,

ডেপুটি স্পিকারের মরদেহ দেশে পৌঁছেছে

news-image

নিজস্ব প্রতিবেদক : বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ও বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট মো. ফজলে রাব্বী মিয়ার মরদেহ দেশে পৌঁছেছে। আজ সোমবার সকাল ৮টা ৪০ মিনিটে তার মরদেহবাহী এমিরেটস এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

সংসদ সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে, ডেপুটি স্পিকারের মরদেহ বিমানবন্দর থেকে সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে অবস্থিত জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে নেওয়া হবে সকাল সাড়ে ১০টায়। সেখানে জানাজা শেষে সর্বস্তরের জনসাধারণের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য রাখা হবে তার মরদেহ। এ কারণে হাইকোর্ট বিভাগের বিচারিক কার্যক্রম নির্ধারিত সকাল সাড়ে ১০টার পরিবর্তে বেলা ১১টায় শুরু হবে।

দুপুর ১২টায় ফজলে রাব্বীর মরদেহ তেজগাঁও পুরাতন বিমানবন্দর নেওয়া হবে। এরপর দুপুর ১টায় হেলিকপ্টারযোগে মরদেহ নেওয়া হবে তার নিজ জেলা গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার বোনারপাড়া কাজী আজাহার আলী উচ্চ বিদ্যালয়ে। বিকেল ৫টা ৩০ মিনিটে সাঘাটা উপজেলাধীন পটিয়া নিজ গ্রামে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে সমাহিত করা হবে সাতবারের এই সংসদ সদস্যকে।

গত ২২ জুলাই বাংলাদেশ সময় দিবাগত রাত আনুমানিক ২টায় (নিউইয়র্ক সময় বিকেল ৪টা) যুক্তরাষ্ট্রের মাউন্ট সিনাই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান ডেপুটি স্পিকার মো. ফজলে রাব্বী মিয়া। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৬ বছর। দীর্ঘদিন ধরে তিনি ক্যানসারে আক্রান্ত ছিলেন।

এদিকে, ফজলে রাব্বী মিয়া এমপির সংসদীয় আসন গাইবান্ধা-৫ শূন্য ঘোষণা করা হয়েছে। তিনি মৃত্যুবরণ করায় ওইদিন থেকেই আসনটি শূন্য ঘোষণা করা হয়েছে। রোববার (২৪ জুলাই) জাতীয় সংসদ সচিবালয় থেকে এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। কোনো সংসদীয় আসন শুন্য ঘোষিত হলে ৯০ দিনের মধ্যে উপনির্বাচনের কথা সংবিধানে উল্লেখ রয়েছে।

গাইবান্ধা-৫ আসনের এই সংসদ সদস্য ১৯৪৬ সালের ১৫ এপ্রিল গাইবান্ধা জেলার সাঘাটা উপজেলার গটিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম ফয়জার রহমান এবং মাতার নাম হামিদুন নেছা।

১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে ফজলে রাব্বী মিয়া মুক্তিযুদ্ধে যোগদান করেন। তিনি ১১নং সেক্টরে যুদ্ধ করেন। এ ছাড়া বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষে বৈশ্বিক জনমত গড়ে তুলতে তিনি কাজ করেছেন।

ফজলে রাব্বী মিয়া ১৯৮৬ সালের তৃতীয়, ১৯৮৮ সালে চতুর্থ, ১৯৯১ সালের পঞ্চম ও ১৯৯৬ সালে ১২ জুন সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাইবান্ধা-৫ আসন থেকে জাতীয় পার্টির প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পরে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগে যোগ দিয়ে ২০০১ সালে অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পরাজিত হন।

২০০৮ সালে নবম, ২০১৪ সালে দশম ও ২০১৮ সালে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাইবান্ধা-৫ আসন থেকে তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

 

এ জাতীয় আরও খবর

ডাকসুর সংগ্রহশালায় জিন্নাহর ছবি কেন, জানালেন জিএস ফরহাদ

শিশুদের সম্ভাবনা বিকশিত করতে মুক্ত পরিবেশ নিশ্চিতের আহ্বান জুবাইদা রহমানের

‘বৃত্তি-উপবৃত্তিতে সমতা নয়, প্রয়োজনের ভিত্তিতে অগ্রাধিকার’

রাজউকে দুদকের হানা

বীমা খাতে ৭ হাজার কোটি টাকার দাবি বকেয়া

অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দ্বারস্থ ৭ সাবেক অধিনায়ক

ট্রাম্পের সমঝোতার ঘোষণার পরই কিয়েভে পেট্রল স্টেশনে হামলা

এস কে সুরের স্ত্রীর দুই বছরের কারাদণ্ড

সাদ্দাম-ইনানসহ ৭ আসামির মৃত্যুদণ্ডের রায়ে ঢাবিতে মিষ্টি বিতরণ

সৎ থাকাটাই সবচেয়ে বড় অপরাধ: আসিফ মাহমুদ

পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির প্রভাবে সংকটে গরুর মাংসের বাজার

যেসব অভিযোগে ওবায়দুল কাদেরসহ সাতজনের মৃত্যুদণ্ড