বুধবার, ২৯শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১৪ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিক্ষার্থীদের বাংলা ব্লকেডে অচল হয়ে পড়েছিল রাজধানী

news-image

অনলাইন ডেস্ক : ২০২৪ সালের ৮ জুলাই সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের ডাকা ‘বাংলা ব্লকেড’ কর্মসূচির দ্বিতীয় দিনে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ব্যাপক বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ হয়। এতে ঢাকার যান চলাচল কার্যত স্থবির হয়ে পড়ে।

এ কর্মসূচিতে রাজধানীর শাহবাগ, ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড়, বাংলামটর, মিন্টো রোড, ফার্মগেট, কারওয়ান বাজার, কাঁটাবন, নীলক্ষেত, সায়েন্সল্যাব, চানখাঁরপুল ও গুলিস্তানসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় অবস্থান নেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন স্থানে সড়ক ও রেলপথ অবরোধ করেন তারা।

অবরোধ শেষে আন্দোলনের সমন্বয়করা সরকারকে তিন দিনের সময় বেঁধে দেন। একই দিনে ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন’-এর ব্যানারে ৬৫ সদস্যের একটি সমন্বয়ক কমিটি গঠন করা হয়। এর মধ্যে ২৩ জনকে সমন্বয়ক এবং ৪২ জনকে সহ-সমন্বয়ক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়।

আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় পরবর্তী কর্মসূচিও ঘোষণা করা হয়। এর মধ্যে ৯ জুলাই ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন ও গণসংযোগ এবং ১০ জুলাই সারাদেশে সর্বাত্মক ব্লকেড কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়া হয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মিছিল বের করে শিক্ষার্থীরা পরে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়কে অবস্থান নেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের একটি অংশ শাহবাগ ও কারওয়ান বাজার এলাকায় অবস্থান নেয়। তেজগাঁও কলেজ ও সরকারি তিতুমীর কলেজের শিক্ষার্থীরা ফার্মগেট এলাকায় এবং মিরপুর সরকারি বাঙলা কলেজের শিক্ষার্থীরা গাবতলী এলাকায় অবস্থান নেন।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও পুরান ঢাকার বিভিন্ন সড়কে বিক্ষোভ করেন। তারা মিছিল নিয়ে তাঁতীবাজার ও বংশাল এলাকায় অবস্থান নিলে যান চলাচল ব্যাহত হয়। পরে অবরোধ তুলে নেওয়ার পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও কর্মসূচিতে অংশ নেন। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ঢাকা-রাজশাহী রেলপথ অবরোধ করেন। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক অবরোধ করেন। বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ঢাকা-ময়মনসিংহ রেলপথে অবস্থান নিয়ে ট্রেন চলাচল বন্ধ রাখেন।

এছাড়া শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সিলেট-সুনামগঞ্জ সড়ক, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ও চট্টগ্রাম কলেজের শিক্ষার্থীরা ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ঢাকা-সাতক্ষীরা মহাসড়ক এবং বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ঢাকা-রংপুর মহাসড়কে বিক্ষোভ করেন।

শিক্ষার্থীদের টানা কর্মসূচিতে দেশের বিভিন্ন স্থানে যান চলাচল ও স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হয়। পরবর্তী সময়ে আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় শাটডাউন, কমপ্লিট শাটডাউনসহ আরও কর্মসূচি আসে, যা দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বড় প্রভাব ফেলে।

এ জাতীয় আরও খবর

গর্ভবতী নারীর হেপাটাইটিস বি থাকলে যা করবেন

লিভার ভালো রাখতে যা খাবেন, যা এড়িয়ে চলবেন

বাংলাদেশি যুবককে বিয়ে করলেন পাকিস্তানি ভ্লগার

সাকিবকে ছাড়িয়ে শীর্ষে পরীমনি

বুধবার সারা দেশে বিক্ষোভ সমাবেশের ডাক এনসিপির

হবিগঞ্জে এনসিপির গাড়িবহরে হামলা, সারজিসসহ আহত অনেকে

স্নিগ্ধা ইস্যুতে জেবার দাবি, ‘আমাকে ভুলভাবে জড়ানো হচ্ছে’

রাবিতে মারধরের ঘটনায় আহত দুই শিক্ষার্থী গ্রেপ্তার

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রস্তুতি সম্পন্ন, দিনক্ষণ চূড়ান্ত নয়

ট্রাম্প-নেতানিয়াহুর প্রথম বৈঠক, আলোচনায় ইরান যুদ্ধ

সরকারি নিয়োগ বাতিলের দাবি জামায়াতের

শাহজালালে অতিরিক্ত ফ্লাইট অনুমোদন স্থগিত