,

নারীর প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি বদলাতে হবে

news-image

নিজস্ব প্রতিবেদক : বিশ্ব মাসিক দিবস আজ। পিরিয়ড, মাসিক বা ঋতুস্রাব প্রত্যেক নারীর স্বাভাবিক জীবনচক্রের অবিচ্ছেদ্য অংশ। একজন নারীর নিয়মিত ও সঠিকভাবে মাসিক হওয়ার অর্থ তিনি সন্তান ধারণে সক্ষম। বিষয়টি স্বাভাবিক হলেও এটি নিয়ে সাধারণ মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি এখনো স্বাভাবিক নয়। এমনকি মাসিক নিয়ে পরিচিতদের কাছে তাচ্ছিল্যের শিকার হন অনেকে। নারীর প্রতি এ ধরনের দৃষ্টিভঙ্গি বদলাতে হবে।

২০১৪ সালে জার্মানিভিত্তিক এনজিও ওয়াশ ইউনাইটেড কর্তৃক বিশ্বব্যাপী কন্যাশিশু ও নারীদের উদ্বুদ্ধ করতে শুরু হয়েছিল এই দিবসের। ঋতুচক্র গড়ে প্রতি ২৮ দিন পর পর ঘটার ফলে ২৮ তারিখটিকে গ্রহণ করা হয় দিবসটি

পালনের জন্য। নিম্ন আয়ের দেশগুলোতে ঋতুকালীন স্বাস্থ্যবিধির উপকরণগুলো নারীরা আর্থিক সামর্থ্য, প্রাপ্যতা এবং সামাজিক নিয়মাবলির কারণে সীমিতভাবে পেয়ে থাকে। এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য ‘২০৩০-এ এই ট্যাবু আর থাকবে না।’ নারীর প্রয়োজনগুলোকে সহমর্মিতার দৃষ্টিতে দেখে সব কাজের পরিকল্পনা, বাজেট প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করার মাধ্যমেই আমাদের পক্ষে দিনটির উদ্দেশ্য সফল করা সম্ভব।

বিশেষজ্ঞরা জানান, মাসিক নারীদের প্রজনন প্রক্রিয়ায় প্রভাব বিস্তার করে। সাধারণত ১১ থেকে ১৪ বছর বয়সেই মেয়েদের মাসিক শুরু হয়। গড়ে ২৮ দিন পরপর এটা হয়ে থাকে। এ মাসিক চক্রটা কারও কারও ক্ষেত্রে স্বাভাবিকভাবে ২১ বা ৩৫ দিন পরও হতে পারে। তবে ৫০ থেকে ৫২ বছর বয়সে নারীদের মাসিক চক্র বন্ধ হয়ে যায়। শারীরিক গঠন বা বৃদ্ধির ওপর ভিত্তি করে কারও ক্ষেত্রে এই সময়ের তারতম্য হয়ে থাকে।

এ বিষয়ে মেরী স্টোপস এর লিড অ্যাডভোকেসি মঞ্জুন নাহার বলেন, আমাদের দেশে এখনো মাসিককে একটি লজ্জা বা ভয়ের বিষয় হিসেবে ধরা হয়। তাই বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই এ বয়সী মেয়েদের জন্য মাসিকের প্রথম অভিজ্ঞতা বেশ ভয়াবহ ও বিব্রতকর হয়ে থাকে। পিরিয়ডের সময় অনেকেই ভয় ও লজ্জায় কাউকে কিছু জানায় না। এটি পরবর্তী সময়ে কিশোরীর মানসিক ও শারীরিক ঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। কিন্তু আমি মনে করি, একটি মেয়ে যখন ঋতুবতী হলেন তখন তার পরিপূর্ণ নারী হিসাবে প্রস্ফুটিত হলেন। এটি উদযাপনের বিষয়। আনন্দের বিষয়, ভয় বা শঙ্কার বা লজ্জার বিষয় নয়। এ ক্ষেত্রে পরিবারের বাবা, ভাই এবং সমাজ ও রাষ্ট্রকে এগিয়ে আসতে হবে। তা হলেই এই ট্যাবু থেকে আমরা বেরিয়ে আসতে পারব।

গবেষণায় দেখা গেছে, আমাদের দেশে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে ঋতুকালীন স্বাস্থ্যবিধি ব্যবস্থাপনার পণ্যগুলির সহজলভ্যতা না থাকার কারণে প্রতি মাসে মেয়েরা বাড়িতে থাকতে বাধ্য হয়।

 

এ জাতীয় আরও খবর

ডাকসুর সংগ্রহশালায় জিন্নাহর ছবি কেন, জানালেন জিএস ফরহাদ

শিশুদের সম্ভাবনা বিকশিত করতে মুক্ত পরিবেশ নিশ্চিতের আহ্বান জুবাইদা রহমানের

‘বৃত্তি-উপবৃত্তিতে সমতা নয়, প্রয়োজনের ভিত্তিতে অগ্রাধিকার’

রাজউকে দুদকের হানা

বীমা খাতে ৭ হাজার কোটি টাকার দাবি বকেয়া

অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দ্বারস্থ ৭ সাবেক অধিনায়ক

ট্রাম্পের সমঝোতার ঘোষণার পরই কিয়েভে পেট্রল স্টেশনে হামলা

এস কে সুরের স্ত্রীর দুই বছরের কারাদণ্ড

সাদ্দাম-ইনানসহ ৭ আসামির মৃত্যুদণ্ডের রায়ে ঢাবিতে মিষ্টি বিতরণ

সৎ থাকাটাই সবচেয়ে বড় অপরাধ: আসিফ মাহমুদ

পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির প্রভাবে সংকটে গরুর মাংসের বাজার

যেসব অভিযোগে ওবায়দুল কাদেরসহ সাতজনের মৃত্যুদণ্ড