,

রোজার ঈদের পরই হজ চুক্তির সম্ভাবনা,ব্যয় বাড়তে পারে : প্রতিমন্ত্রী

news-image

ইউসুফ আরেফিন
করোনা মহামারীর কারণে গত দুই বছর বড় পরিসরে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হয়নি। শুধু সৌদি নাগরিক ও দেশটিতে বসবাসরত প্রবাসীরা সংক্ষিপ্ত পরিসরে হজ পালনের সুযোগ পেয়েছেন। বিশ^ব্যাপী করোনার প্রকোপ কমায় এবছর সব দেশ থেকেই হজে যাওয়ার সুযোগ মিলতে পারে। সংক্রমণ আরও কমলে আসন্ন ঈদুল ফিতরের পরই বাংলাদেশসহ বিশে^র অন্যান্য দেশকে হজ চুক্তির আমন্ত্রণ জানাবে সৌদি কর্তৃপক্ষ। গত দুই বছর যারা নিবন্ধন করেও হজে যেতে পারেননি তারা এবার অগ্রাধিকার পাবেন। বাংলাদেশের ধর্ম মন্ত্রণালয় ও জেদ্দা হজ কাউন্সিলরের কার্যালয় সূত্রে এমন তথ্য মিলেছে।

ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ফরিদুল হক খান আমাদের সময়কে বলেন, হজ চুক্তি এতদিনে হয়ে যেত। চীনে করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট দেখা দেওয়ায় চুক্তি করতে দেরি হচ্ছে। আশা করছি রোজার ঈদের পরই এটি হবে। করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়লে সীমিত আকারেই হজ অনুষ্ঠিত হবে। আর বর্তমান পরিস্থিতি থাকলে স্বাভাবিক হজই হবে ইনশা আল্লাহ; কিন্তু সৌদি আরব এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে হজের বিষয়ে আমাদের কিছু বলেনি।

হজের ব্যয় বৃদ্ধির বিষয়ে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী বলেন, নানা কারণেই এবার বিমান ভাড়া বাড়বে। পাশাপাশি সৌদি আরবের মিনায় তাঁবুতে প্রত্যেক হাজির জন্য একটি করে খাট বসানো হয়েছে। এসব কারণে সৌদি সরকারের বিভিন্ন সার্ভিস চার্জ বাড়বে। ফলে এবার হজের খরচ অনেক বাড়তে পারে। হজ চুক্তির পরই খরচের বিষয়ে জানা যাবে। এ ছাড়া সৌদি এয়ারলাইন্সের পাশাপাশি হজযাত্রী পরিবহনে সৌদি আরবের আরও একটি এয়ারলাইন্সকে সুযোগ দেওয়া হতে পারে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।

হজ ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বাংলাদেশের কর্মকর্তারা জানান, চীনে ফের করোনার সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় দেশটির উত্তর-পূর্বের বিভিন্ন অঞ্চলে লক্ষাধিক বাড়িতে লকডাউন জারি করা হয়েছে। এই সংক্রমণকে গত দুই বছরের মধ্যে সবচেয়ে বড় প্রাদুর্ভাব বলা হচ্ছে। ফলে সৌদি সরকার চীনের পরিস্থিতি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে এলে কিংবা অন্য কোনো দেশে ছড়িয়ে না পড়লে সৌদি সরকার এবার বড় পরিসরেই হজের আয়োজন করবে। সে হিসাবে রোজার ঈদের পর পর তাদের চ‚ড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে হবে। হজের আয়োজন হলে বাংলাদেশ থেকে কত জন সৌদি যেতে পারবেন তা হজ চুক্তির মাধ্যমে জানা যাবে। সব মিলিয়ে চুক্তির জন্য সরকারকে এক থেকে দেড় মাস অপেক্ষা করতে হচ্ছে।

হজ প্যাকেজ

২০২০ সালে সর্বশেষ সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনার হজযাত্রীদের জন্য হজ প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়। বেসরকারি ব্যবস্থাপনার হজযাত্রীদের জন্য ?সাধারণ ও ইকোনমি নামে দুটি প্যাকেজ করা হয়। কোরবানি ছাড়া সাধারণ প্যাকেজে পবিত্র হজ পালনে খরচ ধরা হয় তিন লাখ ৬১ হাজার ৮০০ টাকা। ইকোনমি প্যাকেজের মূল্য তিন লাখ ১৭ হাজার টাকা। সরকারি ব্যবস্থাপনায় তিনটি হজ প্যাকেজের প্রথমটির খরচ ছিল চার লাখ ২৫ হাজার টাকা, দ্বিতীয় প্যাকেজে তিন লাখ ৬০ হাজার টাকা এবং তৃতীয় প্যাকেজে তিন লাখ ১৫ হাজার টাকা।

হজে যেতে হলে অবশ্যই করোনা ভাইরাসের দুই ডোজ টিকা নিতে হবে। গত বছরই টিকা বাধ্যতামূলক করে সৌদি আরব। গত বছরের মার্চে বাংলাদেশের ধর্ম মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়ে বলা হয়, হজে যাওয়ার আগাম প্রস্তুতি হিসেবে করোনার টিকা নিতে হবে। টিকা কার্ডে ট্র্যাকিং নম্বর, নাম, জন্মতারিখ, বাবার নাম, মায়ের নাম, জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর, বর্তমান ঠিকানা, স্থায়ী ঠিকানা, লিঙ্গ, মোবাইল ফোন নম্বর, হজ লাইসেন্স নম্বর, এজেন্সির নাম ইত্যাদি তথ্য থাকতে হবে।

 

এ জাতীয় আরও খবর

বিদায়ি বক্তব্যে কাঁদলেন মির্জা ফখরুল

গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ১৪ কার্গো এলএনজি কিনবে সরকার

১২ জেলায় ঝড়ো হাওয়ার সতর্কতা

ময়মনসিংহে এনসিসি ব্যাংকের স্টুডেন্ট ব্যাংকিং ক্যাম্পেইন ও বৃক্ষবিতরণ অনুষ্ঠিত

বিএসইসির ১৭ কর্মকর্তা বাধ্যতামূলক অবসরে

অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশকে ঘিরে বাড়ছে আগ্রহ

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেকের সভা

জিয়া-খালেদার সমাধিতে বিএনপির নতুন ৪ নেতার শ্রদ্ধা

সমাজের সবাই এগিয়ে এলে বড় সমস্যার সমাধান সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী

ইসলামি ব্যাংকগুলোর আমানতে বড় পতন

রাষ্ট্রপতি হলেও জনগণের পাশে থেকে সেবা করতে চাই: মির্জা ফখরুল

গর্ভাবস্থার প্রথম তিন মাসে যা করবেন, যা করবেন না