বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ৮ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৫০ বছর ধরে প্রতিদিন বার্গার খাচ্ছেন তিনি

news-image

নিউজ ডেস্ক : চিকিৎসক আর পুষ্টিবিদদের মতে, জাংক ফুড খাওয়া উচিত নয়। এসব খাবার স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। তবে তাঁদের এমন পরামর্শ হয়তো ডোনাল্ড গোরস্কের সঙ্গে যায় না। তিনি বার্গার খেতে এতটাই পছন্দ করেন যে পাঁচ দশক ধরে প্রতিদিন প্রায় দুটো বার্গার সাবাড় করেছেন ডোনাল্ড।

এত এত বার্গার খেয়েও দিব্যি সুস্থ-সবল তিনি। এই কীর্তির জন্য ডোনাল্ড গোরস্কের নাম গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে উঠেছে। এমন অভ্যাসের কারণে তাঁকে ‘বার্গার কিং’ নামে ডাকা হয়।

গিনেসের ওয়েবসাইটের তথ্য, ডোনাল্ডের বাড়ি যুক্তরাষ্ট্রের মধ্য-পশ্চিমাঞ্চলীয় অঙ্গরাজ্য উইসকনসিনের ফন্ড দু ল্যাক শহরে। ম্যাকডোনাল্ডসের বার্গার তাঁর ভীষণ পছন্দ। ডোনাল্ডের ভাষায়, এই প্রতিষ্ঠানের বার্গার দুনিয়ায় সেরা। গত শতকের সত্তরের দশকের শুরুর দিক থেকে তিনি প্রতিদিন ম্যাকডোনাল্ডসের হামবার্গার খেতে শুরু করেন। এর পর থেকে গত ৫০ বছরে তিনি প্রতিদিন গড়ে দুটি বার্গার খেয়েছেন। জমিয়েছেন বার্গারের মোড়ক।

গত বছরের ২১ আগস্ট গিনেস বুকে নাম ওঠে ডোনাল্ডের। এতে বলা হয়, তিনি পাঁচ দশকে সব মিলিয়ে ৩২ হাজার ৩৪০টি বার্গার খেয়েছেন। তাঁর মতো এত বেশি বার্গার আর কেউ খাননি।

১৭ মে তিনি এই স্বীকৃতি ও বার্গার খাওয়া শুরুর ৫০ বছর উদ্‌যাপন করেছেন। এদিন তিনি নিজের শহরে ম্যাকডোনাল্ডসের শাখায় গিয়ে বার্গার খান। ১৯৭২ সালে এই শাখা থেকেই তিনি প্রতিদিন বার্গার খাওয়া শুরু করেছিলেন।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে ডোনাল্ড জানান, দিনে গড়ে দুটি বার্গার খেলেও অসুস্থ হননি তিনি। জীবনের বাকি দিনগুলোয় প্রতিদিন বার্গার খেতে চান তিনি।

এ জাতীয় আরও খবর

বিক্ষোভে গিয়ে আটক ‘ধুরন্ধর’ অভিনেত্রী আয়েশা খান

আন্দোলনে কাঁপছে দিল্লি, চাপের মুখে মোদি

তফসিল আগস্টে, প্রথম ধাপের ভোট অক্টোবরে : ইসি আনোয়ারুল

১২৮ দলের বিশ্বকাপও হতে পারে ভবিষ্যতে

নিট আন্দোলন: আলোচনার উদ্যোগ সরকারকেই নিতে হবে বলল সিজেপি

তাসনিম জারার তদন্তের দাবি, এমপি গাজী নজরুলের ভিডিও নিয়ে বিতর্ক

২০২৭ সালের হজে বেসরকারি ৩ প্যাকেজ, খরচ কত

টেক্সটাইল খাতের সমস্যা সমাধানে কমিটি গঠন

একনেকে ১৪ হাজার কোটি টাকার ৮ প্রকল্প অনুমোদন

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী নৌপ্রধানের সাক্ষাৎ

শিক্ষার্থী বিক্ষোভে উত্তাল ভারত, রাহুলের পাঁচ দাবি

আহমদ ছফার দেহাবশেষ স্থানান্তর হলো বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে