,

মসলার দোকানে খুচরাতে চড়া দাম

news-image

মসলার দোকানে খুচরাতে চড়া দাম
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি : কোরবানির পশু কেনা শেষে অনেক ক্রেতা এখন ছুটছেন মসলার দোকানে। তবে পাইকারি বাজারে মসলার দাম নিম্নমুখী হলেও খুচরা বাজারে দেখা উল্টো চিত্র। কোরবানির বাজার চাহিদাকে কাজে লাগিয়ে মসলার দাম বাড়িয়েছে দোকানিরা এমন অভিযোগ ক্রেতাদের।

দেশের বৃহৎ পাইকারি বাজার খাতুনগঞ্জে বর্তমানে ২০০ টাকা কমে প্রতি কেজি এলাচ ১ হাজার ১৫০ টাকা, ৭০ টাকা কমে প্রতি কেজি লবঙ্গ ৯৫০ টাকা, ৫০ টাকা কমে প্রতি কেজি জিরা ৩৫০ টাকা, ২৫ টাকা কমে ধনিয়া ৯০ টাকা, ৭০ টাকা কমে প্রতি কেজি দারুচিনি ২৮০ টাকা, ২০ টাকা কমে প্রতি কেজি ভারতীয় হলুদ ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তাছাড়া প্রতি কেজি গোলমরিচ ৫০০, মিষ্টি জিরা ১৬০ ও শুকনা মরিচ ১৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

খাতুনগঞ্জে পিঁয়াজ, আদা ও রসুনের দামও নিম্নমুখী দেখা গেছে। পাইকারিতে প্রতি কেজি পিঁয়াজ ৩০ থেকে ৩২ টাকা, প্রতি কেজি চায়না আদা ৮০ থেকে ১০০ টাকা, দেশি আদা ৬০ থেকে ৭০ টাকা, দেশি রসুন ৫০ থেকে ৬০ টাকা ও চায়না রসুন ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

 

পাইকারিতে মসলার দাম নিম্নমুখী হলেও খুচরায় বেশ চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে এসব পণ্য। নগরীর কয়েকটি খুচরা বাজার ঘুরে দেখা যায়, বর্তমানে খুচরায় প্রতি ১০০ গ্রাম এলাচ ২৩০ টাকা, গোলমরিচ ১০০, দারুচিনি ৫৫ টাকা, লবঙ্গ ১৪০ টাকা, জিরা ৪৮ থেকে ৫০, ধনিয়া ২০ ও তেজপাতা ২৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

অপরদিকে মিষ্টি মরিচের গুড়া প্রতি কেজি ৪২০ টাকা, হলুদের গুড়া ২৮০ টাকা, ধনিয়া গুড়া ২৫০ টাকা, পেঁয়াজ প্রতি কেজি ৫০ টাকা, আদা কেজি ৮৫ টাকা, এবং রসুন বিক্রি হচ্ছে ১১০ টাকায়।

কাজীর দেউড়ী বাজারের ভান্ডার স্টোরের খুচরা বিক্রেতা মো. মিজানুর রহমান বলেন, মসলার বাজার খুব বেশি বাড়েনি। গত বছরের সাথে তুলনা করলে মসলার দাম অনেক কম আছে। এটি ঠিক কোরবানির ঈদের কারণে বাজারে চাহিদা বেড়েছে। স্বাভাবিকভাবে দামও কিছুটা বেড়েছে।

 

বাংলাদেশ পাইকারি গরম মসলা ব্যবসায়ী সমিতির সিনিয়র সহ-সভাপতি অমর কান্তি দাশ বলেন, চট্টগ্রাম বন্দরের পাশাপাশি স্থলবন্দর দিয়েও মসলা আমদানি হচ্ছে। বিশেষ করে জিরা আমদানি হচ্ছে সড়কপথে। ডলারের দাম ও আমদানি খরচ বাড়ার পরও আমরা পর্যাপ্ত মসলা আমদানি করেছি। ক্রেতার আর্থিক অবস্থা ভালো নয়। দ্রব্যমূল্যের বাড়তি দাম মানুষকে ভোগাচ্ছে। তাই কোরবানের ঠিক আগ মুহূর্তেও আমাদের মোকামগুলোতেও বেচাবিক্রি কমে গেছে।

তিনি বলেন, এখনও পর্যাপ্ত মসলা রয়ে গেছে আমাদের মোকামে। তাই আশা করছি আগামী কয়েকমাস মসলার দাম বাড়বে না।

কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) চট্টগ্রাম বিভাগীয় সভাপতি এসএম নাজের হোসাইন বলেন, পাইকারি বাজারে মসলার টানা দরপতন হয়েছে। এ ছাড়া পেঁয়াজের বাজারও এখন নিম্নমুখী। কিন্তু দেখা যাচ্ছে, পাইকারি বাজারের পেঁয়াজের কেজি প্রতি দামের পার্থক্য প্রায় ১৫ টাকা পর্যন্ত। এটি অস্বাভাবিক। এটি প্রায় পণ্যের ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে। আসলে খুচরা বাজারে প্রশাসন কেবল রমজান মাস এলে মনিটরিং জোরদার করে। এরপর থেকে খুচরা বাজারে তেমন কোনো ধরণের অভিযান লক্ষ্য করা যায় না। এই সুযোগে ব্যবসায়ীরা নিজেদের খেয়াল খুশিমতো দাম বৃদ্ধি করে থাকেন।

 

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি : কোরবানির পশু কেনা শেষে অনেক ক্রেতা এখন ছুটছেন মসলার দোকানে। তবে পাইকারি বাজারে মসলার দাম নিম্নমুখী হলেও খুচরা বাজারে দেখা উল্টো চিত্র। কোরবানির বাজার চাহিদাকে কাজে লাগিয়ে মসলার দাম বাড়িয়েছে দোকানিরা এমন অভিযোগ ক্রেতাদের।

দেশের বৃহৎ পাইকারি বাজার খাতুনগঞ্জে বর্তমানে ২০০ টাকা কমে প্রতি কেজি এলাচ ১ হাজার ১৫০ টাকা, ৭০ টাকা কমে প্রতি কেজি লবঙ্গ ৯৫০ টাকা, ৫০ টাকা কমে প্রতি কেজি জিরা ৩৫০ টাকা, ২৫ টাকা কমে ধনিয়া ৯০ টাকা, ৭০ টাকা কমে প্রতি কেজি দারুচিনি ২৮০ টাকা, ২০ টাকা কমে প্রতি কেজি ভারতীয় হলুদ ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তাছাড়া প্রতি কেজি গোলমরিচ ৫০০, মিষ্টি জিরা ১৬০ ও শুকনা মরিচ ১৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

খাতুনগঞ্জে পিঁয়াজ, আদা ও রসুনের দামও নিম্নমুখী দেখা গেছে। পাইকারিতে প্রতি কেজি পিঁয়াজ ৩০ থেকে ৩২ টাকা, প্রতি কেজি চায়না আদা ৮০ থেকে ১০০ টাকা, দেশি আদা ৬০ থেকে ৭০ টাকা, দেশি রসুন ৫০ থেকে ৬০ টাকা ও চায়না রসুন ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

 

পাইকারিতে মসলার দাম নিম্নমুখী হলেও খুচরায় বেশ চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে এসব পণ্য। নগরীর কয়েকটি খুচরা বাজার ঘুরে দেখা যায়, বর্তমানে খুচরায় প্রতি ১০০ গ্রাম এলাচ ২৩০ টাকা, গোলমরিচ ১০০, দারুচিনি ৫৫ টাকা, লবঙ্গ ১৪০ টাকা, জিরা ৪৮ থেকে ৫০, ধনিয়া ২০ ও তেজপাতা ২৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

অপরদিকে মিষ্টি মরিচের গুড়া প্রতি কেজি ৪২০ টাকা, হলুদের গুড়া ২৮০ টাকা, ধনিয়া গুড়া ২৫০ টাকা, পেঁয়াজ প্রতি কেজি ৫০ টাকা, আদা কেজি ৮৫ টাকা, এবং রসুন বিক্রি হচ্ছে ১১০ টাকায়।

কাজীর দেউড়ী বাজারের ভান্ডার স্টোরের খুচরা বিক্রেতা মো. মিজানুর রহমান বলেন, মসলার বাজার খুব বেশি বাড়েনি। গত বছরের সাথে তুলনা করলে মসলার দাম অনেক কম আছে। এটি ঠিক কোরবানির ঈদের কারণে বাজারে চাহিদা বেড়েছে। স্বাভাবিকভাবে দামও কিছুটা বেড়েছে।

 

বাংলাদেশ পাইকারি গরম মসলা ব্যবসায়ী সমিতির সিনিয়র সহ-সভাপতি অমর কান্তি দাশ বলেন, চট্টগ্রাম বন্দরের পাশাপাশি স্থলবন্দর দিয়েও মসলা আমদানি হচ্ছে। বিশেষ করে জিরা আমদানি হচ্ছে সড়কপথে। ডলারের দাম ও আমদানি খরচ বাড়ার পরও আমরা পর্যাপ্ত মসলা আমদানি করেছি। ক্রেতার আর্থিক অবস্থা ভালো নয়। দ্রব্যমূল্যের বাড়তি দাম মানুষকে ভোগাচ্ছে। তাই কোরবানের ঠিক আগ মুহূর্তেও আমাদের মোকামগুলোতেও বেচাবিক্রি কমে গেছে।

তিনি বলেন, এখনও পর্যাপ্ত মসলা রয়ে গেছে আমাদের মোকামে। তাই আশা করছি আগামী কয়েকমাস মসলার দাম বাড়বে না।

কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) চট্টগ্রাম বিভাগীয় সভাপতি এসএম নাজের হোসাইন বলেন, পাইকারি বাজারে মসলার টানা দরপতন হয়েছে। এ ছাড়া পেঁয়াজের বাজারও এখন নিম্নমুখী। কিন্তু দেখা যাচ্ছে, পাইকারি বাজারের পেঁয়াজের কেজি প্রতি দামের পার্থক্য প্রায় ১৫ টাকা পর্যন্ত। এটি অস্বাভাবিক। এটি প্রায় পণ্যের ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে। আসলে খুচরা বাজারে প্রশাসন কেবল রমজান মাস এলে মনিটরিং জোরদার করে। এরপর থেকে খুচরা বাজারে তেমন কোনো ধরণের অভিযান লক্ষ্য করা যায় না। এই সুযোগে ব্যবসায়ীরা নিজেদের খেয়াল খুশিমতো দাম বৃদ্ধি করে থাকেন।

 

এ জাতীয় আরও খবর

বিদায়ি বক্তব্যে কাঁদলেন মির্জা ফখরুল

গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ১৪ কার্গো এলএনজি কিনবে সরকার

১২ জেলায় ঝড়ো হাওয়ার সতর্কতা

ময়মনসিংহে এনসিসি ব্যাংকের স্টুডেন্ট ব্যাংকিং ক্যাম্পেইন ও বৃক্ষবিতরণ অনুষ্ঠিত

বিএসইসির ১৭ কর্মকর্তা বাধ্যতামূলক অবসরে

অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশকে ঘিরে বাড়ছে আগ্রহ

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেকের সভা

জিয়া-খালেদার সমাধিতে বিএনপির নতুন ৪ নেতার শ্রদ্ধা

সমাজের সবাই এগিয়ে এলে বড় সমস্যার সমাধান সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী

ইসলামি ব্যাংকগুলোর আমানতে বড় পতন

রাষ্ট্রপতি হলেও জনগণের পাশে থেকে সেবা করতে চাই: মির্জা ফখরুল

গর্ভাবস্থার প্রথম তিন মাসে যা করবেন, যা করবেন না