সোমবার, ২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রফতানি ৫০.৭৯ শতাংশ বেড়েছে

news-image

অনলাইন ডেস্ক :বর্তমানে বাংলাদেশে তৈরি পোশাকের সবচেয়ে বড় বাজার যুক্তরাষ্ট্র। গেল দশ বছরে বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রফতানি প্রায় ৫০.৭৯ শতাংশ বেড়েছে।

শতাংশের হিসাবে, দেশের মোট রফতানি আয়ের প্রায় ২০ শতাংশই আসে দেশটি থেকে। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের অফিস অব টেক্সটাইলস অ্যান্ড গার্মেন্টস (ওটেক্সা) প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রফতানি করা ১০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ভিয়েতনাম এবং প্রথম স্থানে চীন।

তবে, ২০১৪ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত (১০ বছরে) যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রফতানির পরিসংখ্যান বলছে, চীনের পোশাক রফতানি প্রায় অর্ধেকে কমেছে। অন্যদিকে, ভিয়েতনাম ও বাংলাদেশ তাদের জায়গা দখল করেছে।

ওটেক্সার প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৪ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত গত দশ বছরে বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রফতানি বেড়েছে ৫০.৭৯ শতাংশ। ২০১৪ সালে যেখানে বাংলাদেশের পোশাক রফতানি ছিল ৪.৮৩ বিলিয়ন ডলার, সেখানে ২০২২ সালে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯.৭৩ বিলিয়ন ডলারে।

তবে ২০২৩ সালে এই প্রবৃদ্ধি হ্রাস পায় এবং রফতানি প্রায় এক চতুর্থাংশ কমে ৭.২৯ বিলিয়ন ডলারে নেমে আসে। ২০২৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রের পোশাক আমদানি ২২.০৪ শতাংশ কমে গিয়েছিল, যার প্রভাব বাংলাদেশের রফতানিতে পড়েছে।

এদিকে, চীনের ২০১৪ সালের পোশাক রফতানি ছিল ২৯.৭৯ বিলিয়ন ডলার, যা ২০২৩ সালে কমে ১৬.৩২ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। অর্থাৎ এক দশকের মধ্যে চীনের পোশাক রফতানি প্রায় ৪৫.২৪ বিলিয়ন ডলার কমেছে।

ভিয়েতনামের রফতানি ২০১৪ সালে ছিল ৯.২৭ বিলিয়ন ডলার, যা ২০২৩ সালে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪.১৮ বিলিয়ন ডলারে। অর্থাৎ, গত দশ বছরে ভিয়েতনামের রফতানি বেড়েছে ৫২.৯৬ শতাংশ। এছাড়া ভারত, পাকিস্তান ও কম্বোডিয়ার মতো দেশগুলোরও রফতানি বেড়েছে।

ভারতের পোশাক রফতানি ২০১৪ সালে ছিল ৩.৪০ বিলিয়ন ডলার, যা ২০২৩ সালে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪.৬৯ বিলিয়ন ডলারে। পাকিস্তানের রফতানি ১.৪৬ বিলিয়ন ডলার থেকে বেড়ে ২.০২ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। কম্বোডিয়ার পোশাক রফতানি ২০১৪ সালে ছিল ২.৪৮ বিলিয়ন ডলার, যা ২০২৩ সালে বেড়ে ৩.৩২ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে, অর্থাৎ গত দশ বছরে ৩৩.৯৭ শতাংশ বেড়েছে।

এছাড়া, চীন, দক্ষিণ কোরিয়া, মেক্সিকো, হন্ডুরাস ও ইন্দোনেশিয়ার পোশাক রফতানি কমেছে। দক্ষিণ কোরিয়ার রফতানি ১৩.৩১ শতাংশ, মেক্সিকোর ২৪.৬৬ শতাংশ, হন্ডুরাসের ৬.০৮ শতাংশ এবং ইন্দোনেশিয়ার রফতানি ১৭.৯৯ শতাংশ কমেছে।

গত দশ বছরে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক পোশাক রফতানির ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি করেছে, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে। বাংলাদেশের সাশ্রয়ী উৎপাদন ক্ষমতা, উচ্চমানসম্পন্ন পোশাক এবং দক্ষ শ্রমশক্তি তাকে বিশ্বের অন্যান্য দেশগুলোর মধ্যে শীর্ষে পৌঁছাতে সহায়তা করেছে। তবে, এ সাফল্য ধরে রাখতে পরিবেশবান্ধব উৎপাদন, শ্রমিক কল্যাণ এবং নতুন বাজার প্রসারে মনোযোগ দেওয়া জরুরি, বলছেন সংশ্লিষ্টরা।

 

এ জাতীয় আরও খবর

এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ ১০ আগস্ট

শেয়ার জালিয়াতির মামলায় আসামি সাহাবুদ্দিন

শাপলা চত্বরে হত্যা মামলায় ৪১ আসামি, তালিকায় হাসিনা-আজিজ-বেনজীর

‘স্পিরিট’-এ দীপিকার বদলে ক্যাটরিনা, বাড়ছে জল্পনা

প্রযুক্তি ও গবেষণায় স্বনির্ভর হতে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার

রাজধানীতে আতঙ্ক, সক্রিয় ভাড়াটে খুনিদের তালিকা হালনাগাদ

ঢাকার বায়ুমান আজ সহনীয় পর্যায়ে

থার্ড টার্মিনাল দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে মুখ খুললেন বিমানমন্ত্রী

আন্দোলনে গতি ফেরাতে সক্রিয় হন তারেক রহমান, আসে তিন দাবির আলটিমেটাম

মার্কিন হামলা বন্ধ থাকলে পাল্টা হামলাও বন্ধ রাখবে ইরান

ঢাকায় তাপমাত্রা কমার সম্ভাবনা নেই

সিয়াটলে বন্দুক হামলায় নিহত ২, আটক সন্দেহভাজন