,

ছুটির দিনে স্বস্তির ঢাকা

news-image
নিউজ ডেস্ক : রাজধানীতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার পর গত কয়েকদিন হঠাৎ বেড়ে গিয়েছিল তীব্র যানজট। কিন্তু মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের ছুটিতে আগের তুলনায় শনিবার রাজধানীর চিত্র সম্পূর্ণ উল্টো।

রাস্তায় গণপরিবহানের আনাগোনা কম। নেই গত কয়েকদিনের জনস্রোত। সবখানেই ঢিলেঢালা ভাব। ফুটপাত-বাসে মানুষের গাদাগাদি নেই। পথে পথে নেই জটলা। দুই দিনের ছুটিতে ইট-সুড়কির নগরীর রাজপথ এখন বেশ ফাঁকা।

মূলত গণপরিবহনসহ ছোট-বড় বাস, মোটরসাইকেল, অটোরিকশা, ব্যাটারিচালিত রিকশার কারণে বেশি যানজট তৈরি হয়। এছাড়া ফুটপাতের হাঁটতে গিয়ে ভোগান্তির শিকার হয় পথচারীরা। জ্যামের জন্য একঘণ্টার রাস্তা কখনো কখনো দুই থেকে আড়াই ঘণ্টাও লেগে যায়। সে দৃশ্য আজ প্রায় হাওয়া।

মূলত গণপরিবহনসহ ছোট-বড় বাস, মোটরসাইকেল, অটোরিকশা, ব্যাটারিচালিত রিকশার কারণে বেশি যানজট তৈরি হয়। এছাড়া ফুটপাতের হাঁটতে গিয়ে ভোগান্তির শিকার হয় পথচারীরা। জ্যামের জন্য একঘণ্টার রাস্তা কখনো কখনো দুই থেকে আড়াই ঘণ্টাও লেগে যায়। সে দৃশ্য আজ প্রায় হাওয়া।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ কমে আসার সঙ্গে সঙ্গে বেশ কিছুদিন ধরে অনেকটাই স্বরূপে ফিরেছে ইট-পাথরের যান্ত্রিক নগরী রাজধানী ঢাকা। জীবন-জীবিকার তাগিদে কাকডাকা ভোর থেকেই ব্যস্ত হয়ে পড়েন নগরবাসী। তাদের কেউ অফিস, কেউ ব্যবসা আবার কেউবা ভিন্ন পেশার প্রয়োজনে গন্তব্যে ছুটেন।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ কমে আসার সঙ্গে সঙ্গে বেশ কিছুদিন ধরে অনেকটাই স্বরূপে ফিরেছে ইট-পাথরের যান্ত্রিক নগরী রাজধানী ঢাকা। জীবন-জীবিকার তাগিদে কাকডাকা ভোর থেকেই ব্যস্ত হয়ে পড়েন নগরবাসী। তাদের কেউ অফিস, কেউ ব্যবসা আবার কেউবা ভিন্ন পেশার প্রয়োজনে গন্তব্যে ছুটেন।

সরেজমিন রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে— রাস্তাঘাটে ছুটে চলা হাজারো মানুষের কোলাহল নেই। নেই যানজটে আটকে থাকা গণপরিবহনের চিত্র। বেশিরভাগ সড়কে ফ্রি মুডে দেখা যায় যানজট নিয়ন্ত্রণে দায়িত্বরত ট্রাফিক পুলিশ ও সার্জেন্টদের।

রাস্তায় স্বল্পসংখ্যক যানবাহন দ্রুতবেগে গন্তব্য ছুটতে দেখা যায়। রাজধানীর প্রাণকেন্দ্র সচিবালয়, গুলিস্তান, পুরানা পল্টন ও প্রেস ক্লাব এলাকা যেখানে প্রতিদিন যানজট লেগেই থাকে সেখানে অনেকটাই সুনসান নিরবতা বিরাজ করছে।

অন্যান্য বছর সকাল থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস বিশেষ করে টিএসসি এলাকা অসংখ্য মানুষের উপস্থিতিতে সরগরম থাকলেও শনিবার দুপুর নাগাদ তেমন উপস্থিতি দেখা যায়নি। অন্যান্য বছরের মতো মাইকযোগে বঙ্গবন্ধুর ভাষণও বাজতে দেখা যায়নি। সরকারি ছুটির কারণে প্রায় সব মার্কেট, বিপণিবিতান, শপিংমল ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকতে দেখা যায়।

শাহবাগ এলাকায় বেসরকারি চাকরিজীবী রাজধানীর মিরপুরের বাসিন্দা মঈনউদ্দিন বলেন, অন্যান্য দিন ভোরে ওঠে গন্তব্যে পৌঁছানোর জন্য বাসে উঠতে রীতিমতো যুদ্ধ করতে হয়। যানজটের কারণে প্রায়দিনই সময়মতো অফিসে যায় না। কিন্তু আজ মাত্র ২০ মিনিটে চলে এসেছি। আহারে ঢাকা শহরে সারা বছর যদি এমনভাবে চলাচল করা সম্ভব হতো, কতইনা ভালো হতো।

এ জাতীয় আরও খবর

ডাকসুর সংগ্রহশালায় জিন্নাহর ছবি কেন, জানালেন জিএস ফরহাদ

শিশুদের সম্ভাবনা বিকশিত করতে মুক্ত পরিবেশ নিশ্চিতের আহ্বান জুবাইদা রহমানের

‘বৃত্তি-উপবৃত্তিতে সমতা নয়, প্রয়োজনের ভিত্তিতে অগ্রাধিকার’

রাজউকে দুদকের হানা

বীমা খাতে ৭ হাজার কোটি টাকার দাবি বকেয়া

অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দ্বারস্থ ৭ সাবেক অধিনায়ক

ট্রাম্পের সমঝোতার ঘোষণার পরই কিয়েভে পেট্রল স্টেশনে হামলা

এস কে সুরের স্ত্রীর দুই বছরের কারাদণ্ড

সাদ্দাম-ইনানসহ ৭ আসামির মৃত্যুদণ্ডের রায়ে ঢাবিতে মিষ্টি বিতরণ

সৎ থাকাটাই সবচেয়ে বড় অপরাধ: আসিফ মাহমুদ

পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির প্রভাবে সংকটে গরুর মাংসের বাজার

যেসব অভিযোগে ওবায়দুল কাদেরসহ সাতজনের মৃত্যুদণ্ড