,

রাজস্ব আয় বাড়াতে ২ প্রস্তাব সিগারেট উৎপাদনকারীদের

news-image

চট্টগ্রাম ব্যুরো : দেশে সিগারেট উৎপাদনকারীদের পক্ষ থেকে দুুটি প্রস্তাবনা দেওয়া হয়েছে। প্রস্তাবনা দুটি বাস্তবায়ন হলে রাজস্ব আদায় বৃদ্ধি পাবে বলে মনে করেন এ খাতের ব্যবসায়ীরা।

জানা গেছে, চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ (সিসিসিআই) আয়োজিত প্রাক-বাজেট আলোচনায় প্রস্তাবনা দুটি উপস্থাপন করা হয়। আগ্রাবাদের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের বঙ্গবন্ধু কনফারেন্স হলে লোকালি সিগারেট ম্যানুফেকচারার মালিক সমিতির পক্ষে আবদুল আউয়াল মোহন প্রস্তাবনা তুলে ধরেন।

চেম্বার সভাপতি মাহবুবুল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের সচিব ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম। এনবিআর সদস্য (কাস্টমসনীতি) মো. মাসুদ সাদিক, সদস্য (আয়কর নীতি) সামস উদ্দিন আহমদ, সদস্য (মূসক নীতি) জাকিয়া সুলতানাও উপস্থিত ছিলেন।

প্রস্তাবনা দুটি হলো- ২০১৭-১৮ অর্থবছরে নিম্নস্তরে মূল্য বিভাজনসংক্রান্ত পদক্ষেপ অনুযায়ী দেশি ও আন্তর্জাতিক সিগারেটের প্রতি শলাকার দামের মধ্যে ন্যূনতম ১ টাকা পার্থক্য রাখা; অর্থাৎ প্রতি ১০ শলাকার দেশি সিগারেটের মূল্য ৩৯ ও আন্তর্জাতিক সিগারেটের দাম ৪৯ টাকা নির্ধারণ। অথবা ২০১৮-১৯ অর্থবছরের অনুমোদিত বাজেট অনুযায়ী বর্তমানে বাজারে নিম্নস্তরে বিদেশি কোম্পানির বাজারজাতকৃত আন্তর্জাতিক সিগারেটের ব্র্যান্ড মধ্যস্তরে উন্নীত করে নিম্নস্তর শুধু দেশি কোম্পানির দেশি সিগারেটের জন্য সংরক্ষিত রাখা। এর মধ্যে যে কোনো একটি প্রস্তাব বাস্তবায়িত হলে, সরকারের রাজস্ব আদায় বর্তমান বছরের তুলনায় ২২ থেকে ৩৮ শতাংশ পর্যন্ত বাড়বে।

আবদুল আউয়াল মোহন বলেন, তামাক ব্যবসার মাধ্যমে বর্তমানে এ দেশের অনেক বৃহৎ ও নামকরা শিল্পগোষ্ঠীর উত্থান। সিগারেট খাত এ তামাক ব্যবসার একটি অংশ। সিগারেট খাতে ২০০৩ পূর্ববর্তী সময়ে অরাজক ও বিশৃঙ্খল অবস্থা ছিল। তখন এই খাতে শৃঙ্খলা আনতে ২০০৩ সালে স্ল্যাবপ্রথা প্রবর্তন করে নিম্নস্তর দেশি কোম্পানির জন্য সংরক্ষিত রাখা হয়। এনবিআরের উপস্থিতিতে সিগারেট মালিকদের মধ্যে এটি একটি অলিখিত সমঝোতা ছিল। তখন নিম্ন স্ল্যাবে দেশি কোম্পানির বাজার হিস্যা শতভাগ ছিল।

বর্তমান সিগারেট খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা, সরকারের রাজস্ব আদায় নিশ্চিতকরণ এবং দেশি শিল্পগুলোকে বাঁচিয়ে রাখতে ২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেটে প্রস্তাবনা দুটি বিবেচনার আহ্বান জানান আবদুল আউয়াল।

 

এ জাতীয় আরও খবর

ডাকসুর সংগ্রহশালায় জিন্নাহর ছবি কেন, জানালেন জিএস ফরহাদ

শিশুদের সম্ভাবনা বিকশিত করতে মুক্ত পরিবেশ নিশ্চিতের আহ্বান জুবাইদা রহমানের

‘বৃত্তি-উপবৃত্তিতে সমতা নয়, প্রয়োজনের ভিত্তিতে অগ্রাধিকার’

রাজউকে দুদকের হানা

বীমা খাতে ৭ হাজার কোটি টাকার দাবি বকেয়া

অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দ্বারস্থ ৭ সাবেক অধিনায়ক

ট্রাম্পের সমঝোতার ঘোষণার পরই কিয়েভে পেট্রল স্টেশনে হামলা

এস কে সুরের স্ত্রীর দুই বছরের কারাদণ্ড

সাদ্দাম-ইনানসহ ৭ আসামির মৃত্যুদণ্ডের রায়ে ঢাবিতে মিষ্টি বিতরণ

সৎ থাকাটাই সবচেয়ে বড় অপরাধ: আসিফ মাহমুদ

পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির প্রভাবে সংকটে গরুর মাংসের বাজার

যেসব অভিযোগে ওবায়দুল কাদেরসহ সাতজনের মৃত্যুদণ্ড