,

ক্রেতা কম, হতাশ পোশাক ব্যবসায়ীরা

news-image

নিজস্ব প্রতিবেদক : ঈদুল আজহার বাকি আর মাত্র তিনদিন। এ সময় মার্কেটে ক্রেতার চাপ বাড়ার প্রত্যাশা করেছিলেন ব্যবসায়ীরা। অথচ সেভাবে জমে ওঠেনি ঈদের কেনাকাটা। ঈদের শুরু থেকেই ঢিলেঢালা গেলেও শেষ সময়ে ক্রেতারা হাত খুলে মার্কেট করবেন- এমন প্রত্যাশা ছিল অনেকের মধ্যে। কিন্তু সেটা হয়নি। রবং হতাশাই শোনা গেল বেশিরভাগ দোকানির কণ্ঠে।

বুববার (৬ জুলাই) রাজধানীর বিভিন্ন মার্কেট ঘুরে এমনই চিত্র দেখা গেছে।

বিক্রেতাদের দাবি, ঈদুল ফিতরের চেয়ে ঈদুল আজহায় এমনিতেই বেচাকেনা কম হয়। কিন্তু অন্যান্য কোরবানির ঈদের তুলনায় এবারের বিক্রি অনেক কম। প্রত্যাশা পূরণ হচ্ছে না কারোরই।

রাজধানীর খিলগাঁও তালতলা সিটি কর্পোরেশন মার্কেট, রামপুরা সুপার মার্কেট ও বাড্ডা এলাকার কয়েকটি মার্কেট ঘুরে একই চিত্র পাওয়া গেছে। এসব মার্কেটে সাধারণত নিম্ন ও নিম্ন মধ্যবিত্ত ক্রেতাদের আগমন হয় বেশি। বিক্রেতারা বলছেন, এ বছর এ ধরনের মানুষও কেনাকাটা করছে খুব সীমিত।

সরেজমিনে ঘুরেও বিক্রেতাদের কথার মিল পাওয়া গেছে। এ সময় যেখানে মার্কেটে ক্রেতাদের ব্যাপক সমাগম থাকার কথা, সেখানে দেখা মিললো স্বাভাবিক সময়ের চিত্র। অনেক মার্কেটে ক্রেতার অভাবে দোকানিরা অলস সময় কাটাচ্ছেন। কিছু দোকানে দু-চারজন ক্রেতা থাকলেও অধিকাংশ দোকানই ছিলো ফাঁকা।

বাড্ডার হল্যান্ড সেন্টারে ডায়মন্ড ফ্যাশন কর্নারের স্বত্বাধিকারী আবুল খালেক পাটোয়ারী বলেন, কোনোকিছু স্বাভাবিক নেই। খাবারের দাম বেশি হওয়ার কারণে মানুষের হাতে বাড়তি টাকা নেই। মার্কেট করবে কীভাবে?

 

এ জাতীয় আরও খবর

বিদায়ি বক্তব্যে কাঁদলেন মির্জা ফখরুল

গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ১৪ কার্গো এলএনজি কিনবে সরকার

১২ জেলায় ঝড়ো হাওয়ার সতর্কতা

ময়মনসিংহে এনসিসি ব্যাংকের স্টুডেন্ট ব্যাংকিং ক্যাম্পেইন ও বৃক্ষবিতরণ অনুষ্ঠিত

বিএসইসির ১৭ কর্মকর্তা বাধ্যতামূলক অবসরে

অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশকে ঘিরে বাড়ছে আগ্রহ

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেকের সভা

জিয়া-খালেদার সমাধিতে বিএনপির নতুন ৪ নেতার শ্রদ্ধা

সমাজের সবাই এগিয়ে এলে বড় সমস্যার সমাধান সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী

ইসলামি ব্যাংকগুলোর আমানতে বড় পতন

রাষ্ট্রপতি হলেও জনগণের পাশে থেকে সেবা করতে চাই: মির্জা ফখরুল

গর্ভাবস্থার প্রথম তিন মাসে যা করবেন, যা করবেন না