,

শেষ হয়েও হলো না শেষ

news-image

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : মার্কিন প্রতিনিধি পরিষেদের স্পিকার ন্যান্সি পেলোসির তাইওয়ান সফরের পর ওই অঞ্চলে উত্তেজনা বেড়েই চলেছে। ওই বিতর্কিত সফরের জবাবে তাইওয়ানের চারপাশে আকাশ ও নৌপথে ব্যাপক মহড়া শুরু করেছে চীন। গত রবিবার সেই মহড়া শেষ হওয়ার কথা থাকলেও গতকাল সোমবার থেকে আবারও মহড়া শুরু করেছে বেইজিং। খবর বিবিসি

চীনা সেনাবাহিনীর কমান্ড জানিয়েছে, তারা তারা সাবমেরিন আক্রমণ ও সমুদ্রে অভিযান চালাবে। তাইওয়ান অভিযোগ করেছে, এই মহড়া তাদের স্বায়ত্তশাসিত ভূমিতে হস্তক্ষেপের শামিল। মহড়ায় যুদ্ধজাহাজ, এমনকি ক্ষেপণাস্ত্র পর্যন্ত ব্যবহার করেছে চীন। তবে গতকাল তাইওয়ান জানিয়েছে, চীনের বিমান ও যুদ্ধজাহাজ তাদের জলসীমায় প্রবেশ করেনি। এর আগে খবরে বলা হয়েছে- মহড়ার সময় বেইজিং বারবার নির্ধারিত রেখা অতিক্রম করেছে; কিন্তু সোমবার এর ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে তাইওয়ানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ১৯৫০ সাল থেকে কৌশলগতভাবে একটি মধ্যরেখা চালু রয়েছে তবে এর অস্তিত্ব ছিল এক ধরনের ‘তথ্য’। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া ও জাপান এই মহড়ার নিন্দা জানিয়েছে। এদিকে চলমান উত্তেজনায় চীন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করার নিন্দা জানিয়েছে ওয়াশিংটন। এ ছাড়া তাইওয়ান প্রণালি ও এর আশপাশে উত্তেজনা বৃদ্ধির জন্য গত শনিবার চীনকে অভিযুক্ত করে হোয়াইট হাউসের এক মুখপাত্র বলেন, ‘এই ধরনের কর্মকা- উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়ে তাইওয়ানের স্থিতাবস্থা পরিবর্তনের জন্য প্রচেষ্টা চালাচ্ছে চীন। এগুলো উসকানিমূলক, দায়িত্বজ্ঞানহীন এবং ভুল হিসাব-নিকাশের ঝুঁকি বাড়ায়।’ তবে চীন বলেছে, ন্যান্সি পেলোসির সফর তাইওয়ান প্রণালিতে শান্তি ও স্থিতিশীলতাকে ‘গুরুতর হুমকি’র মুখে ঠেলে দিয়েছে।

চীন তাইওয়ানকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া প্রদেশ মনে করে। প্রয়োজনে তারা জোরপূর্বক মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে একীভূত করার হুমকি দিয়ে থাকে; কিন্তু তাইওয়ান নিজেদের স্বশাসিত অঞ্চল ভাবে। নিজেদের নির্বাচন, পার্লামেন্ট ও পৃথক প্রশাসনিক কাঠামো রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চীনের আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক থাকলেও তাইওয়ানের সঙ্গে তা নেই; কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোয় যুক্তরাষ্ট্র-তাইওয়ানের মাখামাখি মেনে নিতে পারছে না বেইজিং। চীনের কড়া হুশিয়ারি উপেক্ষা করে ন্যান্সি পেলোসি তাইওয়ান সফর করেছেন- এতে যারপর নাই ক্ষুব্ধ হয়েছে বেইজিং।

 

এ জাতীয় আরও খবর

ডাকসুর সংগ্রহশালায় জিন্নাহর ছবি কেন, জানালেন জিএস ফরহাদ

শিশুদের সম্ভাবনা বিকশিত করতে মুক্ত পরিবেশ নিশ্চিতের আহ্বান জুবাইদা রহমানের

‘বৃত্তি-উপবৃত্তিতে সমতা নয়, প্রয়োজনের ভিত্তিতে অগ্রাধিকার’

রাজউকে দুদকের হানা

বীমা খাতে ৭ হাজার কোটি টাকার দাবি বকেয়া

অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দ্বারস্থ ৭ সাবেক অধিনায়ক

ট্রাম্পের সমঝোতার ঘোষণার পরই কিয়েভে পেট্রল স্টেশনে হামলা

এস কে সুরের স্ত্রীর দুই বছরের কারাদণ্ড

সাদ্দাম-ইনানসহ ৭ আসামির মৃত্যুদণ্ডের রায়ে ঢাবিতে মিষ্টি বিতরণ

সৎ থাকাটাই সবচেয়ে বড় অপরাধ: আসিফ মাহমুদ

পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির প্রভাবে সংকটে গরুর মাংসের বাজার

যেসব অভিযোগে ওবায়দুল কাদেরসহ সাতজনের মৃত্যুদণ্ড