,

দেড় বছরে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেছে ১০ লাখ অবৈধ অভিবাসী

news-image
নোমান ইবনে সাবিত/বিপি, নিউ ইয়র্ক : বাইডেন প্রশাসনের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে লক্ষ লক্ষ অবৈধ বিদেীশদের অবাধে দক্ষিণ সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশের সুযোগ দেওয়ার। এটি আর কোনো রাখঢাক করার ব্যাপার নয় যে বাইডেন প্রশাসনের দেড় বছরে আমেরিকান ইতিহাসে সবচেয়ে জটিল সীমান্ত সংকট সৃষ্টি হয়েছে, যে কারণে তার সমালোচকরা এটিকে নজীরবিহীন সীমান্ত সঙ্কট বলে বর্ণনা করছেন। গত এপ্রিল ও মে মাসে সীমান্ত পেরিয়ে যথাক্রমে ২৩৪,০৮৮ ও ২৩৯,৪১৬ জন বিদেশি অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেছে বলে রিপোর্ট দিয়েছে ইউএস কাস্টমস এন্ড বর্ডার প্রটেকশন (সিবিপি)। ইমিগ্রেশন আইন লংঘনকারীদের সিবিপি তালিকাভূক্ত করে যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে দিচ্ছে। মে মাস পর্যন্ত এ বছর মোট ১,০৪৯,৫৩২ বিদেশি যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেছে। এ সংখ্যার মধ্যে ভিসার মেয়াদ পেরিয়ে যাওয়ার পর যারা অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছে তাদের সংখ্যা এবং যাদের বৈধ অবস্থান বাতিল করা হয়েছে সেই সংখ্যা অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। এ খবর জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম বাংলা প্রেস।
বাইডেন প্রশাসন যখন থেকে ইমিগ্রান্টদের ডিপোর্ট করার নীতি শিথিল করেছে তখন থেকে প্রায় সকল অবৈধ বিদেশি ডিপোর্টেশনের ভীতিমুক্ত থেকে অবাধে যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরে বিচরণ করছে। অবৈধ ইমিগ্রেশনের বিরোধীরা বলছেন যে এভাবে চলতে থাকলে চলতি বছরের শেষ নাগাদ ইমিগ্রান্ট সংখ্যা অতীতের সকল রেকর্ডকে ছাড়িয়ে যাবে। সবার আশঙ্কা অবৈধ ইমিগ্রান্টদের স্থায়ীভাবে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করার প্রবণতা নিকট ভবিষ্যতে হ্রাস পাবে না। তারা গ্রীস্মেও মাসগুলোতে ইমিগ্রান্ট অনুপ্রবেশে সীমান্তে বড় ধরনের বিপর্যয়ের ভয় করছেন।
প্রেসিডেন্ট বাইডেন অবৈধ ইমিগ্রান্টদের দ্রুত দেশ থেকে বিতাড়ণের কার্যকর পদ্ধতি হিসেবে টাইটেল ৪২ এর কার্যকারিতার অবসান চাইলেও ফেডারেল বিচারকরা এ বিধির আওতায় খুব স্বল্পসংখ্যক অবৈধ ইমিগ্রান্ট দেশ থেকে বহিস্কারের আদেশ দিতে পেরেছেন।
বিচারকদের আদেশ ছাড়া কাস্টমস এন্ড বর্ডার প্রটেকশন ইমিগ্রান্টদের বহিস্কার করতে পারে না। হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বলছে যে প্রেসিডেন্ট বাইডেন যদি শেষপর্যন্ত টাইটেল ৪২ এর কার্যকারিতা রহিত করতে সফল হন, তাহলে প্রতিমাসে অবৈধভাবে অনুপ্রবেশ দ্বিগুণ বৃদ্ধি পাবে। অর্থ্যাৎ প্রতিমাসে গড় অনুপ্রবেশ ৫ লাখ ছাড়িয়ে যাবে, যা সিবিপির পক্ষে সামাল দেওয়া কঠিন হয়ে পড়বে।

এ জাতীয় আরও খবর

ডাকসুর সংগ্রহশালায় জিন্নাহর ছবি কেন, জানালেন জিএস ফরহাদ

শিশুদের সম্ভাবনা বিকশিত করতে মুক্ত পরিবেশ নিশ্চিতের আহ্বান জুবাইদা রহমানের

‘বৃত্তি-উপবৃত্তিতে সমতা নয়, প্রয়োজনের ভিত্তিতে অগ্রাধিকার’

রাজউকে দুদকের হানা

বীমা খাতে ৭ হাজার কোটি টাকার দাবি বকেয়া

অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দ্বারস্থ ৭ সাবেক অধিনায়ক

ট্রাম্পের সমঝোতার ঘোষণার পরই কিয়েভে পেট্রল স্টেশনে হামলা

এস কে সুরের স্ত্রীর দুই বছরের কারাদণ্ড

সাদ্দাম-ইনানসহ ৭ আসামির মৃত্যুদণ্ডের রায়ে ঢাবিতে মিষ্টি বিতরণ

সৎ থাকাটাই সবচেয়ে বড় অপরাধ: আসিফ মাহমুদ

পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির প্রভাবে সংকটে গরুর মাংসের বাজার

যেসব অভিযোগে ওবায়দুল কাদেরসহ সাতজনের মৃত্যুদণ্ড