মঙ্গলবার, ২১শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ৬ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চরম অব্যবস্থাপনায় দর্শনীয় স্থান ওয়াইব্রীজে উপচেপড়া ভীড়ে নাজেহাল দর্শনার্থীরা

news-image
ফয়সল আহমেদ খান, বাঞ্ছারামপুর ( ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি : শত কোটি টাকার ওয়াই সেতু সন্ধ্যার পরই অন্ধকারে নিমজ্জিত!  বাঞ্ছারামপুর, হোমনা ও মুরাদনগরের সংযোগস্থলের জন্য নির্মান করা হয় ১০৪ কোটি টাকা ব্যয় করে ২০১৮ সালে সেতুটি উদ্ধোধন করা হয়।  কিন্তু পরিতাপের বিষয় হচ্ছে উদ্ধোধনের কিছু দিন পর থেকে ই সেতুর ৬০ টির মতো স্ট্রিট লাইট গুলো অকেজো হয়ে গেছে। যার ফলে সন্ধ্যার পর থেকেই সেতু উপর মাদকের আসর, ছিনতাই,দুর্ঘটনার মতো ঘটনা নিয়মিত ঘটছে, যার ফলে যাত্রীরা চলাচলে অস্বস্তি বোধ প্রকাশ করে।  সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে এখনো স্ট্রিট লাইটগুলো  আলো দেওয়ার পরিবর্তে শুধু দাঁড়িয়ে আছে এবং সেতু কতৃপক্ষ  সংস্কারে কোন দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেয়নি!
ঈদ পরবর্তী বিনোদন করতে ঈদের দিন হতে আজ বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল)  পর্যন্ত দর্শনার্থীদের উপচেপড়া ভীড়ে নাজেহাল দর্শনার্থীরাদের নারীদের। অনেকে ইভটিজিং এর স্বীকার হচ্ছেন। পুলিশ টহল না থাকায় ছোটো-খাটো ছিনতাই ও মারামারির ঘটনাও ঘটেছে। ষ্ট্রীট লাইটগুলো সব-কটি নষ্ট থাকায় সন্ধার পর শুরু হয় ভুতুড়ে পরিবেশ।
এবিষয়ে বাঞ্ছারামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফেরদৌস আরা বলেন, বিষয়টি আমার জানা ছিল না।আমি সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোতে কথা বলে লাইট মেরামত ও ঈদমুখী দর্শনার্থীদের  নিরাপত্তার ব্যবস্থা করবো।
পেছনের প্রেক্ষাপট:

সম্পূর্ণ ব্যতিক্রমী একটি সেতু। এর সংযোগ তিনটি। প্রচলিত সকল সেতুর চাইতে পুরোমাত্রায়ই আলাদা। এর গঠনশৈলী অনেকটাই ইংরেজি ওয়াই অক্ষরের ন্যায়। সঙ্গত কারণে এর নাম হয়ে গেছে ওয়াই সেতু কিংবা ওয়াই ব্রীজ। বাংলাদেশে এটিই প্রথম। এটি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলা এলাকায়। তিতাস নদীর উপর নির্মিত দৃষ্টিনন্দন এই ওয়াই সেতু এখন বাঞ্ছারামপুর, হোমনা ও মুরাদনগরসহ তিন উপজেলাবাসীর কাছে দর্শনীয় স্থান।

 এলাকাবাসীর স্বপ্নের এই সেতু চালু হলে চারদিকে নদী বেষ্টিত বাঞ্ছারামপুর উপজেলার দৃশ্যপটই পাল্টে যাবে বলে সর্বমহলের অভিমত ছিল। নদী পাড়ি দেওয়ার মতো দুর্বিষহ অপেক্ষার প্রহর আর গুনতে হয় না এখানকার সাধারণ মানুষকে। অতি অল্প সময়ে রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশের সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ হয় নির্বিঘে আর স্বচ্ছন্দময়।

 তিতাস নদীর ত্রিমোহনার দুই অংশে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ভুরভুরিয়া ও চরলহনিয়া, অপরটি পশ্চিমাংশে কুমিল্লা জেলার রামকৃষ্ণপুর বাজার এবং মুরাদনগর উপজেলা এলাকাকে স্পর্শ করেছে দৃষ্টিকাড়া এই ওয়াই সতু।
বাঞ্ছারামপুর উপজেলা প্রকৌশল অফিস সূত্রে জানা যায়, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতরের (এলজিইডি) তত্ত্বাবধানে নাভানা বিল্ডার্সের আওতায় ২০১১ সালের ১৬ জুন সেতুটির নির্মাণ কাজ শুরু হয়। নির্মিত সেতুটির দৈর্ঘ্য ৭৭১.২০ মিটার এবং প্রস্থ ৮.১০ মিটার। সেতুটিতে পিলার রয়েছ ৩০২টি। দৃষ্টিনন্দন এই সেতু নির্মাণে খরচ করা হয়েছে ১০৪ কোটি টাকা। এছাড়া সংযোগ সড়ক নির্মাণে ব্যয় হয় ১২ কোটি ৬৫ লাখ টাকা, আর জমি অধিগ্রহণ খাতে খরচ হয়েছে সাড়ে ৯ কোটি টাকা।
 বাসিন্দা ও সেতু ব্যবহার কারী মানুষ এ থেকে উত্তরনের জন্য কর্তৃপক্ষ যেন দ্রুত ব্যবস্থা নেয়, সে বিষয়ে উদাত্ত আহ্বান জানান।

এ জাতীয় আরও খবর

সেই ‘কালো দুপুরের’ এক বছর আজ

চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ৩ জনের মৃত্যু

দিল্লিতে ককরোচ পার্টি-পুলিশ সংঘর্ষ : ১১৮ পুলিশ আহত, ৭০ ‘ককরোচ’ গ্রেপ্তার

মোজাফফরের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার উদ্যোগ

রাবি শিক্ষার্থীকে মারধরের প্রতিবাদে রেলপথ অবরোধ, আটকা ৬ ট্রেন

২০২৭ সালের হজে সরকারি দুই প্যাকেজ ঘোষণা

ইএফডি অটোমেশনেও ভ্যাট ফাঁকি, হারাচ্ছে হাজার কোটি টাকা

আ. লীগ পুনর্বাসনের চেষ্টা হলে প্রতিরোধের হুঁশিয়ারি নাহিদের

স্থানীয় সরকার নির্বাচন: আইন-বিধি নিয়ে ইসির বৈঠক আজ

আজ ৮ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না যেসব এলাকায়

কোটা রায় বাতিলের দিন সংঘর্ষে আরও ১৯ প্রাণহানি

রাজকীয় সংবর্ধনায় দেশে ফিরল বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেন