,

সয়াবিন তেলের দাম আবার বাড়ল

news-image

নিজস্ব প্রতিবেদক : সয়াবিন তেলের দাম আবার বাড়ানো হয়েছে। খোলা সয়াবিন তেলের দাম এক লিটারে বেড়েছে ৯ টাকা। আর এক লিটারের বোতলে বেড়েছে ৭ টাকা।

গতকাল মঙ্গলবার থেকেই নতুন দামে তেল বিক্রির ঘোষণা দেয় মিল মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন। এর আগে মঙ্গলবার থেকে নতুন মূল্যহার কার্যকর হবে জানিয়ে সোমবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে চিঠি পাঠিয়েছেন মিল মালিকরা।

মিল মালিকদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এখন থেকে প্রতি লিটার খোলা সয়াবিন তেল ভোক্তা পর্যায়ে ১৭৫ টাকায় বিক্রি হবে, যা আগে ছিল ১৬৬ টাকা। প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেলে ৭ টাকা বাড়িয়ে দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১৯২ টাকা, যা গত সোমবার পর্যন্ত ছিল ১৮৫ টাকা। সয়াবিন তেলের ৫ লিটারের বোতল বিক্রি হবে ৯৪৫ টাকায়। এতে প্রতি লিটারের দাম পড়বে ১৮৯ টাকা। ৫ লিটারের বোতলে দাম বেড়েছে ৩০ টাকা।

সয়াবিনের দাম বাড়লেও প্রতি লিটার পাম তেলের দাম কমেছে ৭ টাকা। প্রতি লিটার পাম তেল এখন বিক্রি হবে ১৪৫ টাকায়, যা আগে ছিল ১৫২ টাকা।

বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন সূত্রে জানা গেছে, আন্তর্জাতিক বাজারে দাম কিছুটা কমলেও ডলারের মূল্যবৃদ্ধির কারণ দেখিয়ে মিল মালিকরা সয়াবিল তেলের দাম লিটারে ২০ টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছিল। সবকিছু বিবেচনায় নিয়ে খোলা সয়াবিন তেল লিটারে ৯ টাকা ও বোতলজাত সয়াবিন তেল লিটারে ৭ টাকা করে বাড়ানোর এবং পাম তেলের দাম লিটারে ৭ টাকা কমানোর সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়েছে।

দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়ে ট্যারিফ কমিশন ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে পাঠানো মিল মালিকদের সমিতির চিঠিতে বলা হয়, গত ৩ অক্টোবর সয়াবিন তেলের মূল্য সমন্বয়ের বিষয়ে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছিল। সে অনুযায়ী গত ১৭ আগস্ট আলোচনার পর মূল্যবৃদ্ধির এই ঘোষণা দেওয়া হলো। গতকাল মঙ্গলবার থেকে নতুন এই দাম কার্যকর হয়েছে।

রোজার ঈদের পর গত ৫ মে এক লাফে বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম লিটারপ্রতি ৩৮, খোলা সয়াবিন ৪৪ ও পাম তেল ৪২ টাকা বাড়ানো হয়। সে হিসাবে ১৬০ টাকা লিটারের বোতলের দাম বেড়ে হয় ১৯৮ ও খোলা সয়াবিন ১৩৬ থেকে বেড়ে হয় ১৮০ টাকা। নতুন দাম কার্যকর হয় পরদিন ৬ মে থেকে। এরপর গত ৯ জুন আবার ভোজ্য তেলের নতুন দাম পুুনর্নির্ধারণ করা হয়। তখন এক লিটার খোলা সয়াবিন তেলের দাম মিলগেটে ১৮০, ডিলার পর্যায়ে ১৮২ ও সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ১৮৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়। বোতলজাত সয়াবিন তেলের লিটার মিলগেটে ১৯৫, ডিলার পর্যায়ে ১৯৯ ও খুচরা পর্যায়ে ২০৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়। পরে ২৬ জুন ও ১৮ জুলাই দুই দফায় লিটারপ্রতি ২০ টাকা কমানো হয়। গত সোমবার পর্যন্ত বাজারে খোলা সয়াবিন তেল প্রতি লিটার ১৬৬, বোতলজাত সয়াবিন তেল ১৮৫ এবং পাঁচ লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম ৯১০ টাকা ও পাম তেলের লিটার ১৫২ টাকা ছিল।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, দেশে বছরে প্রায় ২০ লাখ টন ভোজ্য তেলের চাহিদা রয়েছে। রমজান মাসের চাহিদা ২ লাখ ৫০ হাজার থেকে ৩ লাখ টন। স্থানীয়ভাবে উৎপাদন হয় ২ লাখ ৩ হাজার টন। আমদানি করা হয় ১৮ লাখ টন। অপরিশোধিত সয়াবিন তেল আমদানি করা হয় প্রায় ৫ লাখ টন। এ ছাড়া ২৪ লাখ টন সয়াবিন বীজ আমদানি করা হয়, সেখান থেকে ৪ লাখ টন অপরিশোধিত তেল হয়। অপরিশোধিত পাম তেল আমদানি করা হয় প্রায় ১১ লাখ টন।

 

এ জাতীয় আরও খবর

বিদায়ি বক্তব্যে কাঁদলেন মির্জা ফখরুল

গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ১৪ কার্গো এলএনজি কিনবে সরকার

১২ জেলায় ঝড়ো হাওয়ার সতর্কতা

ময়মনসিংহে এনসিসি ব্যাংকের স্টুডেন্ট ব্যাংকিং ক্যাম্পেইন ও বৃক্ষবিতরণ অনুষ্ঠিত

বিএসইসির ১৭ কর্মকর্তা বাধ্যতামূলক অবসরে

অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশকে ঘিরে বাড়ছে আগ্রহ

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেকের সভা

জিয়া-খালেদার সমাধিতে বিএনপির নতুন ৪ নেতার শ্রদ্ধা

সমাজের সবাই এগিয়ে এলে বড় সমস্যার সমাধান সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী

ইসলামি ব্যাংকগুলোর আমানতে বড় পতন

রাষ্ট্রপতি হলেও জনগণের পাশে থেকে সেবা করতে চাই: মির্জা ফখরুল

গর্ভাবস্থার প্রথম তিন মাসে যা করবেন, যা করবেন না