখা কয়েকটি চিঠিও উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এ ঘটনায় রাতেই গাজী নজরুল ইসলাম, তাঁর স্ত্রী মাকসুদা ইসলাম এবং মরিয়মের মামা ওবায়দুর রহমানের বিরুদ্ধে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে মামলা করেন মরিয়মের বাবা এস এম মাসুম বিল্লাহ।
এর আগে ২০ জুলাই গাজী নজরুল ইসলাম ও মরিয়ম খাতুনের একটি অন্তরঙ্গ ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। পরে এ ঘটনায় গাজী নজরুল ইসলামকে জামায়াতে ইসলামী দল থেকে বহিষ্কার করে











