শুক্রবার, ২৪শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ৯ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পোলট্রি খামারিরা লোকসানে, মুনাফায় মধ্যস্বত্বভোগী

news-image

নিজস্ব প্রতিবেদক : খোলাবাজারে হঠাৎ করে ডিম ও মুরগির দাম অস্বাভাবিক বেড়ে যাওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে পোল্ট্রি খামারিদের সংগঠন বাংলাদেশ পোল্ট্রি ইন্ডাস্ট্র্রিজ সেন্ট্রাল কাউন্সিল (বিপিআইসিসি)। সংগঠনটি বলছে, অনাকাক্সিক্ষত এই মূল্যবৃদ্ধির কারণ সরবরাহ ঘাটতি এবং সুযোগসন্ধানী মধ্যস্বত্বভোগীদের অতিরিক্ত মুনাফা করার অপপ্রয়াস। ভবিষ্যতে এ ধরনের পরিস্থিতি এড়াতে শক্তিশালী মনিটরিং ব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং তৃণমূল খামারিদের সুরক্ষায় দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার সুপারিশ করেছে তারা।

গতকাল শুক্রবার সংগঠনটির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। এতে জানানো হয়, গত ১৬ আগস্ট বিপিআইসিসির জরুরি বৈঠকে হঠাৎ মূল্যবৃদ্ধির কারণ অনুসন্ধানবিষয়ক প্রতিবেদন তুলে ধরা হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ৬ আগস্ট পাইকারি বাজারে ব্রয়লার মুরগির কেজিপ্রতি দর ছিল ১৩৬ টাকা এবং বাদামি ডিমের দর ছিল ৯ দশমিক ১০ টাকা। জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার

ঘোষণার পরপর বাস-ট্রাক-পিকআপসহ পরিবহন সংকট দেখা দেয়। অনেক মালিক পরিবহন বন্ধ করে রাখেন, অনেকে আবার অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করেন। এতে পরদিন ৭ আগস্ট রাজধানীতে ডিম ও মুরগির সরবরাহ কমার পাশাপাশি দামও বেড়ে যায়। কিন্তু গত ১৩ ও ১৪ আগস্ট মধ্যস্বত্বভোগীদের কারসাজিতে দাম সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছে। পাইকারি পর্যায়ে বাদামি ডিম ১০ দশমিক ৯০ টাকা এবং ব্রয়লার মুরগির দর ১৭০ থেকে ১৭৫ টাকায় ওঠে।

সরকারি বিপণন সংস্থা টিসিবির তথ্য অনুযায়ী খুচরা পর্যায়ে প্রতিটি ডিমের দাম ১৩ দশমিক ৭৫ টাকা এবং ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিপ্রতি ২০০ টাকায় উঠে যায়। এ দাম বৃদ্ধিতে সাধারণ খামারিদের কোনো হাত নেই বলে জানায় বিপিআইসিসি।

সংগঠনের সভাপতি মসিউর রহমান বলেন, উদ্বেগের বিষয় হচ্ছে খামারিরা লোকসান গুনলেও মধ্যস্বত্বভোগীরা অন্যায্য মুনাফা লুটছে। এতে খামারি ও ভোক্তা উভয়েই বঞ্চিত হচ্ছেন। তিনি আরও বলেন, গত ৬ আগস্টের আগে খামারিরা ব্রয়লার মুরগি কেজিপ্রতি গড়ে ১২৮ থেকে ১৩১ টাকায় অর্থাৎ প্রতি কেজিতে ১২ থেকে ১৪ টাকা লোকসানে বিক্রি করলেও মধ্যস্বত্ব¡ভোগীরা লাভ করেছে কেজিতে ২৭ থেকে ৩২ টাকা। বাজার ব্যবস্থায় মধ্যস্বত্ব¡ভোগীা থাকবেই। তবে লাভের পরিমাণটা যৌক্তিক হতে হবে।

প্রান্তিক খামারিরা ন্যায্যমূল্য না পেলে উৎপাদন ব্যবস্থা ভেঙে পড়বে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, খামারিদের সুরক্ষায় সরকারকে স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। সরকারের যতগুলো দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা তৈরি হয়েছে সেখানে মূলত ডেইরি ও মৎস্য খাত প্রাধান্য পেয়েছে অথচ আমিষের চাহিদা পূরণে ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ অবদানই পোল্ট্রি খাতের।

 

এ জাতীয় আরও খবর

রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ হলে সাংবিধানিক প্রক্রিয়া অনুসরণ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মালদ্বীপের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে বাংলাদেশ হাইকমিশনারের বৈঠক

বোয়ালখালীতে ৫ শ্রমিকের মৃত্যু, মামলা ছাড়াই চলছে সমঝোতার চেষ্টা

১৭ বছর পর ইংল্যান্ড সফরে বাংলাদেশ, টেস্ট হবে লর্ডসে

২৭ জুলাই থেকে চট্টগ্রাম বোর্ডের HSCপরীক্ষা শুরু

ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে তারেক রহমানকে মোদির আমন্ত্রণ

গাজী নজরুলের বহিষ্কার জানিয়ে ইসিকে চিঠি জামায়াতের

ইরান ইস্যুতে কঠিন কূটনৈতিক চাপে ট্রাম্প

মানবিক সহায়তায় আলোচনায় ‘আমরা বিএনপি পরিবার’

২০৩৪ সালে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির লক্ষ্য বাংলাদেশের

শ্রীলঙ্কার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ড. খলিলুরের বৈঠক

তথ্যমন্ত্রীর নামে ভুয়া ফেসবুক অ্যাকাউন্ট, সতর্কবার্তা