,

মসজিদের ইমাম প্রচার করছিলেন খ্রিস্টান ধর্ম!

news-image

সদরপুর ও ভাঙ্গা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি : ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার কাউলিবেড়া ইউনিয়নের মাইঝাইল পশ্চিমপাড়া জামে মসজিদের ইমামকে নিয়ে চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। প্রায় আট মাস ধরে ওই মসজিদে ইমাম হিসেবে দায়িত্ব পালন করা দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে খ্রিস্টান ধর্মের অনুসারী হয়ে গোপনে ধর্মীয় প্রচারণা চালানোর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা সৃষ্টি হলে গতকাল বুধবার দুপুরে ওই দুজনকে আটক করেছে পুলিশ।

আটক হওয়া ওই দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে আজ বৃহস্পতিবার মামলা দায়ের করা হয়েছে।

আটকরা হলেন বাগেরহাট জেলার ডুবাতলা এলাকার আবুল কাশেমের ছেলে সরোয়ার হোসেন (৪৫) এবং একই জেলার মনির খা এলাকার রস্তুম আলীর ছেলে মো. হাবিব উল্লাহ (৪৫)।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গতকাল দুপুরে বিষয়টি প্রথম নজরে আসে হাফেজ মাওলানা শফিকুল ইসলামের। তিনি ওই দুই ইমামের আচরণ ও কথাবার্তায় সন্দেহ হলে বিষয়টি স্থানীয় ইমাম, মসজিদ কমিটির সদস্য এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের অবহিত করেন। পরে বিষয়টি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে জনমনে ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দেয়।

মসজিদ কমিটির সহসভাপতি আইয়ুব আলী বেপারী জানান, অভিযোগের পর ইমামদের থাকার কক্ষে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় সেখানে খ্রিস্টান ধর্মসংক্রান্ত বিভিন্ন লিফলেট, কাগজপত্র ও যিশু খ্রিস্ট সম্পর্কিত বই পাওয়া যায়। এসব আলামত দেখে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে বলে দাবি করেন তিনি।

পরবর্তীতে মসজিদ কমিটির পক্ষ থেকে ভাঙ্গা থানায় অবহিত করা হলে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ওই দুজনকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

 

এ বিষয়ে মুফতি শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমার পাশের মসজিদের ইমাম হাবিবুল্লাহ আমাকে বিভিন্ন সময় বিপুল অর্থ, উন্নত দেশে ভ্রমণসহ নানা প্রলোভন দেখিয়ে খ্রিস্টান হওয়ার প্রস্তাব দেয়। বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার জন্য আমি ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করি এবং পরে স্থানীয়দের জানিয়ে তাকে হাতেনাতে ধরি।’

ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল আলীম বলেন, ‘ভাঙ্গার মাইঝাইল এলাকার একটি মসজিদ থেকে অন্য ধর্মের প্রচারণামূলক লিফলেট ও বইসহ দুজনকে স্থানীয়রা আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ধারণা করা হচ্ছে, তারা কিছু সুযোগ-সুবিধার লোভে পড়ে খ্রিস্টান ধর্মের প্রচার-প্রচারণায় জড়িত ছিল। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে এবং তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানানো হবে।’

 

এ জাতীয় আরও খবর

ডাকসুর সংগ্রহশালায় জিন্নাহর ছবি কেন, জানালেন জিএস ফরহাদ

শিশুদের সম্ভাবনা বিকশিত করতে মুক্ত পরিবেশ নিশ্চিতের আহ্বান জুবাইদা রহমানের

‘বৃত্তি-উপবৃত্তিতে সমতা নয়, প্রয়োজনের ভিত্তিতে অগ্রাধিকার’

রাজউকে দুদকের হানা

বীমা খাতে ৭ হাজার কোটি টাকার দাবি বকেয়া

অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দ্বারস্থ ৭ সাবেক অধিনায়ক

ট্রাম্পের সমঝোতার ঘোষণার পরই কিয়েভে পেট্রল স্টেশনে হামলা

এস কে সুরের স্ত্রীর দুই বছরের কারাদণ্ড

সাদ্দাম-ইনানসহ ৭ আসামির মৃত্যুদণ্ডের রায়ে ঢাবিতে মিষ্টি বিতরণ

সৎ থাকাটাই সবচেয়ে বড় অপরাধ: আসিফ মাহমুদ

পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির প্রভাবে সংকটে গরুর মাংসের বাজার

যেসব অভিযোগে ওবায়দুল কাদেরসহ সাতজনের মৃত্যুদণ্ড