,

ডিভোর্সের টাকাই কাল হলো বৃষ্টির

news-image

নিজস্ব প্রতিবেদন : আগের স্বামীর কাছ থেকে বিচ্ছেদের সময় পাওয়া অর্থ আত্মসাতকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট পারিবারিক কলহের জেরে কিশোরগঞ্জের তাড়াইলের মেয়ে বৃষ্টি আক্তারকে (২৩) হত্যা করেন তার দ্বিতীয় স্বামী আসাদুল ইসলাম (২৬)।

সোমবার দুপুরে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র‌্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান র‌্যাব-৪ এর অধিনায়ক (সিও) অতিরিক্ত ডিআইজি মোজাম্মেল হক।

তিনি বলেন, ২০১২ সালে বৃষ্টির প্রথম বিয়ে হয়। ২০১৯ সালে প্রথম স্বামী অন্য এক নারীকে বিয়ে করলে বৃষ্টির সঙ্গে দাম্পত্য কলহ শুরু হয়। একপর্যায়ে প্রথম স্বামী বৃষ্টিকে তালাক দেন।

এর পর ওই পক্ষের চার ও ছয় বছর বয়সী দুই মেয়েকে বোনের কাছে রেখে গাজীপুরে গার্মেন্টেসে চাকরি নেন তিনি। সেখানেই পরিচয় হয় আসাদুল ইসলামের সঙ্গে। আসাদুল বৃষ্টির আগের স্বামী থেকে ডিভোর্স বাবদ পাওয়া টাকা আত্মসাতে সুসম্পর্ক গড়ে তোলে এবং একপর্যায়ে ভিকটিমকে বিভিন্নভাবে প্রলোভন দেখিয়ে ২০২০ সালে ১ লাখ টাকা যৌতুক নিয়ে বৃষ্টিকে বিয়ে করে।

মোজাম্মেল হক বলেন, বিয়ের আগে আসাদুল বৃষ্টির প্রতি অনেক যত্নশীল ছিল এবং তার প্রতি সহমর্মিতা দেখাত। কিন্তু বিয়ের পরপরই তার রূপ বদলে যায়। বৃষ্টির আগের স্বামীর সঙ্গে ডিভোর্সের পর পাওয়া অর্থ এবং মাসিক বেতন নিজের কব্জায় নিতে চান আসাদুল। এ নিয়ে তাদের মাঝে মাঝেই কলহ হতো।

র‌্যাব-৪ এর অধিনায়ক (সিও) অতিরিক্ত ডিআইজি মোজাম্মেল হক আরও বলেন, তারা গাজীপুর থেকে আশুলিয়ায় এসে একটি গার্মেন্টেসে চাকরি নিয়ে গার্মেন্টসের কাছে বাসা ভাড়া নেয়। তারা দুজনেই একই মোবাইল ব্যবহার করতেন এবং তাদের বেতনের টাকা সেই মোবাইলেই আসত। বৃষ্টি সেখানে বেতন পেত ১৮ হাজার টাকা। আর আসাদুল বেতন পেত ১২ হাজার টাকা। বৃষ্টির সেই বেতনের ১৮ হাজার টাকা আসাদুল নিজেই তুলতেন। বৃষ্টিকে কোনো টাকা দিতেন না। এছাড়া অন্য নারীর সঙ্গেও সম্পর্ক গড়ে ওঠে আসাদুলের।

মোজাম্মেল হক বলেন, এর নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে ১৩ জানুয়ারি রাতে বৃষ্টিকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন আসাদুল। গত ১৫ জানুয়ারি দুপুরে আশুলিয়ার কাঠগড়া সরকারবাড়ী এলাকার একটি ভাড়া বাড়ির একটি কক্ষ থেকে বৃষ্টির মরদেহ উদ্ধার করে আশুলিয়া থানা পুলিশ।

এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট ঘটনায় ওই দিন রাতেই আসাদুলসহ অজ্ঞাত কয়েকজনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা করা হয়। ওই ঘটনায় র‌্যাব-৪ এর একটি গোয়েন্দা দল পুলিশের পাশাপাশি ছায়া তদন্ত শুরু করে। ওই তদন্তে এসব তথ্য জানা যায় বলে মোজাম্মেল হক জানিয়েছেন।

মোজাম্মেল হক বলেন, এই ঘটনায় মূল অভিযুক্ত আসাদুলকে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে বৃষ্টিকে হত্যার বিষয়টি স্বীকার করেছে স্বীকারও করেছেন তিনি।

এ জাতীয় আরও খবর

বিদায়ি বক্তব্যে কাঁদলেন মির্জা ফখরুল

গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ১৪ কার্গো এলএনজি কিনবে সরকার

১২ জেলায় ঝড়ো হাওয়ার সতর্কতা

ময়মনসিংহে এনসিসি ব্যাংকের স্টুডেন্ট ব্যাংকিং ক্যাম্পেইন ও বৃক্ষবিতরণ অনুষ্ঠিত

বিএসইসির ১৭ কর্মকর্তা বাধ্যতামূলক অবসরে

অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশকে ঘিরে বাড়ছে আগ্রহ

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেকের সভা

জিয়া-খালেদার সমাধিতে বিএনপির নতুন ৪ নেতার শ্রদ্ধা

সমাজের সবাই এগিয়ে এলে বড় সমস্যার সমাধান সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী

ইসলামি ব্যাংকগুলোর আমানতে বড় পতন

রাষ্ট্রপতি হলেও জনগণের পাশে থেকে সেবা করতে চাই: মির্জা ফখরুল

গর্ভাবস্থার প্রথম তিন মাসে যা করবেন, যা করবেন না