,

বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে সংসদে আলোচনা চান বিএনপির হারুন

news-image

নিজস্ব প্রতিবেদক : জাতীয় সংসদে সিলেট-সুনামগঞ্জের বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনার সুযোগ চাইলেন বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য হারুনুর রশীদ। আজ সোমবার জাতীয় সংসদের অষ্টাদশ অধিবেশনে পয়েন্ট অব অর্ডারে তিনি বলেন, ‘অত্যন্ত উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছি, দেশে এখন ভয়াবহ বন্যা। স্মরণকালের ভয়াবহতম বন্যায় সুনামগঞ্জসহ সিলেট বিভাগ পানির নিচে। আবহাওয়াবিদরা বলছেন, উত্তরাঞ্চলসহ বিভিন্ন জায়গায় তীব্র বন্যার আশঙ্কা রয়েছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগের এই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে সংসদে এ বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হওয়া দরকার’।

হারুনুর রশীদ বলেন, ‘আমি গতকাল আপনার কাছে সময় চেয়েছিলাম। আপনি পরে সময় দিতে চেয়েছিলেন। গতকাল আমাদের মুলতবি প্রস্তাবে একটা নোটিশ দিয়েছিলাম’। এ সময় জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালী বিধি ৬১ সংসদে পড়ে শোনান তিনি।

মুলতবি প্রস্তাবের সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে হারুনুর রশিদ বলেন, ‘এখানে বলা হচ্ছে, বাজেটের সাধারণ আলোচনার জন্য কোনোদিন মুলতবি প্রস্তাব উত্থাপন করা যাবে না’। এ সময় স্পিকার বলেন, ‘আপনি নিজেই তো পড়ছেন’।

কার্যপ্রণালী বিধি ৬৫ তুলে ধরে হারুনুর রশিদ বলেন, ‘কার্যপ্রণালী বিধি যখন প্রস্তুত হয়েছে, তখন সিলেটে এ ধরনের বন্যা হয়নি। ১২২ বছরের মধ্যে যে ভয়াবহ বন্যা এবং মানুষ ওখানে ভয়াবহ অবস্থার মধ্যে রয়েছে’।

এ সময় স্পিকার বলেন, ‘বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনা চলাকালে এ ধরনের সুযোগ কার্যপ্রণালী বিধিতে নেই। কারণ আপনি নিজেই পড়ে শুনিয়েছেন। বাজেট অধিবেশনে মুলতবির কোনো সুযোগ নেই’।

কার্যপ্রণালী বিধিতে সুযোগ না থাকার বিষয়টি বিএনপির সংসদ সদস্য স্বীকার করে বলেন, ‘আমরা আলোচনা চাই। আমরা কিছুদিন আগে সীতাকুণ্ডে যে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড- সেটার ব্যাপারে মন্ত্রীর বিবৃতি চাইলাম। এখনো বিবৃতি পাইনি। সেখানকার অবস্থা কী আমরা এখনো জানি না। বন্যা পরিস্থিতির ভয়াবহ অবনতি হচ্ছে। সেখানে মানুষ যে দুর্ভোগে আছে, এ বিষয়গুলো নিয়ে কি আলোচনা হবে না?’

তিনি বলেন, ‘অতীতে সাধারণ আলোচনার মাঝে জরুরি জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আমরা আলোচনার সুযোগ চাই। যদি আপনি বলে দেন যে, সাধারণ আলোচনা ছাড়া কোনো আলোচনা হবে না। তাহলে আপনি নির্ধারণ করে দেন যে, আমরা কবে বক্তৃতা দেব, সেদিন ছাড়া আমরা আসবো না’।

সংসদের আসন দেখিয়ে এই সংসদ সদস্য বলেন, ‘আজকে দেখেন সমস্ত চেয়ার খালি, মন্ত্রীদের চেয়ার খালি। বিরোধী দলের সদস্যরা নেই। কেন থাকছে না? আপনি যদি সংসদের কার্যক্রমে বিরোধী দলের সদস্য, সরকার দলের সদস্যদের অংশগ্রহণ করার সুযোগ না দেন, তাহলে আপনি নির্ধারণ করে দেন, আমরা কবে বক্তৃতা দিতে আসবো। বাকি দিন আসার কোনো প্রয়োজন নেই’।

তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি, আজকে এই ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে সংসদে আলোচনার দরকার আছে। এই পরিস্থিতিতে সরকার কী করছে, আমাদের কী করা দরকার- সে বিষয়গুলো বিস্তারিত আলোচনা করবো। আপনি দয়া করে সময় দেবেন, এটার জন্য আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি’।

 

এ জাতীয় আরও খবর

বিদায়ি বক্তব্যে কাঁদলেন মির্জা ফখরুল

গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ১৪ কার্গো এলএনজি কিনবে সরকার

১২ জেলায় ঝড়ো হাওয়ার সতর্কতা

ময়মনসিংহে এনসিসি ব্যাংকের স্টুডেন্ট ব্যাংকিং ক্যাম্পেইন ও বৃক্ষবিতরণ অনুষ্ঠিত

বিএসইসির ১৭ কর্মকর্তা বাধ্যতামূলক অবসরে

অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশকে ঘিরে বাড়ছে আগ্রহ

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেকের সভা

জিয়া-খালেদার সমাধিতে বিএনপির নতুন ৪ নেতার শ্রদ্ধা

সমাজের সবাই এগিয়ে এলে বড় সমস্যার সমাধান সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী

ইসলামি ব্যাংকগুলোর আমানতে বড় পতন

রাষ্ট্রপতি হলেও জনগণের পাশে থেকে সেবা করতে চাই: মির্জা ফখরুল

গর্ভাবস্থার প্রথম তিন মাসে যা করবেন, যা করবেন না