,

সন্ধ্যায় বিএনপির যৌথসভা, দুই-একদিনের মধ্যে কর্মসূচি ঘোষণা

news-image

নিজস্ব প্রতিবেদক : স্থায়ী কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আজ বুধবার সন্ধ্যা ৭টায় গুলশানে চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের যৌথ সভা ডাকা হয়েছে। কৃষক দলের একজন শীর্ষ নেতা দৈনিক আমাদের সময়কে যৌথসভার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এতে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর উপস্থিত থাকবেন।

সভায় ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপি এবং অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের শীর্ষ নেতাদের থাকতে বলা হয়েছে। তাদের মতামত ও প্রস্তুতি জেনে আগামী দু’একদিনের মধ্যে কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে গুলশান কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে।

করোনা বিধি-নিষেধ প্রত্যাহার হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে আবার রাজপথের আন্দোলন সক্রিয় করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে গতকাল মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটি। আগামী সপ্তাহে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে একগুচ্ছ কর্মসূচি নিয়ে মাঠে নামবে দলটি। এরপরই বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার উন্নত চিকিৎসা ও মুক্তির দাবিতে স্থগিত জেলাভিত্তিক সমাবেশ শুরু হবে। গতকাল স্থায়ী কমিটির ভার্চুয়াল সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়েছে। রাত ৮টা থেকে বৈঠক শুরু হয়ে প্রায় দুই ঘণ্টা চলে।

জানতে চাইলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দলের স্থায়ী কমিটির একজন সদস্য টেলিফোনে বলেন, দ্রব্যমূলের ঊর্ধ্বগতিতে নিয়মতান্ত্রিক কর্মসূচি দিতে চান তারা। কিন্তু সরকার বাধা দিলে কিংবা নতুন করে কোনো পণ্য কিংবা অন্য কিছু দাম বাড়ালে শক্ত কর্মসূচিও দেওয়ার চিন্তা-ভাবনা আছে।

জানা গেছে, করোনাভাইরাসের সংক্রমণের ঊর্দ্ধগতির পরিপ্রেক্ষিতে উন্মুক্ত স্থানে সভা-সমাবেশ করার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে সরকার। এরই পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৪ জানুয়ারি খালেদা জিয়ার মুক্তি ও বিদেশে উন্নত চিকিৎসার দাবিতে পূর্বঘোষিত কর্মসূচি পুননির্ধারণ করার কথা জানিয়ে দলটি এক সংবাদ সম্মেলন করে। সেখানে বলা হয়, বিএনপি ও অঙ্গ দলসমূহের সব কেন্দ্রীয়, মহানগর ও জেলার নেতাদেরকে সভা-সমাবেশের পরবর্তী তারিখ জানিয়ে দেওয়া হবে।

এর আগে খালেদা জিয়ার মুক্তি ও বিদেশে উন্নত চিকিৎসার দাবিতে গত ২২ ডিসেম্বর থেকে ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত জেলা পর্যায়ের প্রথম ধাপে সাংগঠনিক ২৩ জেলায় সমাবেশ করে বিএনপি। এরপর দ্বিতীয় দফায় ৩৯ জেলায় সমাবেশ করার ঘোষণা দেয়। এর মধ্যে আটটি জেলায় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। বাকি ৩২ জেলার সমাবেশের তারিখ পুননির্ধারণ করার সিদ্ধান্ত নেয় বিএনপি। এসব জেলায় নতুন করে দিন তারিখ ঠিক করে কর্মসূচি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে অনুষ্ঠিত স্থায়ী কমিটির বৈঠক।