,

পর্যটকে মুখর খাগড়াছড়ি

news-image

জেলা প্রতিনিধি : পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে খাগড়াছড়ির পর্যটন কেন্দ্রগুলো এখন লোকে লোকারণ্য। ঈদের দিন থেকেই প্রতিটি পর্যটনকেন্দ্রে দর্শনার্থীদের উপচেপড়া ভিড় দেখা গেছে। ঈদের তৃতীয় ও চতুর্থ দিনেও খাগড়াছড়ির আলুটিলা পর্যটন কেন্দ্র, রিছাং ঝর্না ও জেলা পরিষদ হর্টিকালচার পার্ক পর্যটকের পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠে। এবারের ঈদে স্থানীয় পর্যটকের পাশাপাশি বিভিন্ন জেলা থেকে খাগড়াছড়িতে ছুটে যান হাজারো পর্যটক।

সাজেকের প্রবেশদ্বার পাহাড়ি জেলা খাগড়াছড়ির আলুটিলা পর্যটন কেন্দ্র, রিছাং ঝর্ণা ও জেলা পরিষদ হর্টিকালচার পার্ক পর্যটকদের আকর্ষণের শীর্ষে রয়েছে। এছাড়া আলুটিলার ভিন্নধর্মী লাভ ব্রিজ, অ্যাম্পিথিয়েটার আর রহস্যময় গুহায় পর্যটকদের আনাগোনা ছিল চোখে পড়ার মতো।

অন্যদিকে জেলা পরিষদ পার্কের ঝুলন্ত সেতুতে উঠতেই বেশি পছন্দ শিশু-কিশোরদের। পাহাড়ের ওপর থেকে আছড়ে পড়া স্বচ্ছ পানির রিছাং ঝর্না ঘিরেও পর্যটকদের আগ্রহের কমতি ছিল না। এছাড়া পানছড়ির মায়াবিনী লেক, গুইমারার সরোবর ও মাটিরাঙ্গার জলপাহাড়ে ছিল স্থানীয় পর্যটকদের ভিড়।

চট্টগ্রাম থেকে পরিবার নিয়ে খাগড়াছড়ি ঘুরতে যাওয়া হারুন অর রশীদ বলেন, লম্বা ছুটি আর শহরের একঘেয়ে পরিবেশ থেকে মুক্ত বাতাস পেতে ও পাহাড়ের সৌন্দর্য উপভোগ করতে এসেছি।

তিনি বলেন, হর্টিকালচার পার্ক, আলুটিলা রহস্যময় সুড়ঙ্গ, রিছাং ঝর্ণা ঘুরেছি। পাহাড়ের নির্মল পরিবেশ পেয়ে ভালো লাগছে।

নোয়াখালীর শিক্ষার্থী ইমরুল হাসান বলেন, পাহাড়ের সবুজ প্রকৃতি আমাকে সবসময় টানে বলেই সময়-সুযোগ পেলে ছুটে আসি। আর এবারের ঈদের লম্বা ছুটিতে বন্ধুদের সঙ্গে খাগড়াছড়ি ছুটে এসেছি।

খাগড়াছড়ির আলুটিলা পর্যটনকেন্দ্রের তত্ত্বাবধায়ক চন্দ্র কিরণ ত্রিপুরা বলেন, এবার লম্বা ছুটি থাকায় খাগড়াছড়িতে পর্যটকের সংখ্যা বেড়েছে। ঈদ শেষ হলেও নববর্ষ ও বৈসাবী পর্যন্ত পর্যটকদের ভিড় থাকবে।

এদিকে খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদ হর্টিকালচার পার্কের তত্ত্বাবধায়ক থোয়াই অংগ মারমা বলেন, ঈদে পার্কে পর্যটকের ভালো সমাগম রয়েছে। সামনের দিনগুলোতে উপস্থিতি আরও বাড়তে পারে।

পর্যটকদের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতের কথা জানিয়ে খাগড়াছড়ি টুরিস্ট পুলিশের উপ-পরিদর্শক কমল বলেন, বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে পর্যটকদের নিরাপত্তায় আমাদের টহল রয়েছে। সাদা পোশাকেও নজরদারি রয়েছে।

 

এ জাতীয় আরও খবর

ডাকসুর সংগ্রহশালায় জিন্নাহর ছবি কেন, জানালেন জিএস ফরহাদ

শিশুদের সম্ভাবনা বিকশিত করতে মুক্ত পরিবেশ নিশ্চিতের আহ্বান জুবাইদা রহমানের

‘বৃত্তি-উপবৃত্তিতে সমতা নয়, প্রয়োজনের ভিত্তিতে অগ্রাধিকার’

রাজউকে দুদকের হানা

বীমা খাতে ৭ হাজার কোটি টাকার দাবি বকেয়া

অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দ্বারস্থ ৭ সাবেক অধিনায়ক

ট্রাম্পের সমঝোতার ঘোষণার পরই কিয়েভে পেট্রল স্টেশনে হামলা

এস কে সুরের স্ত্রীর দুই বছরের কারাদণ্ড

সাদ্দাম-ইনানসহ ৭ আসামির মৃত্যুদণ্ডের রায়ে ঢাবিতে মিষ্টি বিতরণ

সৎ থাকাটাই সবচেয়ে বড় অপরাধ: আসিফ মাহমুদ

পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির প্রভাবে সংকটে গরুর মাংসের বাজার

যেসব অভিযোগে ওবায়দুল কাদেরসহ সাতজনের মৃত্যুদণ্ড