,

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মেঘনার চরে রয়েছে অসংখ্য হাঁসের খামার, অনেকে হচ্ছেন স্বাবলম্বী 

news-image
তৌহিদুর রহমান নিটল, ব্রাহ্মণবাড়িয়া : ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে মেঘনা নদীর বুকে জেগে ওঠা চরের নাম চরসোনারামপুর। এই চরের জনবসতি প্রধানত মাছ শিকারকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে। কিন্তু দূর-দূরান্ত থেকে আসা খামারিরা মেঘনার এই চরে গড়ে তুলেছেন হাঁসের খামার। এই চর ছাড়াও মেঘনার মোহনায় জেগে ওঠা নবীনগর, আশুগঞ্জ ও সরাইল উপজেলার বিভিন্ন চরে রীতিমতো হাঁসের বিপ্লব ঘটিয়েছেন কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম, ইটনা, নিকলী, মিঠামইন ও হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম থেকে আসা খামারিরা।চরের চারপাশের পানিতে এখন ভেসে বেড়ায় অসংখ্য হাঁস। মেঘনার ঢেউয়ে তাল মিলিয়ে হাঁসের হেলে-দুলে ভেসে বেড়ানোর দৃশ্য দেখে মুগ্ধ হয় সবাই।
সরেজমিনে ঘুরে জানা যায়, মেঘনা তীরবর্তী জেলার নবীনগর উপজেলার বাইশমৌজা, আশুগঞ্জের লালপুর ও সরাইলের পানিশ্বর এলাকার ছোট-বড় চরে গড়ে তোলা হয়েছে অর্ধশতাধিক হাঁসের খামার। শুধুমাত্র আশুগঞ্জের চরসোনারামপুরে রয়েছে ৩০ টি হাঁসের খামার। এসব খামারে বর্তমানে ৪০ হাজারেরও বেশি হাঁস রয়েছে। প্রায় আট/দশ বছর ধরে চরসোনারামপুরে হাঁসপালন জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। নিকলী উপজেলার মরকোনা গ্রামের করিম মিয়া প্রথমে এই চরে হাঁসের খামার গড়ে তোলেন। পরে তার দেখাদেখি ওই গ্রামের আরও অনেকে চরসোনারামপুরে হাঁসের খামার করেন। পরে লোকমুখে এই চরের নাম ছড়িয়ে পড়ে আশপাশের এলাকায়। এভাবে অষ্টগ্রাম, ইটনা, মিঠামইন ও লাখাই উপজেলা থেকে খামারিরা চরসোনারামপুরে এসে খামার করেন।
হাঁসের খামারি আফজাল মিয়া জানান, তাদের খামারে আট’শত  হাঁস রয়েছে। এর মধ্যে ১৫/২০টি পুরুষ হাঁস। প্রতিদিন প্রায় ৬শ’ হাঁস ডিম দেয়। চরে বসবাসরত জেলে পরিবারের অন্তত ৪০ জন নদী থেকে মাছ ধরার পাশাপাশি শামুক তুলে এনে খামারিদের কাছে বিক্রি করে থাকেন। প্রতি বস্তা শামুক ২০০/৩০০ টাকায় বিক্রি করেন খামারিদের কাছে। শামুক বিক্রি করে প্রতিদিন তাদের হাজার টাকারও বেশি আয় হয়।
আরেক খামারি মফিজ মিয়া বলেন, আশুগঞ্জে বড় ধানের মোকাম থাকায় সারাবছরই ধান পাওয়া যায়। খাবারের পর্যাপ্ততা ও সহজলভ্যতার কারণে দ্রুত বেড়ে উঠে হাঁস। ডিমও দেয় বেশি। তাছাড়া নদীর দুই তীরে দুই উপজেলা শহর থাকায় ডিম বিক্রি থেকে শুরু করে সব কাজেই সুবিধা পাওয়া যায়। আমরা নদী তীরের বালু চরে বাঁশের খুঁটি ও জালের বেড়া দিয়ে হাঁসের ঘর তৈরি করেছি। রাতে এসব ঘরে হাঁস থাকে। প্রতিটি খুপড়ির কাছেই তৈরি করা হয়েছে বাঁশের মাচা। যেখানে রাত কাটান আমাদের খামারিরা। আর দিনের বেলায় হাঁসের বিচরণ ও খাবারের জন্য নদীর তীরেই জালের বেড়া দিয়ে ঘর তৈরি করা হয়েছে।
আশুগঞ্জ উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিস বলেন, আমাদের কাছে পর্যাপ্ত পরিমাণে ডাকপ্লেগ-এর ভ্যাকসিন রয়েছে। বিগত চার মাসে ১২ হাজারেরও বেশি ভ্যাকসিন বিতরণ করা হয়েছে।

এ জাতীয় আরও খবর

ডাকসুর সংগ্রহশালায় জিন্নাহর ছবি কেন, জানালেন জিএস ফরহাদ

শিশুদের সম্ভাবনা বিকশিত করতে মুক্ত পরিবেশ নিশ্চিতের আহ্বান জুবাইদা রহমানের

‘বৃত্তি-উপবৃত্তিতে সমতা নয়, প্রয়োজনের ভিত্তিতে অগ্রাধিকার’

রাজউকে দুদকের হানা

বীমা খাতে ৭ হাজার কোটি টাকার দাবি বকেয়া

অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দ্বারস্থ ৭ সাবেক অধিনায়ক

ট্রাম্পের সমঝোতার ঘোষণার পরই কিয়েভে পেট্রল স্টেশনে হামলা

এস কে সুরের স্ত্রীর দুই বছরের কারাদণ্ড

সাদ্দাম-ইনানসহ ৭ আসামির মৃত্যুদণ্ডের রায়ে ঢাবিতে মিষ্টি বিতরণ

সৎ থাকাটাই সবচেয়ে বড় অপরাধ: আসিফ মাহমুদ

পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির প্রভাবে সংকটে গরুর মাংসের বাজার

যেসব অভিযোগে ওবায়দুল কাদেরসহ সাতজনের মৃত্যুদণ্ড