,

ব্রিজের কাজ শেষ না করেই ঠিকাদার লাপাত্তা, দুর্ভোগে এলাকাবাসী

news-image

মির্জাগঞ্জ(পটুয়াখালী)প্রতিনিধি : পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে ব্রিজের কাজ শেষ না করেই মেসার্স খান এন্টারপ্রাইজ নামের একটি ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান লাপাত্তা। উপজেলার বাজিতা গ্রামের মোল্লাবাড়ি সংলগ্ন চাপরখালী খালের উপর ৩ বছর যাবৎ অসমাপ্ত অবস্থায় পরে আছে ব্রিজটি।

এলাকাবাসির অভিযোগ, একদিকে বাইপাস সড়ক না থাকায় বাঁশের পাটাতনে ঝুঁকিতে যাতায়াত অপরদিকে পানি প্রবাহের বিকল্প ব্যবস্থা না রেখেই বাঁধ দিয়ে রাখায় ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে কৃষক তথা এলাকাবাসী।

সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স খান এন্টারপ্রাইজের স্বত্তাধিকারী মোঃ খলিলুর রহমান খানের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তার ভাষ্য, কাজটি বাতিল করে দিলেই তিনি খুশি হবেন।

সংশ্লিষ্ট দপ্তর পটুয়াখালী এলজিইডির জেলা নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ আনোয়ার হোসেন কাজের খোঁজখবরই রাখেন না। তিনি বলেন, ‘তিনি খোঁজখবর নিয়ে দেখবেন।’ তবে ঠিকাদার ওই কাজের অংশ বিশেষ অর্থও উত্তোলন করে নিয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

উপজেলা এলজিইডি সূত্রে জানা যায়, ২০১৯-২০ অর্থ বছরে গ্রামীন অবকাঠামো উন্নয়নে বরিশাল বিভাগের দক্ষিণ অঞ্চল আয়রণ ব্রিজের আওতায় মির্জাগঞ্জে ১৭ টি ব্রীজ নির্মাণের জন্য দরপত্র আহ্বান করে পটুয়াখালী এলজিইডি কর্তৃপক্ষ। এতে মির্জাগঞ্জ উপজেলার বাজিতা গ্রামের মোল্লাবাড়ি সংলগ্ন চাপরখালী খালের ওপর গার্ডার ব্রিজের নির্মাণ কাজটি পান বরগুনার বেতাগীর মেসার্স খান এন্টারপ্রাইজ নামের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান। ওই দরপত্রের বাকী ১৬টি ব্রিজের নির্মাণ কাজ শেষ হলেও এখনো অবহেলায় পরে রয়েছে এ ব্রিজটি। দরপত্রে উল্লেখিত ব্রিজের জন্য ১ কোটি ১০ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। নির্মাণ কাজ শেষ না করলেও সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে ম্যানেজ করে ইতোমধ্যে ৩৯ লাখ টাকা উত্তোলন করেছেন ঠিকাদার।

স্থানীয় বাসিন্দা মোঃ ইউনুচ মোল্লা ও ইউসুফ মোল্লা অভিযোগ করেন, ব্রিজটি নির্মাণের শুরুতেই নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করা হয়েছে। এলাকাবাসী বাধা দেওয়ায় নির্মাণ কাজের সময় কোন লোককে কাছে আসতে দেয়নি ঠিকাদারের লোকজন। ব্রিজের পাইল ৮০ ফুটের পরিবর্তে ২০ ফুট দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়াও ঢালাইয়ে পুরাতন ব্রিজের ইট সুর্কি ব্যবহার করেছে। চলাচলের জন্য বাইপাস সড়ক নির্মাণ না করায় বর্ষা মৌসুমে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে এলাকাবাসীর। পানির অভাবে কৃষি কাজ ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে।

নির্মাণ কাজের তদারকি কর্মকর্তা উপজেলা উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোঃ হুমায়ুন বলেন, প্রথমে তদারকিতে ছিলেন উপ-সহকারী মোঃ আবদুল জলিল। তার অবসরের পর আমাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। কী কারণে কাজ শেষ হয়নি তা বলতে পারছি না।

 

এ জাতীয় আরও খবর

নবীনগরে তিতাস-বুড়ি নদী দখলের অভিযোগ

আলোকিত সমাজ গঠনের প্রত্যয়ে নবীনগরে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস ২০২৬ পালিত

ধর্ম মন্ত্রণালয়ে কোনো মতবাদ প্রতিষ্ঠা করতে আসিনি

আপিল বিভাগে বাগবিতণ্ডা, এজলাস ছাড়লেন প্রধান বিচারপতি

ডেঙ্গু প্রতিরোধে তিন মাসের বিশেষ অভিযান

আবুল কালাম আযাদের আপিল শুনানি মুলতবি

ঢাকায়ও লোডশেডিং মেনে নিতে হবে: তথ্য উপদেষ্টা

শাহজালাল বিমানবন্দরের নাম বদলাবে না: বিমানমন্ত্রী

ইতালিতে বাঁধনের ওপর হামলা, পাশে থাকার বার্তা সারজিসের

সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় ৪ বাংলাদেশির মৃত্যু

সরকারি হারানো অস্ত্রের তথ্য দিলে পুরস্কার

বাংলাদেশের বিপক্ষে টেস্টের পর ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজ