,

‘পশ্চিমাদের সঙ্গে জ্বালানি বাণিজ্যে রুবলের বিকল্প ছিলো না’

news-image

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : রাশিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট দিমিত্রি মেদভেদেব বলেছেন, পশ্চিমা দেশগুলোর আরোপিত নিষেধাজ্ঞার প্রেক্ষাপটে তাদের সঙ্গে জ্বালানি বাণিজ্য চালিয়ে যেতে জাতীয় মুদ্রা রুবলের ব্যবহার ছাড়া আর কোনো বিকল্প পথ রাশিয়ার সামনে খোলা ছিল না।

বৃহস্পতিবার রুশ সংবাদমাধ্যম আরটি এবং বার্তাসংস্থা রিয়া নভস্তির সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

২০০৮ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট থাকা মেদভেদেব বর্তমানে দেশটির নিরাপত্তা কাউন্সিলের ডেপুটি চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

তিনি বলেন, পশ্চিমা ক্রেতাদের কাছে রুবলের বিনিময়ে জ্বালানি বাণিজ্য চালুর যে সিদ্ধান্ত পুতিন (রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন) নিয়েছেন, তা একেবারে সঠিক। এটা ছাড়া মস্কোর কাছে আর কোনো পথ খোলা ছিল না।

রুশ এ রাজনীতিক বলেন, ‘তারা আমাদের কমার্শিয়াল ব্যাংকগুলোর ব্যাবসায়িক অ্যাকাউন্টগুলো বন্ধ করে দিয়েছে, ডলার ও ইউরোকে মাধ্যম নির্ধারণ করে লেনদেন অসম্ভব করে তুলেছে; সুইফটের নিষেধাজ্ঞা তালিকায় আমাদের ব্যাংকগুলোকে অন্তর্ভূক্ত করেছে। তাহলে তারা কী ভাবছে যা আমরা করতে যাচ্ছি?’

এর আগে বুধবার প্রেসিডেন্ট পুতিন বলেন, রাশিয়া তার ‘অবন্ধু দেশ’গুলোর কাছে ডলারের পরিবর্তে রুবলের (রুশ মুদ্রা) বিনিময়ে এ গ্যাস বিক্রি করবে।

এ ঘোষণার জেরে বুধবার রাশিয়ায় ডলারের তুলনায় রুবলের মূল্য তিন সপ্তাহের মধ্যে বেড়ে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছায়। পুতিন সরকারের এ ধরনের পদক্ষেপ কার্যকর হলে রুশ মুদ্রার মূল্য আরও বাড়তে পারে।

ইউক্রেনে আগ্রাসনের জেরে যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের অনেক দেশ রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। যুক্তরাষ্ট্র রাশিয়া থেকে অপরিশোধিত তেল আমদানি বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে।

তবে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) এখনও রাশিয়া থেকে রপ্তানিকৃত জ্বালানির ওপর নির্ভরশীল। তারা রাশিয়ার ওপর জ্বালানি নিষেধাজ্ঞা আরোপ থেকে এখন পর্যন্ত বিরত থেকেছে।

রাশিয়া থেকে গ্যাস ক্রয় করছে জার্মানি। নর্ড স্ট্রিম ১ পাইপলাইনের মাধ্যমে জার্মানিতে এ গ্যাস যাচ্ছে। তবে ইউক্রেন আগ্রাসনের জেরে নর্ড স্ট্রিম ২ গ্যাস পাইপলাইনের কার্যক্রম স্থগিত রয়েছে।

গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে সামরিক আগ্রাসন শুরু করে রাশিয়া। দেশটির রাজধানী কিয়েভসহ বিভিন্ন শহরে গোলা ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা শুরু করে রুশ বাহিনী।

যুদ্ধে দুই পক্ষেরই ব্যাপক প্রাণহানির খবর পাওয়া যাচ্ছে। জাতিসংঘ বলছে, যুদ্ধের কারণে ইতোমধ্যে ইউক্রেন ছেড়ে অন্য দেশে আশ্রয় নিয়েছেন ৩৫ লাখেরও বেশি মানুষ।

সূত্র জানায়, রাশিয়ার সীমান্তবর্তী ইউক্রেনের শহরগুলো ঘিরে রেখেছে রুশ সামরিক বাহিনী; হামলা চলছে ইউক্রেনের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর খারকিভেও।

ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভের পাশে অবস্থান করছে রুশ বাহিনীর ৪০ মাইল দীর্ঘ একটি বহর। তারা যে কোনো সময় শহরটিতে হামলা চালাতে পারে।

রাশিয়ার গোলা ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় খারকিভ, মারিওপল শহরে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ও প্রাণহানির খবর পাওয়া যাচ্ছে।

 

এ জাতীয় আরও খবর

ডাকসুর সংগ্রহশালায় জিন্নাহর ছবি কেন, জানালেন জিএস ফরহাদ

শিশুদের সম্ভাবনা বিকশিত করতে মুক্ত পরিবেশ নিশ্চিতের আহ্বান জুবাইদা রহমানের

‘বৃত্তি-উপবৃত্তিতে সমতা নয়, প্রয়োজনের ভিত্তিতে অগ্রাধিকার’

রাজউকে দুদকের হানা

বীমা খাতে ৭ হাজার কোটি টাকার দাবি বকেয়া

অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দ্বারস্থ ৭ সাবেক অধিনায়ক

ট্রাম্পের সমঝোতার ঘোষণার পরই কিয়েভে পেট্রল স্টেশনে হামলা

এস কে সুরের স্ত্রীর দুই বছরের কারাদণ্ড

সাদ্দাম-ইনানসহ ৭ আসামির মৃত্যুদণ্ডের রায়ে ঢাবিতে মিষ্টি বিতরণ

সৎ থাকাটাই সবচেয়ে বড় অপরাধ: আসিফ মাহমুদ

পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির প্রভাবে সংকটে গরুর মাংসের বাজার

যেসব অভিযোগে ওবায়দুল কাদেরসহ সাতজনের মৃত্যুদণ্ড