,

বিশ্বকে বোকা বানাচ্ছে পশ্চিমারাই

news-image

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : রাশিয়ার ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়ে খুব সহজেই পশ্চিমারা এ জ্বালানি সংকট শেষ করে দিতে পারত বলে মনে করেন পশ্চিমা লেখক রাচেল মার্সডেন। তিনি বলছেন, উল্টো এ সংকটের জন্য পুতিনের ওপর দোষ চাপাচ্ছেন পশ্চিমা নেতারা। আর এভাবে মিথ্যা প্রচার চালিয়ে তারা বিশ্ববাসীকে বোকা বানাচ্ছেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত করছেন।

রাশিয়ার ব্যাংক, বৈদেশিক রিজার্ভসহ বাণিজ্যিক ব্যবস্থার বিভিন্ন ক্ষেত্র লক্ষ্য করে তড়িঘড়ি নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে পশ্চিমারা। পশ্চিমারা রাশিয়াকে ‘একঘরে’ করার জন্য আন্তর্জাতিক লেনদেন-ব্যবস্থা সুইফট থেকে বাদ দিয়েছে। এর পর আবার অভিযোগ তুলেছে, মস্কো গ্যাস রপ্তানির জন্য রুবলে মূল্য পরিশোধের শর্ত দিয়েছে।

এপ্রিল মাসের শেষ দিকে ইউরোপিয়ান কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডের লিয়েন জ্বালানি নিয়ে রাশিয়া বিশ্বকে ব্ল্যাকমেল করছে বলে অভিযোগ ছুড়ে দেন। এর উদাহরণ হিসেবে তিনি রুবলে মূল্য পরিশোধ করতে না পারার জন্য পোল্যান্ড ও বুলগেরিয়ায় গ্যাস সরবরাহ স্থগিত করার ঘোষণার বিষয়টি তোলেন। রাশিয়ার গ্যাস উত্তোলন ও বিতরণকারী সরকারি প্রতিষ্ঠান গাজপ্রম এমন ঘোষণা দিয়েছিল।

মার্সডেন বলছেন, সে সময় উরসুলা ভন ডের লিয়েন ও এখন ম্যাক্রন রাশিয়ার বিরুদ্ধে ইইউর নিষেধাজ্ঞা নিয়ে মুখ বন্ধ রেখেছেন। অথচ ইউক্রেনের সঙ্গে রাশিয়ার যুদ্ধের শুরু থেকেই এ নতজানু নীতিই গ্যাস সংকটের মূলে রয়েছে।

রাচেল বলছেন, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন গ্যাস বন্ধ করতে ইইউকে বলেননি। বরং ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিই বারবার রাশিয়ার জ্বালানির ওপর নিষেধাজ্ঞা দিতে পশ্চিমা বিশ্বকে উসকে দিয়েছে। আর পশ্চিমারাও সে সুযোগ নিয়েছে। নিজ দেশের নাগরিকদের ক্ষতি করতে ও আরও বেপরোয়া হতে তারাও উসকে দিয়েছে জেলেনস্কিকে।

এর আরেকটি বড় উদাহরণ দিয়েছেন রাচেল। এ মাসের শুরুতে জেলেনস্কি রাশিয়ার সবচেয়ে বড় পাইপলাইন নর্ড স্ট্রিম-১ মেরামতের জন্য সরঞ্জাম ফেরত না দিতে কানাডাকে পরামর্শ দিয়েছিলেন। এ পাইপলাইন দিয়ে রাশিয়া জার্মানিতে গ্যাস সরবরাহ করে। কানাডার বিরুদ্ধে এর আগে রাশিয়ার ওপর পশ্চিমাদের নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছিল। এ পাইপলাইন ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের শিল্পায়নের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এ কারণে রক্ষণাবেক্ষণ বন্ধের বিষয়টি নিয়ে নেতাদের উদ্বেগও ছিল। এসব বিষয় বিবেচনা করে কানাডা সরঞ্জাম ফেরতে রাজি হলেও জেলেনস্কি বিষয়টি নিয়ে আবার ভাবতে বলেন।

রাচেল মার্সডন বলেন, সরঞ্জাম ফেরত দিতে রাজি হলেও কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর কণ্ঠে পশ্চিমাদের সেই গৎবাঁধা মিথ্যা সুরেরই প্রতিধ্বনি শোনা গেছে। ট্রুডোও রাশিয়ার বিরুদ্ধে গ্যাসকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করার অভিযোগ তুলেছেন। অথচ বাস্তবে গ্যাসের এ সংকট তৈরি হয়েছে পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার কারণে। আর গ্যাস সংকট নিয়ে এত নাটকের পেছনেও কলকাঠি নাড়ছে পশ্চিমারাই। রাচেল মার্সডন ওই প্রতিবেদনে বলেন, যারা কিনতে চায়, তাদের কাছেই রাশিয়া জ্বালানি বিক্রি করে খুশি থাকতে চায়। যদি ইইউ নিষেধাজ্ঞা তুলে দেয়, তা হলে পশ্চিমা বিশ্বে জ্বালানির সংকট মিটে যাবে। কিন্তু পশ্চিমারা এ নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া মানে তাদের ভুল স্বীকার করা। তাই পশ্চিমারা পুতিনের দোষ খুঁজছে।

 

এ জাতীয় আরও খবর

বিদায়ি বক্তব্যে কাঁদলেন মির্জা ফখরুল

গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ১৪ কার্গো এলএনজি কিনবে সরকার

১২ জেলায় ঝড়ো হাওয়ার সতর্কতা

ময়মনসিংহে এনসিসি ব্যাংকের স্টুডেন্ট ব্যাংকিং ক্যাম্পেইন ও বৃক্ষবিতরণ অনুষ্ঠিত

বিএসইসির ১৭ কর্মকর্তা বাধ্যতামূলক অবসরে

অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশকে ঘিরে বাড়ছে আগ্রহ

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেকের সভা

জিয়া-খালেদার সমাধিতে বিএনপির নতুন ৪ নেতার শ্রদ্ধা

সমাজের সবাই এগিয়ে এলে বড় সমস্যার সমাধান সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী

ইসলামি ব্যাংকগুলোর আমানতে বড় পতন

রাষ্ট্রপতি হলেও জনগণের পাশে থেকে সেবা করতে চাই: মির্জা ফখরুল

গর্ভাবস্থার প্রথম তিন মাসে যা করবেন, যা করবেন না