,

মিমকে যে নামে ডাকেন তার হবু বর

news-image

বিনোদন প্রতিবেদক : ঢাকাই সিনেমার পরিচিত মুখ বিদ্যা সিনহা মিম। গতকাল বুধবার ছিল তার জন্মদিন। আর এদিন পছন্দের মানুষটির সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন এই অভিনেত্রী। জানান, বিশেষ এই দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে বাগদান সম্পন্ন করেছেন তিনি। গতকাল রাতেই পাঁচ তারকা একটি হোটেলে দুই পরিবারের উপস্থিতিতে এই আয়োজন সম্পন্ন হয়েছে।

মিমের ভাষ্য, ‘গতকাল আমাদের বাগদান অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দুই পরিবারের সদস্য ও আমার খুব কাছের কয়েকজন মানুষ। আমার হবু স্বামী সনি পোদ্দার কুমিল্লার মানুষ। সে একটি বেসরকারি ব্যাংকে কাজ করেন। আগামী বছর বিয়ের অনুষ্ঠান হবে আশা করছি।’

হবু বর সনি পোদ্দারের সঙ্গে কীভাবে পরিচয়? জানতে চাইলে ‘আমার আছে জল’খ্যাত এই অভিনেত্রী বলেন, ‘আমার এক বান্ধবীর মাধ্যমে সনির সঙ্গে প্রথম পরিচয়। তারপর বন্ধুত্ব, সেখান থেকে প্রেম। অবশেষে দুজনই পরিবারকে বিষয়টি জানাই। বাবা-মায়ের সিদ্ধান্তে সবকিছু হয়েছে। আর জন্মদিনের বিশেষ দিনটি বেছে নিয়েছি বাগদানের ঘোষণা দেওয়ার জন্য।’

প্রিয় মানুষটির কোন বিষয়টি মিমকে মুগ্ধ করেছে? উত্তরে তিনি বলেন, ‘যেমন মানুষ চেয়েছিলাম তেমন মানুষই পেয়েছি। সনি একদম সাধারণ, তার ভেতরে কোনো অহংকার নেই। গতরাতে সনি হাঁটু গেড়ে বসে আমাকে আংটি পরিয়ে দিয়েছে। এটাই আমাকে বেশি মুগ্ধ করেছে। কারণ, ও যে মানুষ তাতে এমন করার কথা ছিল না। আমি নিশ্চিত, ওর বন্ধুরা এটা শিখিয়ে দিয়েছে।’

কথায় কথায় মিম জানান, তার হবু বর তাকে ‘ঢঙ্গি’ নামে ডাকেন। তার ভাষ্য, ‘কখনও ওর সঙ্গে একটু রাগ করি, একটু অভিমান করি, একটু ঢঙ করি। এজন্যই আমায় বলে ঢঙ্গি মেয়ে। অবশ্য ভালোই লাগে নামটা।’

এ জাতীয় আরও খবর

ডাকসুর সংগ্রহশালায় জিন্নাহর ছবি কেন, জানালেন জিএস ফরহাদ

শিশুদের সম্ভাবনা বিকশিত করতে মুক্ত পরিবেশ নিশ্চিতের আহ্বান জুবাইদা রহমানের

‘বৃত্তি-উপবৃত্তিতে সমতা নয়, প্রয়োজনের ভিত্তিতে অগ্রাধিকার’

রাজউকে দুদকের হানা

বীমা খাতে ৭ হাজার কোটি টাকার দাবি বকেয়া

অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দ্বারস্থ ৭ সাবেক অধিনায়ক

ট্রাম্পের সমঝোতার ঘোষণার পরই কিয়েভে পেট্রল স্টেশনে হামলা

এস কে সুরের স্ত্রীর দুই বছরের কারাদণ্ড

সাদ্দাম-ইনানসহ ৭ আসামির মৃত্যুদণ্ডের রায়ে ঢাবিতে মিষ্টি বিতরণ

সৎ থাকাটাই সবচেয়ে বড় অপরাধ: আসিফ মাহমুদ

পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির প্রভাবে সংকটে গরুর মাংসের বাজার

যেসব অভিযোগে ওবায়দুল কাদেরসহ সাতজনের মৃত্যুদণ্ড