,

মহাকাশে উড়ল বিশ্বকাপের বল

news-image

অনলাইন ডেস্ক : ফিফা বিশ্বকাপের ইতিহাসে নতুন এক মাইলফলক স্থাপিত হয়েছে। প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের অফিসিয়াল ম্যাচ বলকে মহাকাশে নিয়ে গিয়ে বিশেষ পরীক্ষা চালিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। ২০২৬ বিশ্বকাপের অফিসিয়াল বল ‘ট্রিওন্ডা’কে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে (আইএসএস) নিয়ে এর গতি, ভারসাম্য এবং গতিপথ নিয়ে গবেষণা করা হয়েছে।

নাসার বিজ্ঞানীরা জানান, অতি-নিম্ন মাধ্যাকর্ষণ পরিবেশে বলের আচরণ কেমন হয় এবং এর ভরকেন্দ্র ও ভারসাম্য কীভাবে কাজ করে, তা বিশ্লেষণ করতেই এই পরীক্ষা পরিচালিত হয়েছে। এর মাধ্যমে বোঝার চেষ্টা করা হয়েছে, একটি ফুটবলের নকশা ও ভারসাম্য কতটা নিখুঁত হলে মাঠে তার গতিপথ আরও নির্ভুল ও স্থিতিশীল হয়।

নাসা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানায়, বিশ্বকাপের অফিসিয়াল বলকে মহাকাশে নেওয়ার এই উদ্যোগের লক্ষ্য হলো নতুন প্রজন্মকে দেখানো যে মহাকাশ গবেষণা শুধু বিজ্ঞানেই নয়, খেলাধুলা ও দৈনন্দিন জীবনের প্রযুক্তিগত উন্নয়নেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

‘ট্রিওন্ডা’ তৈরি করেছে অ্যাডিডাস এবং এটি ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের অফিসিয়াল ম্যাচ বল। এর নামের উৎস স্প্যানিশ শব্দ ‘ত্রেস ওন্ডাস’, যার অর্থ ‘তিনটি ঢেউ’। নামটি যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিতব্য বিশ্বকাপকে প্রতীকীভাবে তুলে ধরে।

বলটির নকশায় তিন স্বাগতিক দেশের পরিচয় ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। লাল, সবুজ ও নীল রঙের সমন্বয়ের পাশাপাশি এতে ব্যবহার করা হয়েছে বিশেষ চার-প্যানেলের কাঠামো এবং ত্রিভুজাকৃতির ডিজাইন। এছাড়া কানাডার ম্যাপল পাতা, মেক্সিকোর জাতীয় প্রতীক ঈগল এবং যুক্তরাষ্ট্রের তারকা চিহ্নও এতে সংযুক্ত করা হয়েছে।

প্রযুক্তিগতভাবে বলটি বেশ আধুনিক। এতে থাকা ৫০০ হার্টজ গতিসংবেদী সেন্সর ম্যাচ চলাকালে বলের গতিবিধি সম্পর্কে তাৎক্ষণিক তথ্য সরবরাহ করতে সক্ষম। এই প্রযুক্তি ভিএআর ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করতে সহায়তা করবে, বিশেষ করে অফসাইড ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণে।

ফিফার তথ্যমতে, বলটির বিশেষ পৃষ্ঠতল ও গভীর সিম ডিজাইন বাতাসে এর স্থিতিশীলতা বাড়ায় এবং প্রতিকূল আবহাওয়াতেও খেলোয়াড়দের বল নিয়ন্ত্রণ সহজ করে।

মহাকাশ বিজ্ঞান ও ফুটবল প্রযুক্তির এই ব্যতিক্রমী সমন্বয় বিশ্বকাপের ইতিহাসে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এ ধরনের গবেষণা ভবিষ্যতে ক্রীড়া প্রযুক্তির আরও উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

এ জাতীয় আরও খবর

ডাকসুর সংগ্রহশালায় জিন্নাহর ছবি কেন, জানালেন জিএস ফরহাদ

শিশুদের সম্ভাবনা বিকশিত করতে মুক্ত পরিবেশ নিশ্চিতের আহ্বান জুবাইদা রহমানের

‘বৃত্তি-উপবৃত্তিতে সমতা নয়, প্রয়োজনের ভিত্তিতে অগ্রাধিকার’

রাজউকে দুদকের হানা

বীমা খাতে ৭ হাজার কোটি টাকার দাবি বকেয়া

অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দ্বারস্থ ৭ সাবেক অধিনায়ক

ট্রাম্পের সমঝোতার ঘোষণার পরই কিয়েভে পেট্রল স্টেশনে হামলা

এস কে সুরের স্ত্রীর দুই বছরের কারাদণ্ড

সাদ্দাম-ইনানসহ ৭ আসামির মৃত্যুদণ্ডের রায়ে ঢাবিতে মিষ্টি বিতরণ

সৎ থাকাটাই সবচেয়ে বড় অপরাধ: আসিফ মাহমুদ

পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির প্রভাবে সংকটে গরুর মাংসের বাজার

যেসব অভিযোগে ওবায়দুল কাদেরসহ সাতজনের মৃত্যুদণ্ড