,

বদলির আদেশকে শাস্তি হিসেবে গণ্য করার সুযোগ নেই

news-image

অনলাইন ডেস্ক : বদলির আদেশকে শাস্তি হিসেবে গণ্য করার কোন সুযোগ নেই বলে এক রায়ে উল্লেখ করেছেন সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগ।

অগ্রণী ব্যাংক লিমিটেড বনাম মো. হানিফ শেখ এবং অন্যান্য’ শীর্ষক মামলার রায়ে আপিল বিভাগ এ রায় দিয়েছেন।

প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর নেতৃত্বে তিন সদস্যের আপিল বিভাগ বেঞ্চ বিষয়টি নিয়ে আনা লিভ পিটিশনে মেরিট রয়েছে উল্লেখ করে তা নিষ্পত্তি করে রায় দেন। বেঞ্চের অপর বিচারপতিগণ হলেন- বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম।

সাত পৃষ্ঠায় দেয়া এ রায় সুপ্রিমকোর্টের ওয়েবসাইটৈ প্রকাশ করা হয়েছে।

রায় বলা হয়েছে- ‘there is no scope to hold the said order of transfer is a punishment.’

প্রশাসনিক আপিল ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে অগ্রণী ব্যাংকের করা লিভ টু আপিল (আপিলের অনুমতি চেয়ে করা আবেদন) নিষ্পত্তি করে রায়টি দেয়া হয়। গত ৩১ জুলাই ওই রায় দেন আপিল বিভাগ। সাত পৃষ্ঠায় দেয়া এ পূর্ণাঙ্গ রায়টি এখন সুপ্রিমকোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।

মামলাটিতে বলা হয়, চাকরি দেয়ার কথা বলে অর্থ নেওয়ার অভিযোগে অগ্রণী ব্যাংক কর্মকর্তা (ক্যাশ) হানিফ শেখের তিনটি বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট প্রত্যাহারের পাশাপাশি অন্যত্র বদলি করার সিদ্ধান্ত নেয় ব্যাংক কর্তৃপক্ষ।

এর বিরুদ্ধে তিনি ব্যাংকের বোর্ডের কাছে আপিল করেন। বোর্ড তিনটির পরিবর্তে একটি ইনক্রিমেন্ট প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত দেয়। এর বিরুদ্ধে হানিফ প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালে মামলা করলে তা নামঞ্জুর হয়। পরে আপিল ট্রাইব্যুনালে আপিল করেন হানিফ। প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালের আদেশ বাতিল করে এবং হানিফের আপিল মঞ্জুর করে রায় দেন আপিল ট্রাইব্যুনাল। হানিফের বিরুদ্ধে অর্থ নেওয়ার অভিযোগ যারা করেছিলেন, তারাও তা তুলে নেন। তবে আপিল ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে অগ্রণী ব্যাংক আপিল বিভাগে আবেদন করে, যা নিষ্পত্তি করে আপিল বিভাগ রায়টি দিলো।

রায়ে বলা হয়, এটি সত্যি যে শাস্তির আদেশে বিবাদীর (হানিফ) একটি ইনক্রিমেন্ট প্রত্যাহারের পাশাপাশি বদলির কথা বলা হয়। কিন্তু বদলির আদেশকে শাস্তি হিসেবে গণ্য করার কোনো সুযোগ নেই। এটি একটি প্রশাসনিক আদেশ, যা চ্যালেঞ্জ করা যায় না এবং শাস্তি হিসেবে গণ্য করা যায় না।

আপিল বিভাগের রায়ে প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালের সিদ্ধান্ত বহাল রেখে প্রশাসনিক আপিল ট্রাইব্যুনালের সিদ্ধান্ত বাতিল করা হয়েছে।

 

এ জাতীয় আরও খবর

ডাকসুর সংগ্রহশালায় জিন্নাহর ছবি কেন, জানালেন জিএস ফরহাদ

শিশুদের সম্ভাবনা বিকশিত করতে মুক্ত পরিবেশ নিশ্চিতের আহ্বান জুবাইদা রহমানের

‘বৃত্তি-উপবৃত্তিতে সমতা নয়, প্রয়োজনের ভিত্তিতে অগ্রাধিকার’

রাজউকে দুদকের হানা

বীমা খাতে ৭ হাজার কোটি টাকার দাবি বকেয়া

অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দ্বারস্থ ৭ সাবেক অধিনায়ক

ট্রাম্পের সমঝোতার ঘোষণার পরই কিয়েভে পেট্রল স্টেশনে হামলা

এস কে সুরের স্ত্রীর দুই বছরের কারাদণ্ড

সাদ্দাম-ইনানসহ ৭ আসামির মৃত্যুদণ্ডের রায়ে ঢাবিতে মিষ্টি বিতরণ

সৎ থাকাটাই সবচেয়ে বড় অপরাধ: আসিফ মাহমুদ

পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির প্রভাবে সংকটে গরুর মাংসের বাজার

যেসব অভিযোগে ওবায়দুল কাদেরসহ সাতজনের মৃত্যুদণ্ড