,

মানবাধিকার নিয়ে উদ্বেগ কমেনি

news-image

নিজস্ব প্রতিবেদক : আজ বিশ্ব মানবাধিকার দিবস। দিনটির এবারের প্রতিপাদ্য বিষয়- ‘অসাম্য দূর করো, মানবাধিকার সুরক্ষা করো’। নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে আজ দিবসটি পালন করা হবে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায় থেকে। মানবাধিকারকর্মীরা বলছেন, চলতি বছরেও বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ কমেনি। বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বছরের শুরুর দিনগুলোতে কম থাকলেও শেষ দিকে এসে আবারও বেড়েছে। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলাসহ বেড়েছে স্থানীয় নির্বাচনে হত্যাকা- ও নারীর প্রতি সহিংসতাও। নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকারের ক্ষেত্রে আশানুরূপ কোনো অগ্রগতি দেখা যাচ্ছে না। কোভিডকালীন অনেক ক্ষেত্রে মানবাধিকারের অবনতি হচ্ছে।

তবে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, অনেক দেশের চেয়ে বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি ভালো অবস্থানে রয়েছে। মানবাধিকার সমুন্নত রেখেই দেশকে সর্বক্ষেত্রে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার কাজ চলছে। গত জুলাই মাসে যুক্তরাজ্যের বার্ষিক মানবাধিকার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে করোনা মোকাবিলা নিয়ে সরকারের সমালোচনা ঠেকাতে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের প্রয়োগ হচ্ছে। সেই সঙ্গে গণমাধ্যমের ওপর আরও বিধিনিষেধ এবং নারী ও কন্যাশিশুর ওপর সহিংসতা অব্যাহত আছে।

মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিশকেন্দ্রের তথ্যানুযায়ী, চলতি বছর বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড ঘটেছে ৬৭টি। রাজনৈতিক সহিংসতায় নিহত হয়েছে ১৩০ জন, আহত ৮ হাজার ৫৮৪ জন। ধর্ষণের শিকার ১ হাজার ২৪৭ নারী। সংস্থাটি জানায়, করোনাকালেও নারীর প্রতি সহিংসতা খুবই উদ্বেগজনক।

দেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি কেমন জানতে চাইলে মানবাধিকারকর্মী নূর খান লিটন আমাদের সময়কে বলেন, বাংলাদেশে মানবাধিকার পরিস্থিতির কোনো উন্নতির লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের ক্ষেত্রে সামান্য কিছু পরিবর্তন হয়েছে, তবে থামছে না। সীমান্ত হত্যা, ধর্ষণ, পারিবারিক সহিংসতা- সব কিছু বেড়েছে। সবচেয়ে বড় বিষয় হচ্ছে- এই কোভিডকালে নারী ও শিশুদের ওপর বেড়েছে নিপীড়ন। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনেরও ব্যাপক অপপ্রয়োগ হচ্ছে। এ আইন দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী ও পুরুষ শিক্ষক, সাংবাদিক, মানবাধিকারকর্মী, দোকানদার- এমন কোনো পেশা নেই, যাদের হেনস্তা করা হচ্ছে না। মানবাধিকার অবনতির কারণে স্থানীয় নির্বাচনে খুনের ঘটনা বেড়েছে। গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করার মাধ্যমেই একমাত্র মানবাধিকার পরিস্থিতির উন্নতি করা সম্ভব।

১৯৪৮ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে মানবাধিকারের সর্বজনীন ঘোষণাপত্র গৃহীত হয়। এর পর ১৯৫০ সালে ১০ ডিসেম্বরকে জাতিসংঘ বিশ্ব মানবাধিকার দিবস হিসেবে ঘোষণা দেয়। সেই থেকে এই দিনে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে।

 

এ জাতীয় আরও খবর

ডেঙ্গু রোধে জনসচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান ডা. রফিকুল ইসলামের

হাইতিতে জাতিসংঘ মিশনে যাচ্ছে সেনাবাহিনীর ৫০ সদস্যের দল

ক্যাম্পাসে গণতন্ত্র দমনের অভিযোগ বিএনপি-ছাত্রদলের বিরুদ্ধে: ডাকসু জিএস

মালয়েশিয়ায় কর্মী নিয়োগ শুরু, অনুমোদিত এজেন্সির মাধ্যমে যাওয়ার সুযোগ

ডেঙ্গুতে এক দিনে আরও ১০ জনের মৃত্যু

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কমিটি গঠন স্থগিত

যুব উন্নয়নের নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁস, গ্রেপ্তার ৫

ক্রিকেটারদের ৮ লাগেজ চুরি, আটক ৪

সাজেকে অবরোধ স্থগিত, পর্যটকদের জন্য খুলল সব কেন্দ্র

শিল্পে গ্যাস সংযোগের অগ্রাধিকার ঠিক করতে কমিটি গঠন

স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানে কেনাকাটা ও দরপত্র বন্ধের নির্দেশ

গাজীপুরে পুলিশ ফাঁড়িতে হামলা, আহত ২ সদস্য