শুক্রবার, ২৪শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ৯ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যুক্তরাজ্যে জাহাজ রপ্তানি করল বাংলাদেশ

news-image

নিজস্ব প্রতিবেদক : যুক্তরাজ্যের এনজিয়ান শিপিং কোম্পানির কাছে ছয় হাজার ১০০ ডেডওয়েট টন ধারণ ক্ষমতা ও উচ্চ গতিসম্পন্ন মাল্টি পারপাস কন্টেইনার জাহাজ রপ্তানি করেছে দেশের অন্যতম জাহাজ নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান আনন্দ শিপইয়ার্ড অ্যান্ড স্লিপওয়েজ। আজ মঙ্গলবার রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে জাহাজটি হস্তান্তর উপলক্ষে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশ একটি অত্যাধুনিক জাহাজ রপ্তানি করল। জাহাজ নির্মাণের সূতিকাগার ইংল্যান্ডে জাহাজ রপ্তানি একটি বড় অর্জন। ভবিষ্যতে জাহাজ নির্মাণ শিল্প পৌঁছাবে তৈরি পোশাক শিল্পের কাছাকাছি অবস্থানে। বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে এ খাত ভূমিকা রাখবে। সেলক্ষ্যে চট্টগ্রাম, মাতারবাড়ী, মংলা, পায়রাসহ সব বন্দরের সক্ষমতা বাড়ানো হচ্ছে। তবে সমুদ্রসীমা জয় করলেও সমুদ্র সম্পদকে এখনও কাজে লাগানো সম্ভব হয়নি বলে জানান তিনি।

অ্যাসোসিয়েশন অব এক্সপোর্ট অরিয়েনটেড শিপবিল্ডিং ইন্ডাস্ট্রিজ অব বাংলাদেশের সভাপতি ও আনন্দ শিপইয়ার্ডের চেয়ারম্যান ড. আব্দুল্লাহ বারী বলেন, ৩০ বছরের বেশি সময় ধরে এ প্রতিষ্ঠান বিশ্বমানের জাহাজ নির্মাণ করছে। জাহাজ নির্মাণ শিল্প অন্যতম সম্ভাবনাময় খাত। এ শিল্পে বিভিন্ন সুবিধা দিচ্ছে সরকার। তবে দেশের সঠিক শিল্প উন্নয়নের জন্য প্রয়োজনীয় পারদর্শী কারিগর ও জনশক্তি তৈরির জন্য শিপইয়ার্ডের কোনো বিকল্প নেই।

ভালো আবহাওয়া, নদী, সমুদ্র উপকূল, বৃহৎ সমুদ্র এলাকা থাকায় এই শিল্প বাংলাদেশের জন্য একটি আশীর্বাদ মন্তব্য করে তিনি বলেন, জাহাজ রপ্তানি, পরিচালনা, ক্যাপ্টেন ও মেরিন ইঞ্জিনিয়ার, ক্রু সরবরাহ, শিপিং লাইনের জাহাজের মাধ্যমে সমুদ্র পরিবহন এবং উপকূলীয় এবং আভ্যন্তরীণ মালামাল ও যাত্রী পরিবহনের মাধ্যমে জাহাজ নির্মাণ শিল্প দেশকে বছরে ১৫ হাজার কোটি টাকা যোগান দেয়। তবে ২০৪১ সালে এর পরিমাণ লাখ কোটি টাকায় পৌঁছাবে। ভবিষ্যতে এ শিল্প সবচেয়ে বড় রপ্তানি ঝুড়িতে পরিণত হবে।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, জাহাজটি ৩৬৪ ফুট লম্বা, প্রস্থ ৫৪ ফুট ও গভীরতা ২৭ ফুট। জাহাজটির ইঞ্জিনের ক্ষমতা ৪১৩০ হর্স পাওয়ার, গতি ১২ দশমিক ৫ নটিক্যাল মাইল। নারায়ণগঞ্জের মেঘনাঘাটে আনন্দ শিপইয়ার্ডে জাহাজটি নির্মিত হয়েছে। এটি কন্টেইনার, ভারী স্টিলের কয়েল, খাদ্যশস্য, কাঠ, পাশাপাশি বিপজ্জনক মালামাল বহন করতে পারে। বাল্টিক সমুদ্রে সম্পূর্ণ বরফ আচ্ছাদিত অবস্থায় ৪ ফুট বরফের পানিতে চলতে পারবে।

আনন্দ শিপইয়ার্ড এ পর্যন্ত দেশে-বিদেশে ৩৫৬টি জলযান সরবরাহ করেছে। প্রতিষ্ঠানটি ২০০৮ সালে ডেনমার্কে অত্যাধুনিক কন্টেইনার জাহাজ ‘স্টেলা মেরিস’ রপ্তানির মধ্য দিয়ে বাংলাদেশকে জাহাজ রপ্তানিকারক দেশ হিসেবে পরিচিত করে। এরপর জার্মান, নরওয়ে ও মোজাম্বিকসহ বিভিন্ন দেশে জাহাজ রপ্তানি করে আসছে।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, আনন্দ শিপইয়ার্ডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আফরোজা বারী, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সদস্য হোসেইন আহমদ, নৌপরিবহন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কমডোর মো. নিজামুল হক প্রমুখ।

এ জাতীয় আরও খবর

রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ হলে সাংবিধানিক প্রক্রিয়া অনুসরণ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মালদ্বীপের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে বাংলাদেশ হাইকমিশনারের বৈঠক

বোয়ালখালীতে ৫ শ্রমিকের মৃত্যু, মামলা ছাড়াই চলছে সমঝোতার চেষ্টা

১৭ বছর পর ইংল্যান্ড সফরে বাংলাদেশ, টেস্ট হবে লর্ডসে

২৭ জুলাই থেকে চট্টগ্রাম বোর্ডের HSCপরীক্ষা শুরু

ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে তারেক রহমানকে মোদির আমন্ত্রণ

গাজী নজরুলের বহিষ্কার জানিয়ে ইসিকে চিঠি জামায়াতের

ইরান ইস্যুতে কঠিন কূটনৈতিক চাপে ট্রাম্প

মানবিক সহায়তায় আলোচনায় ‘আমরা বিএনপি পরিবার’

২০৩৪ সালে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির লক্ষ্য বাংলাদেশের

শ্রীলঙ্কার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ড. খলিলুরের বৈঠক

তথ্যমন্ত্রীর নামে ভুয়া ফেসবুক অ্যাকাউন্ট, সতর্কবার্তা