,

যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে সই যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের

news-image

অনলাইন ডেস্ক : চার মাস ধরে চলা সংঘাতের পর যুদ্ধ বন্ধে অন্তর্বর্তীকালীন সমঝোতা স্মারকে সই করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। এই চুক্তির মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা প্রশমনের নতুন পথ তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।

ফ্রান্সের ভার্সাই প্রাসাদে অনুষ্ঠিত এক অনুষ্ঠানে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। পরে সাংবাদিকদের কাছে তিনি বিষয়টি নিশ্চিত করেন। অন্যদিকে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানও চুক্তিতে সই করার বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকার করেছেন।

তবে চুক্তি কার্যকরের প্রথম দিনেই কঠোর বার্তা দিয়েছেন ট্রাম্প। তিনি সতর্ক করে বলেন, ইরান যদি সমঝোতার শর্ত ভঙ্গ করে, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র আবারও সামরিক পদক্ষেপ নিতে পারে। এমনকি প্রয়োজনে দেশটির শীর্ষ পর্যায়ের ব্যক্তিদেরও লক্ষ্যবস্তু করা হতে পারে বলে ইঙ্গিত দেন তিনি।

জি-৭ সম্মেলনের ফাঁকে সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, চুক্তি লঙ্ঘন হলে কঠোর প্রতিক্রিয়া জানানো হবে। যদিও ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে পূর্বের অবস্থান থেকে কিছুটা নমনীয় মনোভাবও প্রকাশ করেন তিনি।

অন্যদিকে তেহরানে চুক্তিটিকে গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক সাফল্য হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। ইরানের প্রধান আলোচক মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ বলেন, সামরিক সংঘাতের তুলনায় আলোচনার মাধ্যমে আরও বেশি অর্জন সম্ভব হয়েছে।

সমঝোতার আওতায় ইরানের অবরুদ্ধ বিপুল পরিমাণ সম্পদ মুক্ত করা, নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা এবং দেশটির অর্থনৈতিক পুনর্গঠনে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার সুযোগ তৈরি হবে বলে জানা গেছে।

ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাখোঁ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রাম্পের স্বাক্ষরের একটি ভিডিও প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে জানানো হয়, ট্রাম্প ও পেজেশকিয়ান ডিজিটাল স্বাক্ষরের মাধ্যমে ইংরেজি ও ফারসি ভাষায় চুক্তিটি অনুমোদন করেছেন।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার থেকেই চুক্তির কার্যকারিতা শুরু হয়েছে। এভিয়ান-লে-ব্যাঁ শহরে অনুষ্ঠিত জি-৭ সম্মেলনে অংশ নেওয়া বিশ্বনেতারাও এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন এবং লেবাননসহ অঞ্চলে দ্রুত যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়েছেন।

তবে আলোচনার বাইরে থাকা ইসরায়েল দক্ষিণ লেবাননে তাদের সামরিক উপস্থিতি অব্যাহত রাখার কথা জানিয়েছে। দেশটি বলেছে, প্রয়োজনে নিজেদের নিরাপত্তার স্বার্থে সামরিক ব্যবস্থা নেওয়ার অধিকার তারা সংরক্ষণ করবে।

উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযানের মধ্য দিয়ে সংঘাতের সূচনা হয়। পরবর্তীতে তা আঞ্চলিক যুদ্ধে রূপ নেয় এবং ইরান ও লেবাননসহ বিভিন্ন এলাকায় হাজারো মানুষের প্রাণহানি ঘটে। এছাড়া বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার, মূল্যস্ফীতি এবং খাদ্য নিরাপত্তার ওপরও এর প্রভাব পড়ে।

এ জাতীয় আরও খবর

নবীনগরে প্রশাসনকে এমপি মান্নান: জনগণকে হয়রানিমুক্ত সেবা দিন

নবীনগরে পূর্ণাঙ্গ ফৌজদারি আদালত প্রতিষ্ঠার দাবি

নরম হয়ে যাওয়া ভাত ঝরঝরে করার সহজ উপায়

সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা, এমপির জামাতা গ্রেপ্তার

রাড্ডা ক্লিনিক চালুতে ৫০ লাখ টাকা অনুদান জামায়াতের

মধ্যরাতে ছাপাখানা পরিদর্শনে শিক্ষামন্ত্রী, দেখলেন পাঠ্যবইয়ের মান

ওয়েজ বোর্ড ও সাংবাদিকদের অধিকার বাস্তবায়নে কাজ করছে সরকার

কিশোর গ্যাং নিয়ন্ত্রণে নতুন কৌশল খুঁজছে পুলিশ

চীন-আমিরাতের সঙ্গে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে গুরুত্ব প্রধানমন্ত্রীর

দখল-চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে কঠোর হচ্ছে সরকার

সুশান্তের পোস্টমর্টেম নিয়ে ৬ বছর পর বোনের নতুন দাবি

বাংলাদেশের বিশেষায়িত ওষুধে শুল্ক ছাড় দিল যুক্তরাষ্ট্র