,

শিমুকে নিয়ে লিখলেন তার ব্যবসা সফল সিনেমার কাহিনীকার

news-image

বিনোদন প্রতিবেদক : কাজী হায়াতের ‘বর্তমান’ সিনেমা দিয়ে ১৯৯৮ সালে রুপালি পর্দায় পা রাখেন রাইমা ইসলাম শিমু। এরপর একে একে কাজ করেছেন ২৩টির মতো সিনেমায়। নাম লিখেছেন নাটকেও। হয়তো নিজেকে আরও ভালোভাবে মেলে ধরার সুযোগ ছিল তার। কিন্তু অকালেই চলে যেতে হলো এই অভিনেত্রীকে। নির্মম হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন তিনি।

শিমু অভিনীত ব্যবসা সফল সিনেমাগুলোর একটি ‘জামাই শ্বশুর’। চিত্রনায়ক রিয়াজ আহমেদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ একটি চরিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। আবদুল্লাহ জহির বাবুর গল্পে শাহাদাৎ খান পরিচালিত একই সিনেমায় আরও অভিনয় করেছিলেন চিত্রনায়িকা পূর্ণিমা, শক্তিমান অভিনেতা এটিএম শামসুজ্জামান, খল-অভিনেতা ওয়াসীমুল বারী রাজীবসহ অনেকে। এতে পূর্ণিমার বোনের চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা যায় শিমুকে।

‘জামাই শ্বশুর’ সিনেমায় কীভাবে যুক্ত হয়েছিলেন শিমু, ফেসবুকে সে ঘটনা তুলে ধরেছেন এর কাহিনীকার আবদুল্লাহ জহির বাবু। তিনি লিখেছেন, ‘ছায়াছবির জন্য একজন শিল্পী প্রয়োজন যিনি পূর্ণিমার বড় বোনের চরিত্রে অভিনয় করবেন। তখনই হঠাৎ আমার রাইমা ইসলাম শিমুর কথা মনে পড়ে। পরিচয় হয়েছিল স্বপন চৌধুরী স্যারের অফিসে। ওনার কথা শুধুমাত্র মনে ছিল, ওর মন খোলা হাসি আর অসাধারণ ব্যবহারের জন্য। আমার বাসার সামনে রামপুরা এলাকায় থাকতেন। ডাকলাম তাকে, প্রযোজক ফরহাদ ভাই আর পরিচালক শাহাদাত ভাই দেখে এক নজরে নির্বাচিত করলেন শিমুকে।’

তিনি আরও লেখেন, ‘কয়েকদিনের মধ্যে দিনাজপুরে আউটডোর শুটিংয়ে গেল ইউনিট, দুর্দান্ত কাজ করলেন শিমু। তারপর অনেক দিনের গ্যাপ। যোগাযোগ ছিল না। ২০১৭ সালে ‘বঙ্গ’তে নাটক সংগ্রহ করতে গিয়ে পরিচালক বিইউ শুভের সরবরাহ করা নাটকে দেখলাম পরিচালক হিসেবে শিমুর নাম। সঙ্গে সঙ্গে ফোন, উচ্ছ্বসিত হয়ে জানাল, সে এখন ভালো আছে। কাজ করছে এটিএন বাংলায়। নাটক প্রযোজনা করছে। স্বামী দুই সন্তান নিয়ে খুব সুখী।’

দুঃখ প্রকাশ করে বাবু লেখেন, ‘হায়রে সুখ… নিজের দুঃখটাকে সবসময় লুকিয়েছে মেয়েটা। শুধু একটু সুখের আশায়। আল্লাহ তাআলার কাছে প্রার্থনা, শিমুর সমস্ত জাগতিক ভুলত্রুটি ক্ষমা করে, তার আত্মাকে শান্তি দিন। তাকে বেহেশত নাসীব করুন। নিশ্চয়ই আপনি ক্ষমাশীল ও পরম করুণাময়।’

উল্লেখ্য, গত সোমবার কেরানীগঞ্জ থেকে বস্তাবন্দি শিমুর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিশ জানায়, পারিবারিক ও দাম্পত্য কলহের কারণে শিমুকে হত্যা করেছে তার স্বামী শাখাওয়াত আলী নোবেল। এরপর শিমুর লাশ টুকরো টুকরো করে বস্তায় ভরে গুম করতে সহায়তা করেছেন নোবেলের বন্ধু ফরহাদ।

এ জাতীয় আরও খবর

ডেঙ্গু রোধে জনসচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান ডা. রফিকুল ইসলামের

হাইতিতে জাতিসংঘ মিশনে যাচ্ছে সেনাবাহিনীর ৫০ সদস্যের দল

ক্যাম্পাসে গণতন্ত্র দমনের অভিযোগ বিএনপি-ছাত্রদলের বিরুদ্ধে: ডাকসু জিএস

মালয়েশিয়ায় কর্মী নিয়োগ শুরু, অনুমোদিত এজেন্সির মাধ্যমে যাওয়ার সুযোগ

ডেঙ্গুতে এক দিনে আরও ১০ জনের মৃত্যু

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কমিটি গঠন স্থগিত

যুব উন্নয়নের নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁস, গ্রেপ্তার ৫

ক্রিকেটারদের ৮ লাগেজ চুরি, আটক ৪

সাজেকে অবরোধ স্থগিত, পর্যটকদের জন্য খুলল সব কেন্দ্র

শিল্পে গ্যাস সংযোগের অগ্রাধিকার ঠিক করতে কমিটি গঠন

স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানে কেনাকাটা ও দরপত্র বন্ধের নির্দেশ

গাজীপুরে পুলিশ ফাঁড়িতে হামলা, আহত ২ সদস্য