,

যৌন হয়রানির শিকার ৫.৭ শতাংশ নারী ইউএনও : টিআইবি

news-image

অনলাইন ডেস্ক : ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নতুন এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উন্নয়নকাজ তদারকিসহ বিভিন্ন দায়িত্ব পালনকালে যৌন হয়রানির শিকার হয়েছেন ৫ দশমকি ৭ শতাংশ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)।

বৃহস্পতিবার ‘স্থানীয় পর্যায়ে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় উপজেলা নারী নির্বাহী কর্মকর্তার চ্যালেঞ্জ ও করণীয়’ শীর্ষক গবেষণাপত্রে এ তথ্য জানায় টিআইবি।

গবেষণাপত্রটিতে উল্লেখ করা হয়, দেশে নারী ইউএনওদের প্রতি এখনো নেতিবাচক মনোভাব রয়েছে। ৪৫ জন ইউএনও’র মধ্যে অন্তত ৪৩ দশমিক ৫০ শতাংশ দুর্নীতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে গিয়ে বিভিন্ন বাধার মুখোমুখি হয়েছেন। এর মধ্যে স্থানীয় প্রভাবশালী ও রাজনীতিবিদদের চাপ, মিথ্যা অভিযোগ এবং জেলা প্রশাসন, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অসহযোগিতা রয়েছে।

গবেষণাপত্রে আরও বলা হয়-

ত্রাণসামগ্রী বিতরণে অনিয়মের জন্য চাপের শিকার হন ৩৪ দশমিক ৩ শতাংশ ইউএনও।

ব্যয়ের যথার্থতা যাচাই না করার জন্য বিভিন্ন মহল থেকে চাপ পান ৩১ দশমিক ৪ শতাংশ ইউএনও।

ভুয়া ব্যয়ের বিল অনুমোদন দিতে বাধ্য করা হয় ২৮ দশমিক ৬ শতাংশ ইউএনওকে।

ক্রয় সংক্রান্ত কাজে অনিয়ম করার জন্য চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হতে হয় ২৫ দশমিক ৭ শতাংশ ইউএনওকে।

সহকর্মীদের থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা পান না ২৩ দশমিক ৫৪ শতাংশ ইউএনও।

উপজেলায় দুর্নীতিবিরোধী কাজের ক্ষেত্রে তারা প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হন ৩১ দশমকি ৪ শতাংশ ইউএনও।

বিভিন্ন মহল থেকে অনৈতিক কাজের জন্য চাপ পান প্রায় এক-তৃতীয়াংশ ইউএনও।

রাজনৈতিক প্রভাবের চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হন ৩১ শতাংশ ইউএনও।

উপজেলা পরিষদের বিভিন্ন জনসেবামূলক কাজ সম্পন্ন করার ক্ষেত্রে বাধার সম্মুখীন হন ২৫ দশমিক ৭ শতাংশ ইউএনও।

উন্নয়ন কার্যাবলী তদারকিসহ বিভিন্ন দায়িত্ব পালনের সময় যৌন হয়রানির শিকার হয়েছেন ৫ দশমিক ৭ শতাংশ ইউএনও।

টিআইবি নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান জানান, গবেষণায় উঠে এসেছে- বিশেষ পরিস্থিতিতে নারী ইউএনও’র জন্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেই। এছাড়াও দুর্যোগ মোকাবেলায় চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হন ৯৮ শতাংশ নারী ইউএনও।

টিআইবির মতে, নারী ইউএনওদের ক্ষেত্রে বৈষম্যমূলক আচরণের পেছনে পুরুষতান্ত্রিক মানসিকতা এবং সুশাসনের অভাবই দায়ী।

এদিকে অনলাইন প্ল্যাটফর্মে সংবাদ সম্মেলনে প্রকাশিত গবেষণাপত্রটি তৈরিতে ১৪৯ জন নারী ইউএনওকে প্রশ্ন পাঠানো হয়। এর মধ্যে মাত্র ৪৫ জন উত্তর দিয়েছেন। ২০২০ সালের জুন থেকে ২০২১ সালের মার্চের মধ্যে জরিপটি পরিচালনা করা হয়।

এসময় টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান, উপদেষ্টা (নির্বাহী ব্যবস্থাপনা) অধ্যাপক ড. সুমাইয়া খায়ের, গবেষণা ও পলিসি (পরিচালক) মোহাম্মাদ রফিকুল হাসান, সিনিয়র ফেলো-রিসার্চ অ্যান্ড পলিসি শাহজাদা এম আকরাম, প্রাক্তন সিনিয়র প্রোগ্রাম ম্যানেজার (রিসার্চ অ্যান্ড পলিসি) আবু সাঈদ মো. জুয়েল মিয়া প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

এ জাতীয় আরও খবর

ডেঙ্গু রোধে জনসচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান ডা. রফিকুল ইসলামের

হাইতিতে জাতিসংঘ মিশনে যাচ্ছে সেনাবাহিনীর ৫০ সদস্যের দল

ক্যাম্পাসে গণতন্ত্র দমনের অভিযোগ বিএনপি-ছাত্রদলের বিরুদ্ধে: ডাকসু জিএস

মালয়েশিয়ায় কর্মী নিয়োগ শুরু, অনুমোদিত এজেন্সির মাধ্যমে যাওয়ার সুযোগ

ডেঙ্গুতে এক দিনে আরও ১০ জনের মৃত্যু

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কমিটি গঠন স্থগিত

যুব উন্নয়নের নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁস, গ্রেপ্তার ৫

ক্রিকেটারদের ৮ লাগেজ চুরি, আটক ৪

সাজেকে অবরোধ স্থগিত, পর্যটকদের জন্য খুলল সব কেন্দ্র

শিল্পে গ্যাস সংযোগের অগ্রাধিকার ঠিক করতে কমিটি গঠন

স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানে কেনাকাটা ও দরপত্র বন্ধের নির্দেশ

গাজীপুরে পুলিশ ফাঁড়িতে হামলা, আহত ২ সদস্য