,

ভুয়া নিয়োগে ২৫ বছর চাকরি, দুদকের মামলা

news-image

নিজস্ব প্রতিবেদক : ভুয়া নিয়োগের মাধ্যমে ২৫ বছর সরকারি চাকরি করার অভিযোগে এক ব্যক্তির নামে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। ওই ব্যক্তির নাম মো. মশিউর রহমান। তিনি এক সময় সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌরসভার উপসহকারী প্রকৌশলী ছিলেন। সর্বশেষ ঢাকার দোহার পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী (সাময়িক বরখাস্ত) ছিলেন তিনি।

মশিউর রহমানের নামে মামলাটি করেছেন দুদককের পাবনা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. শহীদুল আলম সরকার। এজাহারে বলা হয়েছে, আসামি অসৎ উদ্দেশ্যে অবৈধ নিয়োগ ও পদোন্নতির মাধ্যমে শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন।

দুদকের প্রতিবেদনে বলা হয়- স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের শাখা ৬-এর ১৯৮৯ সালের ১২ জুন সব পৌরসভার চেয়ারম্যানকে পাঠানো চিঠিতে বলা হয়, অনেক পৌরসভায় প্রয়োজনের অতিরিক্ত এবং যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ছাড়াই অনেক কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিয়োজিত আছে। ‘লোকাল কাউন্সিল সার্ভিস রুলস’ অনুযায়ী নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ছাড়া পৌরসভায় কোনো কর্মচারী নিয়োগ দেওয়া যাবে না। চিঠিতে আরও বলা হয়, যেসব কর্মকর্তা-কর্মচারীকে সরকারের অনুমোদন ছাড়াই পৌরসভায় নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, তাদের ১৯৮৯ সালের ৩০ জুনের মধ্যে অপসারণ করতে হবে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, সরকারের ওই নির্দেশনার পরও কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ছাড়াই ১৯৯০ সালের ৯ সেপ্টেম্বর শাহজাদপুর পৌর পরিচালনা কমিটির সভায় মো. মশিউর রহমানকে দৈনিক ৪০ টাকা বেতনে প্রতিষ্ঠানটির উপসহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) পদে মাস্টাররোলে নিয়োগ দেওয়া

হয়। নিয়োগপত্র ইস্যুর পরদিন ১ অক্টোবর মো. মশিউর রহমান কাজে যোগদান করেন। যোগদানের কয়েকদিন পর ১৫ অক্টোবর পৌরসভা প্রশাসক তারিক-উল-ইসলাম তাকে উপসহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) পদে (১৯৮৫ সালের সংশোধিত বেতনস্কেল ১০০০-৭০-১৫৬০-ইবি-৯০-২২৮০ টাকা) প্রারম্ভিক বেতন ও নিয়মানুযায়ী অন্যান্য ভাতা এবং সরকারি সুবিধাদিসহ সম্পূর্ণ অস্থায়ী নিয়োগ প্রদান করেন। স্থানীয় পরিষদ চাকরি বিধিমালা ১৯৬৮ অনুযায়ী পরিচালিত হবে এবং উক্ত বিধানমতে সন্তোষজনক কার্যক্রমের ভিত্তিতে কর্তৃপক্ষের সন্তুষ্টি সাপেক্ষে তার চাকরি নিয়মিতকরণ করা হবে মর্মে নিয়োগপত্রে উল্লেখ করা হয়।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, মো. মশিউর রহমান ১৯৯৯ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি উপসহকারী প্রকৌশলী থেকে সহকারী প্রকৌশলী এবং ২০১১ সালের ১৬ অক্টোবর সহকারী প্রকৌশলী থেকে নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবে পদোন্নতি পান। দীর্ঘ ২৫ বছরে তার চাকরি স্থায়ী না হওয়ায় ২০১৫ সালের ১৯ অক্টোবর স্থানীয় সরকার বিভাগ তার চাকরি স্থায়ী করে। অন্যদিকে তার নিয়োগ অবৈধ বলে অভিযোগ পাওয়ার পর ঘটনাটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য সিরাজগঞ্জের স্থানীয় সরকার শাখার উপপরিচালক তন্ময় দাস ও স্থানীয় সরকার বিভাগের যুগ্ম সচিব রওশন আরা বেগমকে তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ করা হয়। দুই তদন্তে অনিয়মের বিষয়টি প্রমাণিত হওয়ায় ২০১৬ সালের ১৭ অক্টোবর তাকে চাকরি থেকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করে স্থানীয় সরকার বিভাগ।

 

এ জাতীয় আরও খবর

ডাকসুর সংগ্রহশালায় জিন্নাহর ছবি কেন, জানালেন জিএস ফরহাদ

শিশুদের সম্ভাবনা বিকশিত করতে মুক্ত পরিবেশ নিশ্চিতের আহ্বান জুবাইদা রহমানের

‘বৃত্তি-উপবৃত্তিতে সমতা নয়, প্রয়োজনের ভিত্তিতে অগ্রাধিকার’

রাজউকে দুদকের হানা

বীমা খাতে ৭ হাজার কোটি টাকার দাবি বকেয়া

অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দ্বারস্থ ৭ সাবেক অধিনায়ক

ট্রাম্পের সমঝোতার ঘোষণার পরই কিয়েভে পেট্রল স্টেশনে হামলা

এস কে সুরের স্ত্রীর দুই বছরের কারাদণ্ড

সাদ্দাম-ইনানসহ ৭ আসামির মৃত্যুদণ্ডের রায়ে ঢাবিতে মিষ্টি বিতরণ

সৎ থাকাটাই সবচেয়ে বড় অপরাধ: আসিফ মাহমুদ

পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির প্রভাবে সংকটে গরুর মাংসের বাজার

যেসব অভিযোগে ওবায়দুল কাদেরসহ সাতজনের মৃত্যুদণ্ড