,

এক শাকিরার হাতেই চার বিশ্বকাপ

news-image

ফয়সাল আহমেদ
ফুটবল বিশ্বকাপের খেলাগুলো যেমন বিশ্ব কাঁপায়, তার চেয়ে কম আলোচনায় থাকে না এর গানগুলো। তবে সব গান বা সব শিল্পী না! আমাদের দেশের সাধারণ শ্রোতাদের কাছে ফুটবলের গান নিয়ে সবচেয়ে জনপ্রিয় নাম শাকিরা। তার গাওয়া ‘ওয়াকা ওয়াকা’ পুরো বিশ্বেই কম্পন তুলেছিল, যা এখনও চলমান। ফলে বিশ্বকাপ ফুটবলের থিম সং মনে হলেই ‘ওয়াকা ওয়াকা’র কথা মনে পড়ে সবার আগে। ল্যাটিন পপস্টার শাকিরা এই গান দিয়ে সবার হৃদয় জয় করেছিলেন ২০১০ বিশ্বকাপে।

এর আগে তার জনপ্রিয় গান ‘হিপস ডোন্ট লাই’-এর ‘ব্যাম্বু রিমিক্স’ ভার্সন ব্যবহার করা হয় ২০০৬ সালের বিশ্বকাপে। ২০১৪ সালেও এই কলম্বিয়ান গায়িকা ‘লা লা লা’ দিয়ে ওয়ার্ল্ড কাপ মাতান আবেদনময় সাজপোশাকে। এই বিশ্বকাপে আবার তিনি হাজির হয়েছেন তার ক্যাচি ট্র্যাক ‘দাই দাই’ নিয়ে, যা ইতোমধ্যে অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়েছে।

২০০৬

ফুটবল বিশ্বকাপের সময় কলম্বিয়ান এই তারকা গেয়েছিলেন ‘হিপস ডোন্ট লাই (বাম্বো সংস্করণ)’। গানটি ফিফার আনুষ্ঠানিক বিশ্বকাপ সংগীত না হলেও টুর্নামেন্টজুড়ে এটি ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। বিশ্বকাপের উচ্ছ্বাস আর শাকিরার নাচ-গানের মিশেলে তৈরি হয়েছিল এক বিশেষ আবহ।

২০১০

শাকিরা ও বিশ্বকাপের সম্পর্ক চিরস্থায়ী হয়ে যায় ২০১০ সালে। দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বকাপের অফিশিয়াল গান ‘ওয়াকা ওয়াকা : দিস টাইম ফর আফ্রিকা’ প্রকাশের পর মুহূর্তেই বিশ্বজুড়ে সাড়া ফেলে। আজও বিশ্বকাপের কথা উঠলে কানে প্রথমে বাজে সেই গান। এটি শুধু একটি গান ছিল না; ছিল একটি বৈশ্বিক উৎসবের প্রতীক। আফ্রিকান সুর, শাকিরার কণ্ঠ এবং ফুটবলের আবেগ একসঙ্গে মিশে এমন এক স্মৃতি তৈরি করে, যা এক দশকেরও বেশি সময় ধরে টিকে আছে।

২০১৪

ব্রাজিল বিশ্বকাপে শাকিরা আবারও হাজির হন ‘লা লা লা (ব্রাজিল ২০১৪)’ গান নিয়ে। সেটিও অফিশিয়াল সংগীত ছিল না, তবু জনপ্রিয়তায় কোনো অংশে কম ছিল না। বিশ্বকাপের গান নিয়ে শাকিরার আধিপত্য তখন আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে। ২০১৮ রাশিয়া বিশ্বকাপে ‘লাইভ ইট আপ’ এবং ২০২২ কাতার বিশ্বকাপে ‘হায়া হায়া’সহ নতুন নতুন গান এলেও অনেক ফুটবলপ্রেমীর কাছে বিশ্বকাপের নস্টালজিয়া এখনও শাকিরাকেন্দ্রিক।

২০২৬

এবার বিশ্বকাপে ফিরেছেন শাকিরা। নাইজেরিয়ান সংগীতশিল্পী বার্না বয়ের সঙ্গে গেয়েছেন টুর্নামেন্টের অফিশিয়াল গান ‘দাই দাই’। এর মধ্য দিয়ে আবার বিশ্বকাপের সুরে নিজের উপস্থিতি জানান দিলেন তিনি। এবারের বিশ্বকাপের গান নিয়ে শাকিরা বলেন, ‘এই গানটি মূলত সেসব শিশুর জন্য, যাদের স্বপ্নকে অসম্ভব বা অতিরিক্ত বড় বলে মনে করা হয়। প্রতিটি চ্যাম্পিয়ন একসময় সাধারণ শিশু ছিল, যারা নানা প্রতিকূলতা ও সংগ্রামের মুখোমুখি হয়েছে। তবে কারও বিশ্বাস ও সমর্থন তাদের এগিয়ে যেতে সাহায্য করেছে এবং স্বপ্ন পূরণের পথ দেখিয়েছে।’

 

এ জাতীয় আরও খবর

ডাকসুর সংগ্রহশালায় জিন্নাহর ছবি কেন, জানালেন জিএস ফরহাদ

শিশুদের সম্ভাবনা বিকশিত করতে মুক্ত পরিবেশ নিশ্চিতের আহ্বান জুবাইদা রহমানের

‘বৃত্তি-উপবৃত্তিতে সমতা নয়, প্রয়োজনের ভিত্তিতে অগ্রাধিকার’

রাজউকে দুদকের হানা

বীমা খাতে ৭ হাজার কোটি টাকার দাবি বকেয়া

অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দ্বারস্থ ৭ সাবেক অধিনায়ক

ট্রাম্পের সমঝোতার ঘোষণার পরই কিয়েভে পেট্রল স্টেশনে হামলা

এস কে সুরের স্ত্রীর দুই বছরের কারাদণ্ড

সাদ্দাম-ইনানসহ ৭ আসামির মৃত্যুদণ্ডের রায়ে ঢাবিতে মিষ্টি বিতরণ

সৎ থাকাটাই সবচেয়ে বড় অপরাধ: আসিফ মাহমুদ

পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির প্রভাবে সংকটে গরুর মাংসের বাজার

যেসব অভিযোগে ওবায়দুল কাদেরসহ সাতজনের মৃত্যুদণ্ড