,

পাঁচ কাঠা জমির মূল্য ২ লাখ ৮৫ হাজার টাকা!

news-image

রাজধানীর অভিজাত এলাকা উত্তরায় মার্ভেলাস হাউজিং। সেখান থেকে পাঁচ কাঠার একটি প্লট কেনা হয়েছে মাত্র ২ লাখ ৮২ হাজার টাকায়। অবিশ্বাস্য হলেও দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) এমন তথ্যই দিয়েছেন ইউনিভার্সাল কো-অপারেটিভ সোসাইটি লিমিটেডের (ইউসিএল) সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. জহিরুল কাইয়ুম জহির। শুধু তাই নয়, বনশ্রীতে থাকা ১ হাজার ৭৫ বর্গফুটের ফ্ল্যাটের মূল্যও তিনি দেখিয়েছেন ২২ লাখ ৫০ হাজার টাকা। এ ছাড়াও জহিরের বিভিন্ন ব্যাংকে গচ্ছিত রয়েছে ৪০ লাখের বেশি টাকা। আর এসব সম্পদের বেশিরভাগই তিনি অবৈধ উপায়ে অর্জন করেছেন বলে দুদক তদন্তে বেরিয়ে এসেছে। স্থাবর সম্পদের তথ্য গোপনসহ অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে তাই এ ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের অনুমোদন দিয়েছে দুদক। অনুসন্ধানী সংস্থাটির তথ্যমতে, ইউসিএলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জহিরুল কাইয়ুমের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটির অর্থ আত্মসাৎসহ অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ পায় দুদক। পরে এ বিষয়ে তদন্ত করে প্রতিবেদন দিতে সংস্থার উপপরিচালক এসএম রাশেদুর রেজাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। সে অনুযায়ী অনুসন্ধান শেষে প্রতিবেদনও দাখিল করেন তিনি। কমিশন সেটি যাচাই শেষে অভিযুক্ত জহিরের বিরুদ্ধে মামলা করার অনুমোদন দেয়।

দুদকের অনুসন্ধান সূত্রে জানা গেছে, মো. জহিরুল কাইয়ুমের গ্রামের বাড়ি কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার খামার পুস্করনী গ্রামে। দুর্নীতির অনুসন্ধান চলাকালে ইউসিএলের সাবেক এ সাধারণ সম্পাদক তার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ, দায়-দেনার বিবরণী দাখিল করেন। সম্পদ বিবরণীতে তিনি কুমিল্লার নিজ গ্রামে ১০০ শতক (আটটি দলিলে) নাল জমির ক্রয় ও রেজিস্ট্রেশনসহ মোট খরচ দেখান ১১ লাখ ৮২ হাজার ৫০০ টাকা। এ ছাড়া রাজধানীর উত্তরার মার্ভেলাস হাউজিংয়ে ১০ নম্বর রোডের এ-ব্লকে পাঁচ কাঠা আয়তনের ৬১৪ নম্বর প্লটের কথা উল্লেখ করেন, যার ক্রয়মূল্য দেখান মাত্র ২ লাখ ৮২ হাজার টাকা। বনশ্রীর এ-ব্লকের ২ নম্বর রোডের ১৭ নম্বর বাড়ির ১ হাজার ৭৫ বর্গফুট ফ্ল্যাটের ক্রয়মূল্য দেখান ২২ লাখ ৫০ হাজার টাকা। অস্থাবর সম্পদ হিসেবে বিভিন্ন ব্যাংক, ইন্স্যুরেন্স, শেয়ার ও এফডিআরে থাকা ৪০ লাখ ৩৯ হাজার ২২৭ টাকা এবং ২০ তোলা স্বর্ণ, আসবাবপত্র ও প্রাইজবন্ডেরও তথ্য দেন। আর দায়দেনা হিসেবে ব্র্যাক ব্যাংক থেকে ৬ কোটি ৪৭ লাখ ২৬৭ হাজার, ইস্টার্ন ব্যাংক থেকে ১২ লাখ ৭১ হাজার ৭৮০ টাকা ও ইউনিভার্সেল কো-অপারেটিভ সোসাইটি থেকে ২৫ লাখ টাকা ঋণ নেওয়ার ঘোষণা দেন।

অনুসন্ধানে অবশ্য ১৬ লাখ ২২ হাজার মূল্যের স্থাবর সম্পদের তথ্য গোপনসহ অবৈধ সম্পদ অর্জন ও তা ভোগদখলের তথ্য পাওয়া যায়; যা দুর্নীতি দমন কমিশন, আইন ২০০৪-এর ২৬(২) ও ২৭(১) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এ বিষয়ে জহিরের বিরুদ্ধে মামলার দায়েরের অনুমোদন দিয়েছে দুদক।

 

এ জাতীয় আরও খবর

ডাকসুর সংগ্রহশালায় জিন্নাহর ছবি কেন, জানালেন জিএস ফরহাদ

শিশুদের সম্ভাবনা বিকশিত করতে মুক্ত পরিবেশ নিশ্চিতের আহ্বান জুবাইদা রহমানের

‘বৃত্তি-উপবৃত্তিতে সমতা নয়, প্রয়োজনের ভিত্তিতে অগ্রাধিকার’

রাজউকে দুদকের হানা

বীমা খাতে ৭ হাজার কোটি টাকার দাবি বকেয়া

অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দ্বারস্থ ৭ সাবেক অধিনায়ক

ট্রাম্পের সমঝোতার ঘোষণার পরই কিয়েভে পেট্রল স্টেশনে হামলা

এস কে সুরের স্ত্রীর দুই বছরের কারাদণ্ড

সাদ্দাম-ইনানসহ ৭ আসামির মৃত্যুদণ্ডের রায়ে ঢাবিতে মিষ্টি বিতরণ

সৎ থাকাটাই সবচেয়ে বড় অপরাধ: আসিফ মাহমুদ

পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির প্রভাবে সংকটে গরুর মাংসের বাজার

যেসব অভিযোগে ওবায়দুল কাদেরসহ সাতজনের মৃত্যুদণ্ড